জাপানে মাসে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি, আবেদন ৩১ অক্টোবর

জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ দিচ্ছে হোনজো ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

হোনজো ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ ফাউন্ডেশনের এ বৃত্তিতে মোট ১০ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হবে। নির্বাচিতরা প্রোগ্রামের মেয়াদ অনুযায়ী প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৩০ হাজার জাপানি ইয়েন পর্যন্ত বৃত্তি পাবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের খরচও দেওয়া হবে।

স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের এ বৃত্তির মেয়াদ এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

বৃত্তির সুযোগ-সুবিধা

হোনজো আন্তর্জাতিক বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আর্থিক ও একাডেমিক সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে—

  • পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ।

  • এক বা দুই বছরের কোর্সে মাসিক ২ লাখ ৩০ হাজার ইয়েন।

  • তিন বছরের কোর্সে মাসিক ২ লাখ ১০ হাজার ইয়েন।

  • চার বা পাঁচ বছরের কোর্সে মাসিক ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়েন।

  • আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের খরচ।

আবেদনকারীর যোগ্যতা

বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। জাপানে স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। তবে জাপানি নাগরিকরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

এ ছাড়া আবেদনকারীকে—

  • জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হবে;

  • হোনজো ফাউন্ডেশনের অন্য কোনো বৃত্তি গ্রহণ করা যাবে না;

  • স্নাতকোত্তরের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ বছর এবং পিএইচডির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়সী হতে হবে;

  • কোর্স শেষ করে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা থাকতে হবে;

  • জাপানি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে।

যেসব নথি লাগবে

আবেদনের সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্র অনলাইনে জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

১. সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
২. দুই মিনিটের ভিডিও। এতে আবেদনকারীকে তাঁর গবেষণা পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করতে হবে।
৩. একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট। স্নাতক পর্যায়ের ট্রান্সক্রিপ্ট জাপানি বা ইংরেজি ভাষায় হতে হবে। অন্য ভাষায় হলে অনুবাদ করে জমা দিতে হবে।
৪. গবেষণা প্রস্তাব। এতে গবেষণার বিষয়, গবেষণার ফলাফল কীভাবে নিজ দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এবং একাডেমিক, গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রমে অর্জনের তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
৫. সুপারভাইজারের সুপারিশপত্র।
৬. ভর্তির চিঠি বা গ্রহণপত্র।

আবেদন করবেন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ জন্য হোনজো স্কলারশিপ ফাউন্ডেশনের নির্ধারিত আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ অক্টোবর।

মন্তব্য করুন

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৪ আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ, আবেদন শেষ যেসব তারিখে

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীর। তবে টিউশন ফি, আবাসন, যাতায়াতসহ নানা খরচের কারণে অনেকের জন্য সেই স্বপ্ন পূরণ কঠিন হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ হতে পারে বড় সহায়তা। এসব বৃত্তির আওতায় শুধু টিউশন ফি নয়, অনেক ক্ষেত্রে মাসিক ভাতা, আবাসন, স্বাস্থ্যবিমা, যাতায়াত ও গবেষণার খরচও দেওয়া হয়।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান এমন স্কলারশিপের সুযোগ দিয়ে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্কলারশিপে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন চারটি স্কলারশিপ সম্পর্কে—

১. সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ড (সিঙ্গা)

সিঙ্গাপুর সরকারের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ হলো ‘সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট অ্যাওয়ার্ড’ বা সিঙ্গা। এর আওতায় বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিষয়ে পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে।

এই স্কলারশিপের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে বিনা মূল্যে পিএইচডি প্রোগ্রামে পড়ার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। পিএইচডি প্রোগ্রামের মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১ ডিসেম্বর ২০২৬।

বিস্তারিত: Singapore International Graduate Award (SINGA)

২. নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি হলো নাইট-হেনেসি স্কলারশিপ। এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে বিনা মূল্যে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

স্কলারশিপটি সাধারণত সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত একাডেমিক খরচ বহন করে। তবে একাধিক বা যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রামে যুক্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হোম ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে অতিরিক্ত বা সামঞ্জস্যপূর্ণ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

আবেদনের শেষ সময়: ৬ অক্টোবর ২০২৬।

বিস্তারিত: Knight-Hennessy Scholars—Stanford University

৩. এডিবি-জাপান স্কলারশিপ প্রোগ্রাম

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয় এডিবি-জেএসপি (Asian Development Bank–Japan Scholarship Program)। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মেধাবী তরুণ ও পেশাজীবীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

স্কলারশিপের আওতায় পূর্ণ টিউশন ফি, মাসিক জীবনযাপন ও আবাসন ভাতা, বই ও শিক্ষা উপকরণ, স্বাস্থ্যবিমা, যাতায়াত ব্যয় এবং গবেষণাসংক্রান্ত সহায়তা দেওয়া হয়।

তবে এ স্কলারশিপের আবেদনের সময়সীমা নির্দিষ্ট নয়। অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনটেকভেদে সময়সীমা ভিন্ন হয়ে থাকে। তাই আগ্রহীদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়সীমা অনুসরণ করতে হবে।

আবেদনের সময়: অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভিন্ন।

বিস্তারিত: ADB–Japan Scholarship Program

৪. ব্রিটিশ শেভেনিং স্কলারশিপ

যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স ডিগ্রি করার সুযোগ দেয় ব্রিটিশ সরকারের বহুল পরিচিত শেভেনিং স্কলারশিপ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় তরুণদের জন্য এ বৃত্তি দেওয়া হয়।

আবেদনকারীদের নেতৃত্বের গুণাবলি, পেশাগত অভিজ্ঞতা, নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সক্ষমতা এবং নিজ দেশ ও সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখার সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শেভেনিং স্কলারশিপের আওতায় টিউশন ফি, মাসিক জীবনযাপন ভাতা, যুক্তরাজ্যে যাতায়াতের খরচসহ নির্ধারিত অন্যান্য ভাতা দেওয়া হয়।

আবেদনের শেষ সময়: ৬ অক্টোবর ২০২৬।

বিস্তারিত: Chevening Scholarship—Application Timeline

আবেদনের আগে যা মনে রাখবেন

স্কলারশিপের সুযোগ থাকলেই আবেদন করলেই হবে না। প্রতিটি প্রোগ্রামের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ফলাফল, ভাষাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের সময়সীমা আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি।

বিশেষ করে শেষ সময়ের অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, সুপারিশপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখলে আবেদনের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট স্কলারশিপের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসরণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

মন্তব্য করুন

অস্ট্রেলিয়ায় স্নাতকোত্তর-পিএইচডিতে স্কলারশিপ, আবেদন ১ অক্টোবর পর্যন্ত

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ‘গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ স্কলারশিপ’-এর আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬।

১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। গবেষণা অবকাঠামো ও উদ্ভাবনী প্রকল্পের জন্যও প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত।

যেসব বিষয়ে গবেষণার সুযোগ

স্কলারশিপের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, সৃজনশীল শিল্প, আইন, শিক্ষা உள்ளிட்ட বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে।

বৃত্তিতে যা থাকছে

নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বছরে ৩৪ হাজার ৩১৫ অস্ট্রেলিয়ান ডলার ভাতা পাবেন। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্থানান্তর অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে ২ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

আবেদনের যোগ্যতা

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আবেদন করতে প্রার্থীকে স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। আর পিএইচডিতে আবেদনের জন্য প্রয়োজন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পাশাপাশি ভালো একাডেমিক ফলাফল ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বিশ্বের সব দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। গবেষণার অভিজ্ঞতা ও শক্তিশালী একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা প্রার্থীদের গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত গবেষণা ক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রার্থীরাও অগ্রাধিকার পাবেন।

প্রয়োজনীয় নথি

আবেদনের সময় যেসব নথি জমা দিতে হবে—

  • গবেষণা প্রস্তাবনা

  • হালনাগাদ সিভি

  • দুজন রেফারির যোগাযোগের তথ্য

  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট

  • ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রমাণপত্র

  • পাসপোর্টের কপি

  • সুপারভাইজারি সাপোর্ট ফরম

যেভাবে আবেদন করবেন

প্রথমে নিজের গবেষণার আগ্রহ ও একাডেমিক দক্ষতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি গবেষণা প্রকল্প নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজারি টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করতে হবে। সবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১ অক্টোবর ২০২৬।

মন্তব্য করুন

স্ট্যানফোর্ডে ৩ বছরের গবেষণার সুযোগ, বছরে ৯৮ হাজার ডলারের ফেলোশিপ

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে তিন বছর গবেষণার সুযোগ দিচ্ছে স্ট্যানফোর্ড সায়েন্স ফেলোস ফেলোশিপ। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মৌলিক পরীক্ষামূলক বা তাত্ত্বিক গবেষণায় আগ্রহী ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ের মেধাবী বিজ্ঞানীরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

যেসব বিষয়ে গবেষণার সুযোগ

স্ট্যানফোর্ড সায়েন্স ফেলোসের আওতায় প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা করা যাবে। ক্ষেত্রগুলো হলো—

  • জ্যোতির্বিজ্ঞান ও অ্যাস্ট্রোফিজিকস

  • জীববিজ্ঞান

  • রসায়ন

  • পৃথিবী ও মহাসাগরবিজ্ঞান

  • গণিত ও পরিসংখ্যান

  • পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞান

  • থিওরি ও সিমুলেশন

  • প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র

ফেলোশিপের মেয়াদ

ফেলোশিপের মেয়াদ তিন বছর। সাধারণত ২০২৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ফেলোশিপ শুরু হয়ে ২০৩০ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

তবে নির্বাচিত ফেলো চাইলে ১ জুলাই বা ১ আগস্ট থেকেও যোগ দিতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই ২০২৭ সালের ১ সেপ্টেম্বরের পর ফেলোশিপে যোগ দেওয়া যাবে না।

বছরে ৯৮ হাজার ডলার স্টাইপেন্ড

ফেলোশিপের আওতায় নির্বাচিত গবেষককে প্রতি বছর ৯৮ হাজার ডলার স্টাইপেন্ড দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি স্ট্যানফোর্ডের বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার এবং গবেষণা ও পেশাগত উন্নয়নের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।

এ ছাড়া—

  • স্থানান্তর ব্যয় হিসেবে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ ডলার দেওয়া হবে।

  • যোগ্য ফেলোদের শিশু যত্নের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

  • ভিসা সংক্রান্ত ব্যয়ের জন্যও সহায়তা পাওয়া যাবে।

আবেদনকারীর যোগ্যতা

এ ফেলোশিপে আবেদন করতে হলে প্রার্থীকে ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ের বিজ্ঞানী হতে হবে। ফেলোশিপ শুরু হওয়ার আগের তিন বছরের মধ্যে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ দুই বছরের পোস্টডক্টরাল অভিজ্ঞতা থাকা যাবে।

বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী ও পোস্টডক্টরাল গবেষকরা এ ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

এ ছাড়া যারা ১ মার্চ ২০২৭-এর আগে স্ট্যানফোর্ডে পোস্টডক্টরাল পদে যোগ দেবেন, তারাও এ ফেলোশিপে আবেদন করার যোগ্য হবেন না।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র

আবেদনের সময় প্রার্থীদের কয়েকটি প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

  • কারিকুলাম ভিটা (সিভি)

  • কভার লেটার

  • তিনটি সুপারিশপত্র

  • সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার ক্যারিয়ার স্টেটমেন্ট

  • সর্বোচ্চ দুই পৃষ্ঠার গবেষণা প্রস্তাব

গবেষণা প্রস্তাবে গবেষণার সমস্যা, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরে কী অর্জন করা সম্ভব এবং প্রস্তাবিত গবেষণায় স্ট্যানফোর্ড কীভাবে সহায়তা করতে পারে—এসব বিষয় তুলে ধরতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীদের অ্যাকাডেমিক জবস অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের আগে সম্ভাব্য স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গবেষণার সহযোগিতা ও হোস্টিংয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

ফেলোশিপ পাওয়ার আগে অন্তত একজন স্ট্যানফোর্ড ফ্যাকাল্টি সদস্যকে আবেদনকারীকে হোস্ট করতে সম্মত হতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ১৬ অক্টোবর ২০২৬।

মন্তব্য করুন

যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতকে বছরে ২৮ হাজার ডলারের স্কলারশিপ, আবেদন ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যোগ্যতা, একাডেমিক সাফল্য, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সামগ্রিক দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের এ স্কলারশিপ দেওয়া হবে। আবেদন করার শেষ সময় ৪ ডিসেম্বর ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের টাসকালুসায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব আলাবামায় স্নাতক পর্যায়ে ১০০টির বেশি বিষয় ও প্রোগ্রাম রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণা, অনার্স প্রোগ্রাম এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

স্কলারশিপে যা থাকছে

প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার ডলার পর্যন্ত স্কলারশিপ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করা হবে।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক সাফল্য বিবেচনা করে স্কলারশিপের জন্য নির্বাচন করা হবে।

আবেদনকারীর যোগ্যতা

প্রেসিডেনশিয়াল স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হলে শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে। একই সঙ্গে আগের শিক্ষাজীবনে উল্লেখযোগ্য একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে।

আবেদনকারীর—

  • SAT স্কোর ১,৪২০ থেকে ১,৬০০-এর মধ্যে অথবা

  • ACT স্কোর ৩২ থেকে ৩৬-এর মধ্যে

থাকতে হবে।

যেসব নথি লাগবে

আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কিছু নথিপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

  • বৈধ পাসপোর্টের কপি

  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট

  • ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষার সনদ

  • কাউন্সেলরের সুপারিশপত্র

  • একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও অন্যান্য একাডেমিক রেকর্ড

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৪ ডিসেম্বর ২০২৬।

মন্তব্য করুন

চেক সরকারের ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ, মাসে মিলবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কোরুনা

উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ দিচ্ছে চেক প্রজাতন্ত্র সরকার। ‘চেক রিপাবলিক সরকারি স্কলারশিপ’-এর আওতায় ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি প্রোগ্রামে পড়ার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশসহ নির্ধারিত কয়েকটি দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময় আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

ইউরোপের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে চেক প্রজাতন্ত্র উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

যেসব সুবিধা পাবেন

চেক সরকারের এ স্কলারশিপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি দেওয়া হবে মাসিক উপবৃত্তি।

  • স্নাতকোত্তর পর্যায়ে: প্রতি মাসে ১৬ হাজার চেক কোরুনা

  • পিএইচডি পর্যায়ে: প্রতি মাসে ২৪ হাজার ৯৬০ চেক কোরুনা

  • স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।

কোন কোন প্রোগ্রামে আবেদন করা যাবে

স্নাতকোত্তর: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত নির্ধারিত স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। এসব প্রোগ্রামের মেয়াদ সাধারণত দুই বছর।

পিএইচডি: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত নির্ধারিত পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। প্রোগ্রামের মেয়াদ সাধারণত তিন থেকে চার বছর হতে পারে।

আবেদন করতে যেসব যোগ্যতা লাগবে

স্কলারশিপের জন্য আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। এ ছাড়া—

  • স্নাতকোত্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

  • পিএইচডির জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

  • ভালো অ্যাকাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে।

  • ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে।

  • নির্বাচিত প্রোগ্রাম অনুযায়ী অন্যান্য নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন

আবেদনের সময় সাধারণত প্রয়োজন হবে—

  • হালনাগাদ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি)

  • সব অ্যাকাডেমিক সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট

  • মোটিভেশন লেটার

  • রেফারেন্স লেটার

  • ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ

  • সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম অনুযায়ী অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

এসএসসি-সমমানের বৃত্তির তালিকা প্রকাশ, যেভাবে দেখবেন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড। মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির এ তালিকা বোর্ডভিত্তিক আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের এসএসসি বৃত্তির কোটা বণ্টনসংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করে। এর পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করছে।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি বা তালিকা থেকে বৃত্তির ফল দেখতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবভিত্তিক ফল প্রকাশের সিস্টেমেও পরীক্ষার ফলাফল সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।

বোর্ড প্রকাশিত তালিকায় সাধারণত শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, নিবন্ধন নম্বর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য উল্লেখ থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বৃত্তির তালিকা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃত্তির তালিকা দেখতে: নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নোটিশ/বৃত্তি সংক্রান্ত বিভাগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বৃত্তির তালিকা খুঁজে দেখতে হবে।

মন্তব্য করুন
×