শিরোনাম
  • মেলায় যাই রে...গানটি বিটিভির ‘আনন্দ মেলা’ অনুষ্ঠানে প্রথম উপস্থাপন  ইসরাইলে হামলায় যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরু বুধবার চলবে ৯ মে রাত ১২টা পর্যন্ত  আলপনার রঙে রাঙানো হচ্ছে হাওরের ১৪ কিলোমিটার সড়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশনায় যা আছে সপ্তম শ্রেণির ‌‌বিতর্কিত 'শরীফার গল্প' সংশোধন কতদূর? বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ: পহেলা বৈশাখ আজ মুক্তিপণ দিয়েই জিম্মি থাকা ২৩ নাবিক ও এমভি আবদুল্লাহ জাহাজ মুক্ত পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতার দাবিতে পতাকা হাতে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বিক্ষোভ ১০ দেশে অল্প খরচে পড়তে পারেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
  • রমজানে প্রাথমিক‌ ১০ দিন, মাধ্যমিক খোলা ১৪ দিন

    পবিত্র মাহে রমজানে খোলাই থাকছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়। রমজানে বিদ্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। 
    গতকাল ১২ (মার্চ) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৫ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এবং রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।

    শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল রোজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার পক্ষে যুক্তি দেখাতে গিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের উদাহরণ তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কপি আদালতে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, রমজানে স্কুল খোলা রাখা সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত। এ ক্ষেত্রে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারেন না।

    তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবে ২৮ মার্চের আগ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। ২৮ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ইরানে বন্ধ থাকবে মাত্র দু’দিন। এ ছাড়া তিনি তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মালয়েশিয়াসহ আরও কয়েকটি রাষ্ট্রের উদাহরণ তুলে ধরেন।

    এর পর শুনানিতে অ্যাডভোকেট এ কে এম ফয়েজ এলে তাঁর কাছে প্রধান বিচারপতি জানতে চান– কী কারণে তারা বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে চান। জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিত ভিন্ন। আমাদের দেশে শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও জড়িত। তাদেরও ভোগান্তি হয়। রমজানে স্কুল খোলা থাকলে অভিভাবক, শিক্ষার্থী উভয়ই সমস্যায় পড়েন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে যানজটের সৃষ্টি হয়।
    উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

    এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করে রমজানে ১৫ দিন মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালায় জানায়, রমজানে ১০ দিন ক্লাস চলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরে এই বিজ্ঞপ্তি দুটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ রোজায় স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

    এদিকে গতকাল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার আদেশ দেওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এতে জানানো হয়েছে, স্কুলগুলো রমজানের প্রথম ১৪ দিন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রথম ১০ দিন খোলা থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানান, ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ১০ রমজান পর্যন্ত খোলা থাকবে।