ধ্বংসস্তূপের নিচে তিন দিন, জীবিত উদ্ধার ৬ বছরের শিশু

 

ভয়াবহ বন্যায় চারপাশ যখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তখনও শেষ হয়নি একটি ছোট্ট প্রাণের লড়াই। নেপালের রসুয়া জেলায় বন্যার তিন দিন পর মাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ছয় বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় উদ্ধার করা শিশুটিকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেওয়া হয়েছে।

রসুয়া জেলার তিমুরে গ্রামে এ হৃদয়স্পর্শী ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি ভোতে কোশি নদীর পানি বেড়ে সেখানে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। এতে তিমুরে গ্রাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার পানির সঙ্গে মাটি ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে বহু স্থাপনা। এরপর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে আসছিলেন উদ্ধারকর্মীরা।

উদ্ধার অভিযানের একপর্যায়ে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) সদস্যরা মাটির নিচ থেকে ক্ষীণ কান্নার শব্দ শুনতে পান। শব্দের উৎস শনাক্ত করে দ্রুত সেখানে খনন শুরু করেন তারা। একপর্যায়ে ধ্বংসস্তূপের নিচে শিশুটির সন্ধান মেলে। পরে তাকে নিরাপদে বের করে আনেন উদ্ধারকর্মীরা।

উদ্ধারের পর শিশুটিকে এপিএফের তিমুরে সীমান্ত চৌকিতে নেওয়া হয়। সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে কিছু সময় পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত কাঠমান্ডুতে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটিকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুতে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও খারাপ আবহাওয়া ও কম দৃষ্টিসীমার কারণে উড্ডয়নে দেরি হয়। ফলে শিশুটিকে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। উদ্ধারকারীরা শনিবার দুপুর পর্যন্ত তাকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেন।

পরে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে হেলিকপ্টারে করে শিশুটিকে কাঠমান্ডুর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে সে সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থার ওপর নিবিড় নজর রাখছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা

তিন দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের দৃশ্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি দেখে উদ্ধারকর্মীদের সাহস ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করছেন অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একজন লিখেছেন, ‘যে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর দলটি উদ্ধার অভিযান বন্ধ করেনি, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘যখন সব আশা শেষ হয়ে গিয়েছিল, তখনই তাকে খুঁজে পাওয়া গেল।’

এদিকে শিশুটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে স্বজনদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ শিশুটির পরিবার বা স্বজনদের সন্ধান করছে। কেউ মানিশা মাগার বা তার পরিবারের বিষয়ে কোনো তথ্য জানলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও পুনর্বাসনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল শনিবার জানিয়েছেন, বন্যার পর পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে কয়েক বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে।

কাঠমান্ডুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসনে সম্ভবত কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে গবেষণা ও মূল্যায়ন করা হবে। এরপর পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছেও সহায়তার জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে।

বন্যার ভয়াবহতায় এখনো বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত ৬৭৫টি মরদেহ উদ্ধার করেছে। অন্যদিকে, নেপালে এখনো ২ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দিন মাটি ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার পর ছয় বছরের মানিশা মাগারকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা নতুন আশার সঞ্চার করেছে। দীর্ঘ সময় পরও শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় খুঁজে পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে উদ্ধারকর্মীদের মধ্যেও। এখন তার দ্রুত সুস্থতা এবং পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের অপেক্ষায় সবাই।

মন্তব্য করুন

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ১৩৩ ধারা জারি

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে টানা বিক্ষোভের মধ্যে জননিরাপত্তা ও নাগরিকদের সম্পত্তি সুরক্ষায় দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ১৩৩ ধারা জারি করেছে পুলিশ। এর আওতায় অনুমতি ছাড়া সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। কর্মসূচি ঠেকাতে শনিবার দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। এ সময় প্রায় সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়। পুলিশের এ পদক্ষেপের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে একাধিক আবেদন জমা পড়ে।

আবেদনকারীদের অভিযোগ, বিক্ষোভের আগে ও পরে অনেক মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে টানা বিক্ষোভের পর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানিয়ে দিল্লির কয়েকটি এলাকায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

ভারতের পুরোনো ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা মূলত জনসাধারণের দুর্ভোগ বা উপদ্রব দূর করতে ব্যবহৃত হতো। জনসাধারণের চলাচলে বাধা, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কিংবা নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ ধারায় প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারতেন। এর আওতায় সরকারি রাস্তা বা জলপথের অবৈধ বাধা সরানো, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ব্যবসা বন্ধ করা এবং বিপজ্জনক ভবন, স্থাপনা বা জীবজন্তুর কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি দূর করার নির্দেশ দেওয়া যেত।

এ ধারা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমস্যাটি দূর করার নির্দেশ দিতে পারেন। পাশাপাশি, কেন ওই নির্দেশ চূড়ান্ত করা হবে না, সে বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া যায়। আদালতের নির্দেশ অমান্য করলেও প্রযোজ্য আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে ভারতে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর হয়েছে। পুরোনো ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারার সমতুল্য বিধান বর্তমানে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৫২ ধারায় রয়েছে। অন্যদিকে, জরুরি পরিস্থিতিতে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জমায়েত বা বিক্ষোভের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে পুরোনো ১৪৪ ধারার সমতুল্য বর্তমান ১৬৩ ধারা প্রয়োগ করা হতে পারে।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। এতে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। আজ সুপ্রিম কোর্টের দিকে প্রতিবাদ মিছিলেরও ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী দলগুলো। কংগ্রেস এ কর্মসূচির নাম দিয়েছে ‘চলো দিল্লি’।

গত সপ্তাহে মধ্য দিল্লিতে বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাকে কয়েক দফায় আটক করা হয়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। রবিবার সিজেপি জানিয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ চলবে।

এর আগে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরের দিকে মিছিলের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। রাজধানীর পরিচিত প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে সংগঠনটি এর আগেও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। তবে শনিবার প্রশাসনের কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বিক্ষোভকারীদের সেখানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়, বহু মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় এবং বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমান থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং সংগঠনের সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পুলিশ। এক দিন পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।

মুক্তির পর অভিজিৎ দীপকে তাঁর দাদির শেষকৃত্যে যোগ দিতে বাড়ি ফিরে যান। অন্যদিকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা সংবাদ সম্মেলনে জানান, তাঁদের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে। তবে রবিবারের কর্মসূচিতে তাঁরা অংশ নেননি। বিক্ষোভের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করতে পুলিশের কাছে আবেদন করবেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

মন্তব্য করুন

পাঠ্যবই ছাপায় ফের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, একাই ৮ লটে আনন্দ প্রিন্টার্স

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রে ফের ছাপাখানা মালিকদের সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একাধিক লটে একক দরপত্র জমা পড়ায় এ অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। এর মধ্যে অষ্টম ও নবম শ্রেণির আটটি লটে একমাত্র দরদাতা হিসেবে অংশ নিয়েছে আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেড।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই ছাপার আটটি লটে দরপত্র জমা দিয়েছে আনন্দ প্রিন্টার্স। এসব লটে অন্য কোনো ছাপাখানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি। ফলে একক দরদাতা হিসেবে সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ বেশি দর প্রস্তাব করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এনসিটিবির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের প্রতি ফর্মা (৮ পৃষ্ঠা) ছাপার প্রাক্কলিত দর নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ টাকা ৮৮ পয়সা। দরপত্রের নিয়ম অনুযায়ী প্রাক্কলিত দরের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেশি বা ১০ শতাংশ কম দর দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আনন্দ প্রিন্টার্স যে আটটি লটে একক দরপত্র জমা দিয়েছে, সেগুলোতে ১৫ লাখের বেশি বই রয়েছে। এসব বই ছাপাতে কয়েক কোটি ফর্মা প্রয়োজন হবে। প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ দেওয়া হলে শুধু এই আট লটের বই ছাপাতেই সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।’

তার অভিযোগ, ছাপাখানাগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন লট ভাগাভাগি করে নেওয়ায় কোনো কোনো লটে অন্য প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়নি। ফলে একক দরদাতা হিসেবে কিছু প্রতিষ্ঠান বেশি দর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

মূল্যায়নে বাদ পড়ছে আট লট

এনসিটিবি সূত্র জানায়, একক দরপত্রের পাশাপাশি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ বেশি দর দেওয়ায় আনন্দ প্রিন্টার্সের আটটি লটের দরপত্র মূল্যায়নে বাদ পড়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এসব লটে কাজ দিলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে—এমন বিবেচনায় মূল্যায়ন কমিটি লটগুলো বাতিলের সুপারিশ করেছে।

লটগুলো বাতিল হলে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. রাব্বানী জব্বারের সঙ্গে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগের সাবেক নেতার প্রতিষ্ঠান আনন্দ প্রিন্টার্স

রাব্বানী জব্বার সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই। ২০২১ সালে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাব্বানী জব্বার পাঠ্যবই ছাপার কাজের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে বর্তমান দরপত্রে আনন্দ প্রিন্টার্সের অংশগ্রহণ ও একক দরদাতা হওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‘সিন্ডিকেট করে কাউকে লাভবান হতে দেওয়া হবে না’

এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের টেন্ডার ওপেন করার পর তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মূল্যায়ন করেছেন। এটি এখন সরকারি ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে যদি কোনো লটের রি-টেন্ডার বা পুনঃদরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন পড়ে, সেটা করা হবে। কাউকে সিন্ডিকেট করে লাভবান হতে দেওয়া হবে না।’

৩০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপানো হবে

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। এর মধ্যে মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির জন্য তিন কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই রয়েছে।

এসব পাঠ্যবই ছাপাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা। বিপুল পরিমাণ এ সরকারি কাজের দরপত্রে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ব্যয় ঠেকানো নিয়ে এখন নজর রয়েছে এনসিটিবির পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

মন্তব্য করুন

ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ডাকসুর বিক্ষোভ, ‘ভাইভা কার্ড’ ঠেকানোর হুঁশিয়ারি

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষায় (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, লিখিতের গুরুত্ব কমিয়ে ভাইভার নম্বর বাড়ানো হলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, ঘুষ ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থী, ডাকসু সদস্য ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মিছিলটি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে শুরু হয়ে মল চত্বর ও হলপাড়া প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে মধুর ক্যান্টিনসংলগ্ন নির্ভীক জুলাই চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, নিয়োগে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট ও ন্যায়সংগত পদ্ধতি থাকতে হবে। রাজনৈতিক প্রভাব, ব্যক্তিগত সুপারিশ, স্বজনপ্রীতি ও ঘুষ-দুর্নীতির সুযোগ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তারা।

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিএনপি সরকারকে ভূতে ধরেছে। ভূতের পা থাকে পেছনে, যার কারণে ভূত সামনে গেলেও পিছিয়ে যায়। বিএনপি সরকারও জনগণের ম্যান্ডেট রক্ষা না করে দেশকে পিছিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা মেধাকে ধ্বংস করে দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার চেষ্টা করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির সংসদ সদস্যরা বলতে শুরু করেছেন লিখিত পরীক্ষায় শুধু পাস কর, ভাইভাটা আমরা দেখছি। দলীয়দের জন্য ভাইভা কার্ড চালু করা হয়েছে।’ এ সময় তিনি ২৪তম বিসিএসে বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ থেকে একটি দলের অধীনে শতাধিক এসপি নিয়োগের অভিযোগও তুলে ধরেন।

সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিএনপি সরকার নিয়োগে যতই ভাইভা কার্ড নিয়ে আসার চেষ্টা করুক, জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে এটি কখনো সম্ভব হতে দেওয়া হবে না।’ নিয়োগ পরীক্ষায় বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আবারও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেন, ‘চব্বিশের আগে হাসিনা সরকার মেধার সামনে কোটার দেওয়াল তুলে রেখেছিল। ছাত্র-জনতা সেই দেওয়াল ভেঙেছে। তেমনি বর্তমান সরকার ভাইভার নামে যে স্বজনপ্রীতির দেওয়াল দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে, সেটিও ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে ভেঙে দেবে।’

ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দেক আহমেদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার নিয়োগ-বাণিজ্য ও দলীয়করণের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছে। সরকার যদি মনে করে ভাইভায় নম্বর বাড়িয়ে নিয়োগ-বাণিজ্য করবে, তাহলে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আবারও জুলাইয়ের প্রাচীর গড়ে তোলা হবে।’

সমাবেশ থেকে বক্তারা নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ও মৌখিক—উভয় ধাপেই প্রার্থীদের মেধা ও যোগ্যতার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রভাব বা ব্যক্তিগত সুপারিশের মাধ্যমে যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে নিয়োগে অনিয়ম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

মন্তব্য করুন

কুমিল্লায় ধানক্ষেতের পাশ থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই ধানক্ষেতের পাশ থেকে জান্নাতুত তাজমীন (১৩) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহত জান্নাতুত তাজমীন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে। তার বাবা একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। চাকরির সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করছিল জান্নাতুত।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধানক্ষেতের পাশ থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি মিজানুর রহমান বলেন, কিশোরীর মরদেহে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৭ অক্টোবর পর্যন্তই, ৯ অক্টোবর পর্যন্ত নয় : মাউশি

শিক্ষা অধিপ্তরের ছবি ও লোগো
শিক্ষা অধিপ্তরের ছবি ও লোগো

দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৭ অক্টোবর পর্যন্তই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ দিনের অবকাশকালীন ছুটি অনুমোদনের কথা উল্লেখ থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্রজ্ঞাপনে এ সময়ের মধ্যে কোনো পরীক্ষা গ্রহণ না করার নির্দেশ থাকলেও ছুটি কোন স্তরের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য, তা স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।

মাউশির মাধ্যমিক শাখার উপপরিচালক মো. ইউনুছ ফারুকী গণমাধ্যমকে বলেন, “ছুটি শুরু হয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এবং তা ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ৮ অক্টোবর থেকে নিয়মিত ক্লাস শুরু হবে। শুধু ৮ ও ৯ অক্টোবর পরীক্ষাবিহীন দিন হিসেবে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “কিছু প্রতিষ্ঠান ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষাবিহীন দুদিন রাখা, ছুটি বাড়ানো নয়।”

এ কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যেই অনেক প্রতিষ্ঠান ভুল বুঝতে পেরে ৮ অক্টোবর থেকে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা বা জেলা শিক্ষা অফিসের কোনো নির্দেশনার প্রয়োজন নেই; প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন। বিভ্রান্ত হলে সরাসরি মাউশির সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম

ফল খারাপ হলেও প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন হয়েছে

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারাদেশে পাসের হার কমলেও “প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন হয়েছে” বলে মন্তব্য করেছেন রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,

“সরকার চেয়েছে যেন এবার প্রকৃত মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয়। তাই প্রশ্নপত্রের ধরন ও খাতা মূল্যায়নের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফলে সামগ্রিক ফলাফল কিছুটা কম হলেও মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রশ্নের ধরন হঠাৎ পরিবর্তন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের কিছুটা সমস্যা হয়েছে। আগে থেকে জানালে তারা আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারতো।”

অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের কলেজের ফলাফল সন্তোষজনক। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। ভিকারুননিসা স্কুল ওরিয়েন্টেড কলেজ—এখানে লটারির মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আমরা তৈরি করেছি। মেধার তারতম্য থাকতেই পারে, সবাই সমান মেধাবী নয়।”

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ বছর এইচএসসিতে অংশ নেয় ২,৫১৪ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ নেয় ২,৪৯৫ জন এবং পাস করেছে ২,৪৩৪ জন। পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছে ৮০ জন শিক্ষার্থী।

বিভাগভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী—

  • বিজ্ঞান বিভাগে: পাস করেছে ১,৮০৭ জন, ফেল ৬০ জন, জিপিএ–৫ পেয়েছে ৭৯৭ জন।
  • ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে: পাস ৩১৬ জন, ফেল ১১ জন, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১০৫ জন।
  • মানবিক বিভাগে: পাস ৩১১ জন, ফেল ৯ জন, জিপিএ–৫ পেয়েছে ৮৪ জন।

তিন বিভাগে মোট জিপিএ–৫ পেয়েছে ৯৮৬ জন শিক্ষার্থী। অধ্যক্ষের ভাষায়, “এবারের ফলাফল হয়তো আগের মতো ঝলমলে নয়, কিন্তু এটি বাস্তব ও সৎ মূল্যায়নের প্রতিফলন।”

 

মন্তব্য করুন
×