একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, দেখবেন যেভাবে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়।

ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের xiclassadmission.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর হোমপেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সন ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। পরে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে ফল দেখা যাবে।

ফলাফলে শিক্ষার্থী কোন কলেজ বা মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা জানা যাবে।

প্রায় ১০ লাখ আবেদন

এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। সারা দেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ।

ফলে মোট আসনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক কম হওয়ায় এবার বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন না। কারণ, তুলনামূলক ভালো ও জনপ্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

মন্তব্য করুন

কবে হতে পারে খুবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে্র ভর্তি পরীক্ষা

 

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের অধীনে রয়েছে কলা ও মানবিক স্কুল, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুল, আইন স্কুল, শিক্ষা স্কুল এবং চারুকলা স্কুলের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন। আর ‘ডি’ ইউনিটের অধীনে রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিসিপ্লিনসমূহ।

পরদিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটের আওতায় রয়েছে বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিসিপ্লিনসমূহ। আর ‘বি’ ইউনিটের অধীনে রয়েছে জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিসিপ্লিনসমূহ।

ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি, আবেদনসংক্রান্ত তথ্য ও অন্যান্য নির্দেশনা পরবর্তী সময়ে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য করুন

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি।

৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ
ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ,
“অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।”

অন্যান্য কোটাগুলো
নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে—

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১%

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০%

  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২%

  • অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫%

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে।

অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান।

কোটা নিয়ে মতভেদ
মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।”

নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে
মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

মন্তব্য করুন

বিকেএসপিতে বি-স্পোর্টস কোর্সে ভর্তি, আবেদন ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে তিন বছর মেয়াদি বি-স্পোর্টস প্রথম বর্ষ স্নাতক (পাস) শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। জাতীয়, বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ে খেলাধুলার অভিজ্ঞতা থাকা নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীরা এ কোর্সে আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের সময়সূচি

অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায়। পরীক্ষা নেওয়া হবে বিকেএসপির জিরানী, সাভার, ঢাকা ক্যাম্পাসে।

ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ বিকেএসপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

২০২১, ২০২২ বা ২০২৩ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২৩, ২০২৪ বা ২০২৫ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি প্রার্থীদের জাতীয়, বিভাগীয় অথবা জেলা পর্যায়ে খেলোয়াড়ি অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ছেলেদের জন্য খেলাধুলার বিষয়গুলো হলো: ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, অ্যাথলেটিক্স, জিমন্যাস্টিক্স, টেনিস, সাঁতার, বাস্কেটবল, বক্সিং ও শুটিং।

মেয়েদের জন্য খেলাধুলার বিষয়গুলো হলো: অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, ফুটবল, ক্রিকেট, জিমন্যাস্টিক্স, টেনিস, সাঁতার, শুটিং ও হকি।

আবেদন ও ফি

ভর্তি আবেদনের জন্য ১ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

আবেদন করতে হবে bkspds.gov.bd অথবা bksp.gov.bd ওয়েবসাইটে।

আবেদনের ধাপগুলো হলো—Applicant Registration > Apply > Admission on B.Sports (pass) Under NU 2025-2026 > Form Fillup > Submit > Payment > PDF Download > Print

পরীক্ষার দিন যা সঙ্গে নিতে হবে

ক্রীড়া মেধা যাচাইয়ের দিন প্রার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের প্রিন্ট কপি, সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং এসএসসি ও এইচএসসির মার্কশিট, প্রশংসাপত্র ও খেলার অভিজ্ঞতার সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। এসব কাগজপত্র সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট খেলার উপযোগী পোশাক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সঙ্গে আনতে হবে।

চূড়ান্ত ভর্তির সময় প্রার্থীকে খেলার সনদপত্র এবং এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র জমা দিতে হবে।

যোগাযোগ

ভর্তি-সংক্রান্ত সাধারণ তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যাবে ০১৭১৩২৪৬০৪০, ০১৯১৭৭৮০৪৩০ ও ০১৭২০২০৬০৭৬ নম্বরে।

অনলাইন রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত সমস্যায় ০১৬৭২০৯৩৩৪৬ নম্বরে অফিস চলাকালীন সময়ে যোগাযোগ করা যাবে।

মন্তব্য করুন

রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসিতে প্রায় শতভাগ সাফল্য, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২০০-র বেশি শিক্ষার্থী

রাজধানীর উত্তরার রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবারও এইচএসসি পরীক্ষায় দারুণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ১৬৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কেবল একজন অকৃতকার্য হয়েছেন। অর্থাৎ, ১৬৯২ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

ফলাফলে দেখা যায়, রাজউকের ১২১৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ অর্জন প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক সাফল্যেরই প্রতিফলন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়—

  • বিজ্ঞান বিভাগে ১১৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৩২ জন পাস করেছেন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৬৩ জন শিক্ষার্থী।

  • ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৪২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, সবাই পাস করেছে। এদের মধ্যে ১৮৬ জনের ফল জিপিএ-৫।

  • মানবিক বিভাগেও ১৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে, যার মধ্যে ৬৯ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

অন্যদিকে, জাতীয়ভাবে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বছর (২০২৪) এই হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ফলে এবারে পাসের হার কমেছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

তবে জাতীয় গড়ের তুলনায় রাজউক মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফলাফল অনেক এগিয়ে, যা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান, দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী এবং শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায়ের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।

মন্তব্য করুন

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, থাকছে না প্রাথমিক বাছাই

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এবারও প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছাড়াই শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। আগামী বছরের ১৬ জানুয়ারি এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়েছিল। এবারও একই পদ্ধতিতে প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছাড়াই কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

তবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন কবে শুরু হবে, আবেদনের যোগ্যতা, আবেদন ফি এবং লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত পদ্ধতি সম্পর্কে সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানিয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

মন্তব্য করুন

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিসিইউ) স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ডিসিইউর রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্থানান্তর প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সাত কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ডিসিইউর সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রোগ্রামে স্থানান্তর করা হবে। গত ২৩ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে শিক্ষা উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের নিয়ে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নে ঢাবি ও ডিসিইউর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করা হবে। একই সঙ্গে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ‘স্থানান্তর বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হবে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে উল্লিখিত তিন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের তালিকা, পরীক্ষার ফলাফল, সিলেবাস ও একাডেমিক রেগুলেশনের হার্ড ও সফট কপি ঢাবি থেকে ডিসিইউ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শিক্ষার্থীদের স্থানান্তরসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিতে ডিসিইউর প্রশাসনিক কার্যালয় এবং সাতটি সংযুক্ত কলেজে পৃথক ‘হেল্পডেস্ক’ চালু রাখা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

যেভাবে হবে পরীক্ষা

রোডম্যাপ অনুযায়ী, স্থানান্তরিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সিলেবাস অনুসারেই অনুষ্ঠিত হবে।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। পরীক্ষা শুরু হবে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বর্ষের টার্মপেপার মূল্যায়ন সংশ্লিষ্ট কলেজের বিভাগগুলো সম্পন্ন করবে।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণ হবে অক্টোবর ২০২৬-এ। এ বর্ষের পরীক্ষা শুরু হবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে।

অন্যদিকে, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ফরম পূরণ হবে ডিসেম্বর ২০২৬-এ। পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক রুটিন ও চূড়ান্ত তারিখ পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্রুত শিক্ষার্থীদের জানানো হবে বলে ডিসিইউর বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×