গুচ্ছ পদ্ধতিতে অংশ নিচ্ছে ৩৫ বিশ্ববিদ্যালয়

চলতি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে মোট ৩৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আলাদা তিনটি গুচ্ছে এই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে। এ বছর নতুন করে তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় যুক্ত হচ্ছে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি গুচ্ছে, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিরোজপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুচ্ছে অন্তর্ভুক্ত হবে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি এবং সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে আসছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে এক আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। আজ রোববার ইউজিসি ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে সভায় কৃষি এবং সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গুচ্ছের ৩২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করায় ওই তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এই সভায় ডাকা হয়নি।

সভায় অধ্যাপক আলমগীর বলেন, ইউজিসি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা বজায় রাখতে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্য ক্ষুণ্ন হবে না।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোক ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য সময় নির্ধারণ, আর্থিক স্বচ্ছতা নিরূপণে একটি কমিটি গঠনের পরামর্শ দেন অধ্যাপক আলমগীর। এ ছাড়া ন্যাশনাল টেস্টিং অথরিটির (এনটিএ) অধীনে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে একটি রূপরেখা তৈরিতে শিগগির একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান অধ্যাপক আলমগীর।

সভায় উপাচার্যরা বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে কোনো বাধা নেই। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর অভিপ্রায় রয়েছে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা একটি প্রমাণিত সফল পদ্ধতি। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা চিন্তা করে এখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কোনো সংকট দেখা দিলে সবাই মিলে সমাধান করতে হবে।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক মো. আবু তাহের, অধ্যাপক হাসিনা খান, ইউজিসি সচিব ফেরদৌস জামান উপস্থিত ছিলেন।