Home প্রাথমিক প্রাথমিকের শিক্ষকদের যোগদানের দিন থেকে চাকরিকাল গণনায় রুল

প্রাথমিকের শিক্ষকদের যোগদানের দিন থেকে চাকরিকাল গণনায় রুল

1459
0

পদোন্নতির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রথম যোগদান থেকে চাকরিকাল গণনার পরিবর্তে, অন্য উপজেলায় বদলির পর নতুন বিদ্যালয়ে যোগদানের তারিখ হতে চাকরিকাল গণনায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে রিটকারীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে প্রথম যোগদানের তারিখ হতে চাকরিকাল গণনা করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য তৈরি করা গ্রেডেশন তালিকায় তাদের নাম কেন অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) সংশ্লিষ্ট চারজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৭ জন সহকারী শিক্ষকের দায়ের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (১৫ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে এদিন রিটকারীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট বিপুল বাগমার।

অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সম্প্রতি সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিতে জ্যেষ্ঠতার তালিকা (গ্রেডেশন লিস্ট) চূড়ান্তকরণের কাজ হাতে নিয়েছে। শিক্ষকদের গত মাস থেকে অনলাইনে একটি ফরম পূরণ করতে হচ্ছে। আপনি বহিরাগত শিক্ষক কি না বা কবে এ উপজেলা/থানায় যোগ দিয়েছেন, ফরমে সেরকম প্রশ্ন রয়েছে।

উপজেলাভিত্তিক নিয়োগ পান প্রাথমিক শিক্ষকরা। নিজ উপজেলার বাইরে অন্যত্র বদলি হলে নতুন কর্মস্থলে ওই শিক্ষককে ‘বহিরাগত শিক্ষক’ বলা হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনে। প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রশ্নে সারাদেশে সহকারী শিক্ষকরা ‘বহিরাগত’ ও ‘স্থানীয়’ এ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছেন । অর্থাৎ বদলি করা শিক্ষকদের সর্বশেষ যোগদানের তারিখ হতে চাকরিকাল গণনা করা হয়।

কিন্তু ২০১৯ সালের নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন নীতিমালায় কোথাও বলা নেই যে, বদলি হলে আগের অভিজ্ঞতা গণনা হবে না। তাই আবেদনকারীরা বিষয়টির সুরাহা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন।

রিট আবেদনকারীদের মধ্যে মোছা. সুলতানা রাজিয়া, মোছা. সাবিকুন নাহার, আবিদা সুলতানা, মিনি রানী বিশ্বাস, খন্দকার মোফাজ্জল হোসেন, নাছিমা আক্তার, তুহিন আক্তার, অজান্তি রায়, সঞ্চিতা তালুকদার এবং নুরুন নাহারসহ ৩৭ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ রুল জারি করেন আদালত।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here