Home প্রাথমিক প্রাথমিকে সপ্তাহ পর বাড়তে পারে ক্লাস

প্রাথমিকে সপ্তাহ পর বাড়তে পারে ক্লাস

207
0

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু হওয়ায় স্কুল খোলার প্রথম দিন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম দেখা গেছে। শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এদিন ক্লাসে পাঠ কার্যক্রমে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এক সপ্তাহ পর প্রাথমিকে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে।

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ প্রায় ১৭ মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এ সময়ে এক শ্রেণির শিক্ষার্থী পরবর্তী শ্রেণিতে উঠে গেছে। এ কারণে তাদের শিক্ষক, সহপাঠী ও ক্লাস বদলে গেছে।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, শিশু শিক্ষার্থীরা সার্বক্ষণিক মাস্ক পরে নির্ধারিত আসনে বসে আছে। হঠাৎ অনভ্যস্ত এ পরিস্থিতিতে তাদের করো কারো মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তিও দেখা গেছে। মাঝেমধ্যেই অনেকে মাস্ক খুলে নিজের আসন ছেড়ে পরিচিত বা সহপাঠীর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছে। শিক্ষকরা বারবার ছোট ছোট এ ছেলেমেয়েদের সতর্ক করে নিজ নিজ আসনে বসাচ্ছেন। দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল খোলার প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের গড় উপস্থিতি ছিল কিছুটা কম। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষকরা অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবককে ফোন করে স্কুলে না আসার কারণ জানার চেষ্টাও করেন বলে জানা গেছে।

এদিন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আইডিয়াল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, দ্বিতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণিশিক্ষক মোছা. গুলনাহার খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি কক্ষে ক্লাস নেয়া হচ্ছে। প্রথম দিন ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেছে। সাড়ে ৯টা থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে। অভিভাবকদের ফোন করে ১০ জন করে ছাত্রছাত্রী ভেতরে প্রবেশ করানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথম দিনের ক্লাস হিসেবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনা বিষয়ে আলোচনা, বাংলা ও গণিত পড়ানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বাংলা রিডিং পড়া ভুলে গেছে কি না, সেটা দেখতেই তাদের রিডিং পড়ানো হয়েছে। অনেক দিন ক্লাস বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের নাম ভুলে গেছে, শিক্ষকদেরও চিনতে পারছিল না। নতুন করে তাদের সবার সঙ্গে পরিচয় করানো হয়েছে।

বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী খালিদ হাসান জাগো নিউজকে বলেন, দেড় বছর ধরে স্কুলে আসতে পারিনি বলে খারাপ লেগেছে। এখানে এসে নতুন শিক্ষক, নতুন সহপাঠী দেখে কিছুটা খারাপ লাগছে। সারাক্ষণ মুখে মাস্ক পড়ে থাকতে হচ্ছে, খেলাধুলা করতে না পারায় মন কিছুটা খারাপ।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here