Home কারিগরি-মাদ্রাসা জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ দুই মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে

জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ দুই মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে

55
0

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিবন্ধন সনদ জাল করে এমপিওভুক্তিসহ নানা সুবিধা ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের কাগজপত্র অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

অভিযোগে জানা গেছে, ১২ জানুয়ারি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে জানা গেছে, ফুলবাড়ী উপজেলার শাহবাজার ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী আফরোজা খাতুন এবং সুজনের কুটি রুহুল আমিন দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) নাছরিন সুলতানার নিবন্ধন সনদ জাল। তাই বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ তাদের কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের তদন্ত করতে ১৯ এপ্রিল মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ হোসাইনের ফুলবাড়ীতে আসার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে আসতে না পারায় অভিযুক্ত ওই দুই শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ, এনটিআরসিএ সনদ, নিয়োগ, যোগদান ও এমপিওভুক্তির কাগজপত্র তার দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ নির্দেশের পর অভিযুক্ত শিক্ষক আফরোজা খাতুনের বেতন উত্তোলন বন্ধ থাকলেও নাছরিন সুলতানা বেতন-ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করে আসছেন।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষক নাছরিন সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলেও অন্য শিক্ষক আফরোজা খাতুন মোবাইল ফোনে জানান, আমার সনদ জাল নয়, আমার প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র করে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

শাহবাজার ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম বলেন, তিন বছর আগে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আফরোজা খাতুনের বিল ভাতা বন্ধ করা হয়েছে। এনটিআরসিএ সনদ জাল কিনা জানা নেই। তবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে থেকে তার কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে, সেগুলো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুজনের কুটি রুহুল আমিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মিজানুর রহমান জানান, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিদর্শকের নির্দেশে অভিযুক্ত শিক্ষকের কাগজপত্র ই-মেইলে অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হাই জানান, অভিযুক্তদের সনদের ব্যাপারে অধিকতর তদন্তের জন্য কাগজপত্র প্রতিষ্ঠানের সুপার অধিদপ্তরে পাঠিয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখবেন।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here