Home প্রাথমিক প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা যাতে কুচুক্রির হাতে চলে না যায়

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা যাতে কুচুক্রির হাতে চলে না যায়

71
0

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ শিক্ষা নিয়ে থাকে, যাদের অধিকাংশ অভিভাবকের বসবাস দারিদ্র্যসীমার নিচে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের শিক্ষা ব্যয়ের কষ্ট লাঘব করতে উপবৃত্তি চালু করেন। ছোট ছোট সোনামণির উপবৃত্তির টাকাটা যেন মা বা অভিভাবকের হাতে যায়, তাই মোবাইলফোনে সিউর ক্যাশের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা। সিউর ক্যাশ পরবর্তী G2P পদ্ধতিতে EFT-এর মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরের ৪র্থ কিস্তির (এপ্রিল-জুন ২০) উপবৃত্তির অর্থ ডাকবিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
নগদের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃত অভিভাবকের হাতে টাকা পৌঁছে যাবে এরকম উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ, এটি আরো আধুনিক। তবে এখানে বড় একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি কুচক্রী মহল। যারা কি না গ্রামের সহজ সরল অভিভাবকদের বোকা বানিয়ে ফোনে তথ্য যাচাইয়ের নাম করে পিন কোড হাতিয়ে নিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছে। সম্পূর্ণ নতুন একটি পদ্ধতির সঙ্গে অভিভাবকরা পরিচিত হতে না হতেই অসাধুচক্রটি অভিভাবকদের ফাঁদে ফেলছে। এরকম অবস্থায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অভিভাবকদের প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছেন।

তাই অভিভাবকদের সচেতনতার নিমিত্ত প্রকল্প পরিচালক (অতিঃ সচিব) মো. ইউসুফ আলী স্বাক্ষরিত একটি পত্র ২২-৩-২০২১ তারিখে প্রকাশ করা হয়। আশা রাখি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকাগুলো গ্রামের অভিভাবকদের হাতে নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরো সতর্ক হয়ে সহজ করে তুলবেন।

মো. জামিল বাসার

সহকারী শিক্ষক, বওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here