Home বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছভর্তির সময়সূচি নির্ধারণে উপাচার্য পরিষদের বৈঠক বুধবার

গুচ্ছভর্তির সময়সূচি নির্ধারণে উপাচার্য পরিষদের বৈঠক বুধবার

97
0
গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করতে আগামী বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বৈঠকে বসবেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। উপাচার্য পরিষদের ওই বৈঠকে গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার সময়সূচির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ‘প্রতি বছর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে পরিষদের বৈঠকে তারিখ ও আসন ঠিক করা হয়। এবার ১৭ ফেব্রুয়ারি সেই বৈঠক ডাকা হয়েছে।’

তিনি জানান, সাধারণ, কৃষি ও প্রকৌশল মিলে অর্ধেকের বেশি বিশ্ববিদ্যালয় এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত তারিখ হবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি পরীক্ষার তারিখও এ বৈঠকে ঠিক হবে। তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট, রুয়েট ও কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা জুনে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আশা করছি- ওই সময় অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবে না।’

উপাচার্য পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, গুচ্ছসহ অন্যান্য সাধারণ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ সমন্বয় করতেই এ সভা ডাকা হয়েছে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। একই তারিখে যেন দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা না পড়ে যায় সেটা ঠিক করতে এ বৈঠকের আয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুয়েট এবং মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর গুচ্ছতে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। এক্ষেত্রে জুনে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরপরই পরীক্ষা আয়োজন করবে গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এক্ষেত্রে গুচ্ছতে যাওয়া সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। গুচ্ছভুক্ত ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অন্য কোথাও পরীক্ষার কেন্দ্র করতে চায় না বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার গুচ্ছভুক্ত সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এর বাইরে পরীক্ষার কেন্দ্র করা হবে না। কেননা অন্য কোথাও কেন্দ্র করলে সেখানে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে যাবে।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here