ঢাকায় দু’দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন

“শিক্ষা সম্মেলন শিক্ষকদের উৎকর্ষ বিকাশে সহায়ক এবং আগামীর (স্মার্ট) বাংলাদেশ গঠনে এ ধরনের কর্মকান্ডের পরিধি বিস্তার প্রয়োজন।”

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কো ঘোষিত “ফিউচার অব এডুকেশন“-এর ধারণার আলোকে গ্লোবাল এ্যাসেম্বলি অন ফিউচার অপ এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন দু’দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলনে উদ্বোধনী পর্বে ঢাবির উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল এ কথা বলেন।

অতিথির বক্তব্যে ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সুসান ভাইজ ইউনেস্কো ঘোষিত ফিচার অব এডুকেশন এর গুরুত্ব আলোচনা করে প্রবন্ধ উপস্থাপনায়, একশন রিসার্চ-এর উপর   ওয়ার্কশপ, প্লিনারি ডিসকাশন-এ প্রায় তিনশত শিক্ষককে উদ্ভুদ্ব করেন।

সম্মেলনে জার্মান থেকে আগত জো হাফার এবং মিডলসি ইউনিভার্সিটি দুবাই-এর প্রতিনিধি জ্যামিক ব্রোনন উচ্চ শিক্ষায় প্রযুক্তি, শিক্ষা বিনিময়, স্টুডেন্ট নেতৃত্ব বিকাশের উপর পুরুত্ব প্রদান করেন।

ভারত, নেপাল, মালদ্বীপসহ আটটি দেশ থেকে আগত শিক্ষকবৃন্দ আন্তর্জাতিক অতিথি শিক্ষকদের সাথে বাংলাদেশেরে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শিক্ষকবৃন্দ তাদের শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন আজ সোমবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল-এ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে সেকেন্ডারী ও হায়ার সেকেন্ডারী স্তরে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক তথ্য সম্পৃক্তার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট টিচার-এর ধারনা তুলে ধরা হয়।
জিস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের এই আয়োজনে বাংলাদেশসহ অংশ গ্রহণকারী সকলের জন্য বিশেষ সুফল বয়ে আনবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।