শিরোনাম
  • মেলায় যাই রে...গানটি বিটিভির ‘আনন্দ মেলা’ অনুষ্ঠানে প্রথম উপস্থাপন  ইসরাইলে হামলায় যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু বুধবার চলবে ৯ মে রাত ১২টা পর্যন্ত  আলপনার রঙে রাঙানো হচ্ছে হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশনায় যা আছে সপ্তম শ্রেণির ‌‌বিতর্কিত 'শরীফার গল্প' সংশোধন কতদূর? বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ: পহেলা বৈশাখ আজ মুক্তিপণ দিয়েই জিম্মি থাকা ২৩ নাবিক ও এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ মুক্ত পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতার দাবিতে পতাকা হাতে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ ১০ দেশে অল্প খরচে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
    • সংগঠন খবর
    • যে রিটে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ছয় মাসের মধ্যে দিতে নির্দেশ 

    যে রিটে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ছয় মাসের মধ্যে দিতে নির্দেশ 

    এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীর বেতনের ১০ শতাংশ কর্তনের বিপরীতে আর্থিক ও অবসর সুবিধা ছয় মাসের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। 

    রায়ে হাইকোর্ট বলেন, এটা চিরন্তন সত্য, শিক্ষকদের অবসর-পরবর্তী সুবিধা পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এই হয়রানি থেকে তারা কোনোভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ জন্য তাদের অবসর ভাতা ছয় মাসের মধ্যে দিতে হবে। এই অবসর ভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারেন না।

    আদালতে রিটকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। অপর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মামুন চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।  

    রায়ের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, সারাদেশে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় পাঁচ লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী অবসরকালীন সুবিধা পেতে ২০১৯ সালে রিট করেছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ছয় শতাংশ কেটে নেওয়া হতো। সেই কর্তনকৃত টাকাসহ বাকি সুবিধা দেওয়া হতো অবসরের পর। এ অবস্থায় ২০১৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন করে ১০ শতাংশ কেটে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু অবসরোত্তর ছয় শতাংশের যে সুবিধা দেওয়া হতো সেটাই বহাল রাখা হয়। যে কারণে রিটে বলা হয়েছে, যাতে ১০ শতাংশের সুবিধা দেওয়া হয়। এরপর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সে রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।  রায়ে আদালত বলেছেন, ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হলেও তাদের যেন বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়।