Home কলেজ ৭৮ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার ভবন নির্মানের কাজ চলছে

৭৮ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার ভবন নির্মানের কাজ চলছে

62
0
চলতি মাসের শেষে অথবা আগামী জানুয়ারির প্রথম দিকে এমপিওভুক্তির অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পাঁচটি কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৯টি প্রকল্প ও পাঁচটি কর্মসূচি রয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯ হাজার ২৯১ কোটি টাকা। দুই বিভাগের এসব অবকাঠামো নির্মাণে সরকারের ব্যয় হবে ৭৮ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরে ১০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবনের কাজ চলছে। এতে ৯৫ হাজার শ্রেণিকক্ষ থাকবে । আর নতুন এই শ্রেণিকক্ষের সুবিধা পাবে ৯ লাখ ১৩ হাজার ৫৭০ শিক্ষার্থী। এছাড়া ১২৩টি নতুন ছাত্রাবাস, ৫৫৮টি ছাত্রীনিবাসও পাবে শিক্ষার্থীরা।
এছাড়া অধ্যক্ষের জন্য তৈরি করা হচ্ছে আধুনিক মানের বাসভবন, শিক্ষার্থীদের জন্য জিমনেশিয়াম, অডিটোরিয়ামও থাকবে। ২০২৩ সালের মধ্যেই এসব কাজ সমাপ্ত হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইডিই)।
এ কাজের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় ৩১টি প্রকল্প ও পাঁচটি কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৯টি প্রকল্প ও পাঁচটি কর্মসূচি রয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৩৯ হাজার ২৯১ কোটি টাকা। দুই বিভাগের এসব অবকাঠামো নির্মাণে সরকারের ব্যয় হবে ৭৮ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন জরুরি। প্রয়োজন বিবেচনা করে এসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন ভবন প্রয়োজন এমন তালিকা দিয়েছেন। এছাড়া শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকেও সরেজমিনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এসব তালিকার ভিত্তিতেই ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে।
৫০টি প্রকল্প ও কর্মসূচির আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ৮৪ হাজার ৬৪৪টি ক্লাসরুম, ৯৩টি ছাত্রাবাস, ১৫১টি ছাত্রীনিবাস, ছয়টি ডরমেটরি, আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৯ হাজার ৪৪৯টি ক্লাসরুম, ৩০টি ছাত্রাবাস, ৪০৭টি ছাত্রীনিবাস, ৩৬৩টি ডরমেটরি, আটটি টিচার্স কোয়ার্টার, ৩৮টি স্টাফ কোয়ার্টার রয়েছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বুলবুল আখতার বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ ও আসবাবপত্র সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। দেশে আর কোনো জরাজীর্ণ ভবন থাকবে না এমন লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসাবে আগামী ২০২৩ সালের মধ্যেই চলমান ১০ হাজার ভবনের কাজ সমাপ্ত হবে।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here