বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২৫
অনলাইন সংস্করণ

নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই দিতে প্রস্তুত এনসিটিবি

এনসিটিবি লোগো । গ্রাফিক্স- এডুকেশন বাংলা
এনসিটিবি লোগো । গ্রাফিক্স- এডুকেশন বাংলা

সব ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় কাজ করছে—বৃহস্পতিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে এনসিটিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্দিষ্ট সময়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানো এনসিটিবির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং চলছে।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই সময়মতো ছাপা ও বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে সংস্থাটি। বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবির নিজস্ব তদারকির পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠপর্যায়েও নজরদারি করছে। প্রেস মালিকদের সঙ্গেও চলছে নিয়মিত সমন্বয়।

সম্প্রতি এনসিটিবি অডিটোরিয়ামে বই মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। সেখানে মালিকরা মুদ্রণ ও সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করা কয়েকটি সমস্যা তুলে ধরেন এবং সেগুলো সমাধান করা হলে সময়মতো বই সরবরাহ আরও সহজ হবে বলে মত দেন।

এর পরপরই গত মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা ভার্চুয়ালি দেশের এক হাজারের বেশি বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিভাগ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

সভায় আগের মতবিনিময় সভায় আলোচিত সমস্যাগুলো মোকাবিলায় গৃহীত উদ্যোগ ও এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সরবরাহকৃত বইয়ের বিল দ্রুত পরিশোধ করা হবে বলে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকদের আশ্বস্ত করা হয়। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা জোরদার, স্থানীয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা এবং বই পাঠানোর সময় মাঠপর্যায় সঠিকভাবে অবহিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বই সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত স্থান বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকরাও শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে নির্ধারিত সময়ে দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এনসিটিবি।

মন্তব্য করুন

নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারী, বিএড স্কেল পাবেন ৩ হাজার ৯৫ জন

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত ৬৪১ শিক্ষক-কর্মচারীকে নতুন করে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ৩ হাজার ৯৫ শিক্ষককে বিএড স্কেল দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত মাউশির এমপিও কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাউশির নথি অনুযায়ী, নতুন করে এমপিওভুক্তির তালিকায় স্কুল পর্যায়ের ৩৭৮ এবং কলেজ পর্যায়ের ২৬৩ শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

স্কুল পর্যায়ে এমপিওভুক্ত হতে যাওয়া ৩৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৩০, চট্টগ্রামের ১৬, কুমিল্লার ১০, ঢাকার ৬৬, খুলনার ১৩, ময়মনসিংহের ৩৮, রাজশাহীর ১২৬, রংপুরের ৬৩ এবং সিলেটের ১৬ জন রয়েছেন।

অন্যদিকে, কলেজ পর্যায়ে নতুন করে এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ২৬৩ শিক্ষক-কর্মচারী। এর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৯, চট্টগ্রামের ৩, কুমিল্লার ৬, ঢাকার ৪৬, খুলনার ৫৮, ময়মনসিংহের ২০, রাজশাহীর ১০২, রংপুরের ১১ এবং সিলেটের ৮ জন রয়েছেন।

অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে স্কুল ও কলেজ—উভয় পর্যায়েই রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। স্কুল পর্যায়ে এ সংখ্যা ১২৬ এবং কলেজ পর্যায়ে ১০২ জন। অর্থাৎ নতুন এমপিওভুক্তির তালিকায় দুই পর্যায়েই শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী অঞ্চল।

মন্তব্য করুন

প্রক্সি দিয়ে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা, পিএসসিতে এসে ধরা যুবক

প্রক্সি পরীক্ষার্থী দিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে মো. রিপন হোসেন নামে এক যুবককে আটক করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তিনি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) অফিস সহায়ক পদে চাকরিতে যোগ দিতে পিএসসি সচিবালয়ে উপস্থিত হলে তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে পরিচয় যাচাই ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ পায়। এরপর তাকে শেরে-বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিএসসি।

পিএসসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মো. রিপন হোসেন অফিস সহায়ক পদের প্রার্থী ছিলেন। তার রোল নম্বর ২১০১১৮৭। নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার চাকরিতে যোগদানের জন্য তিনি পিএসসি সচিবালয়ে উপস্থিত হন।

এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার পরিচয় যাচাই করতে প্রবেশপত্রের ছবি এবং মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে তার বর্তমান চেহারা মিলিয়ে দেখেন। এতে তার পরিচয় নিয়ে গুরুতর সন্দেহ তৈরি হয়।

বিষয়টি পিএসসির উপপরিচালক শোভন সমাদ্দারকে জানানো হলে তিনি উপসচিব ওয়াসিমুল বারীকে অবহিত করেন। পরে কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে যাচাই-বাছাই ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

পিএসসি জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন হোসেন নিজেই স্বীকার করেন যে তিনি ওই নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক—কোনো পরীক্ষাতেই নিজে অংশ নেননি। তার পরিবর্তে প্রক্সি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি লাভের অপচেষ্টার অভিযোগে তাকে আটক করে শেরে-বাংলা নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যাডহক কমিটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব দেবেন ইউএনও ও ডিসি — শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা তার প্রতিনিধি পালন করবেন—এ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ১৫ নভেম্বর তারিখে স্বাক্ষরিত অফিস আদেশটি প্রকাশ করে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৭৫৭/২০২৫–এর প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ গত ৮ সেপ্টেম্বর যে পরিপত্র (যেখানে সংশোধিত প্রবিধানমালা-২০২৪ অনুযায়ী নিয়মিত বা অ্যাডহক কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল) জারি করেছিল, তা তিন মাসের জন্য স্থগিত রয়েছে।

এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেখানে প্রবিধানমালা-২০২৪-এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী ইউএনও (উপজেলা পর্যায়) এবং ডিসি বা তার প্রতিনিধি (জেলা পর্যায়) সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

অফিস আদেশে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে বিলুপ্ত হবে। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ালে সংশ্লিষ্ট পরিপত্র তিন মাসের জন্য স্থগিত হয়।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের: মাউশি

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা এবং নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন বা অধ্যাদেশ কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মাউশি জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন সব দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং সাইবার স্পেসে আচরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই নীতিমালাগুলো অমান্য করলে তা সরকারি কর্মচারীর 'আচরণবিধি লঙ্ঘনের' শামিল হবে। এর পাশাপাশি এটি অনেক ক্ষেত্রে 'জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি' এবং 'শাস্তিযোগ্য অপরাধ' হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

এক্ষেত্রে 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং 'সাইবার সুরক্ষা আইন/অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২৫ নং অধ্যাদেশ)'-এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বিজ্ঞপ্তিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সব আঞ্চলিক পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বিজয়া দশমীতে ছাত্রদল নেতা তারিকের ভিন্নধর্মী কর্মসূচি

হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার শেষ দিন ‘বিজয়া দশমী’ উপলক্ষে ভিন্নধর্মী কর্মসূচির আয়োজন করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে তিনি ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদল নেতা তারিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট, আবাসিক শিক্ষক, হল সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ উপস্থিত সব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের পক্ষে হাতের লেখা চিঠির মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা ও গোলাপ ফুল প্রদান করেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় লেখা রয়েছে- ‘শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের সংস্কৃতির যৌথ আনন্দের উৎস। ধর্মের ভিন্নতা থাকলেও হৃদয়ের বন্ধনে আমরা এক। আসুন মুসলিম-হিন্দু মিলেই তৈরি করি সম্প্রীতির সেই রঙিন দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ।

 

এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। আমরা সেই আদর্শ ও নীতিতে বিশ্বাসী। তাই আমরা সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

তিনি বলেন, আজ দুর্গাপূজার শেষ দিন তথা বিজয়া দশমীতে ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া সত্বেও পূজামণ্ডপে গিয়ে আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। এজন্য আমাদের সনাতনী ভাইবোনেরা আমাদেরকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাসেম প্রধান, রাকিব হোসেন, জুল হোসেন, সদস্য সাব্বির হোসেন, সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন ও তরিকুল ইসলাম তারেক, শেখ মুজিবুর রহমান হলের সদস্য তাহমিদ হুমায়ুন তানিম, ঢাবি ছাত্রদল কর্মী রুহুল আমিন, রাকিব হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য নূর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের ফজলে রাব্বি রাদ, মুজতবা তাহমিদ মুবিন, মো. নাজমুল হক, মো. তানভিরুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের মো. জুবায়ের হোসেন ও মো. ফাহাদ হোসেন, মহানগর পূর্বের মো. জাহিদ হাসান, মো. সোয়াইবুল ইসলাম রেম্পি, মুন্তাসির হাসনাত, মহানগর পশ্চিমের মো. মাহমুদুল হাসান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরাফাত হোসেন, ওসমান খান, ইউসুফ আহমেদ অপু, জামাল খান, আবদুল্লাহ আহমেদ তোফায়েল সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

স্মার্টফোন পেলেই টিসি, নান্দাইলের স্কুলে নতুন নির্দেশনা

ময়মনসিংহের নান্দাইলের চণ্ডীপাশা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয় চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রয়োজনে তাকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অভিভাবক সমাবেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

ইউএনও বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন শিক্ষার্থীদের কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি তাকে টিসিও দেওয়া হতে পারে।

খারাপ ফল করা শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতির নির্দেশ

অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান ইউএনও ফাতেমা জান্নাত। বিশেষ করে নির্বাচনী পরীক্ষায় যারা খারাপ ফল করেছে, তাদের পরবর্তী ক্লাসগুলোতে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার পরও যদি কোনো শিক্ষার্থীর ফলাফল খারাপ হয়, তাহলে এর দায় শিক্ষকদের নিতে হবে।

১০৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস মাত্র ১৩

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়টির ১০৫ জন শিক্ষার্থী নির্বাচনী (প্রি-টেস্ট) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সম্প্রতি ওই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, সব বিষয়ে মাত্র ১৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি অভিভাবক সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পড়াশোনায় মনোযোগ এবং স্মার্টফোন ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন
×