২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

আপাতত নির্বাচনী পরীক্ষা নয়, নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

 


২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বোর্ড জানিয়েছে, আপাতত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে পারবে না, বরং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যেতে হবে

রোববার (৯ নভেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণ করবে না।”

বোর্ড আরও জানিয়েছে, নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি ও সংক্রান্ত নির্দেশনা পরে আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানানো হয়েছে— এই নির্দেশনা যেন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় এবং পাঠদান কার্যক্রমে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

মন্তব্য করুন

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ

ঢাকা বোর্ডে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ শিক্ষার্থী

এনসিটিবি-NCTB
এনসিটিবি-NCTB

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ বা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নতুনভাবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২০১ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি ফেল থেকে পাস করেছেন আরও ৩০৮ জন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন ৮৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মোট ২ হাজার ৩৩১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৩৭৩ জনের।

গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ পরীক্ষার্থী।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪।

ফল জানবেন যেভাবে
পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সব বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রে উল্লেখ করা মোবাইল নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা বোর্ডের ফল দেখতে ভিজিট করুন: www.dhakaeducationboard.gov.bd
অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানতে পারবেন।

মন্তব্য করুন

বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন বাড়ছে, পাঁচ দিনে আবেদন সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন চলছে। গত ২১ নভেম্বর শুরু হওয়া এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রতিটি আবেদনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত পাঁচ দিনে ৩ লাখ ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছে। এসব শিক্ষার্থী মোট ৫ লাখ ৫৬ হাজারটি পছন্দক্রম দিয়েছে (একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় বেছে নিতে পারে)।

মাউশির তথ্য অনুযায়ী, এবার সারাদেশে চার হাজার ৪৮টি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করা হবে। এর মধ্যে সরকারি স্কুল ৬৮৮টি এবং বেসরকারি স্কুল তিন হাজার ৩৬০টি।

দেশব্যাপী মোট শূন্য আসন রয়েছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে শূন্য আসন এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬৮৮টি সরকারি বিদ্যালয়ের এক লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে দুই লাখ ৬০ হাজার ২৪৪ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি পছন্দক্রম দিয়েছে।

অন্যদিকে, তিন হাজার ৩৬০টি বেসরকারি বিদ্যালয়ের ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৯৮ হাজার ৭৬২টি, পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি।

মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, আবেদন করার জন্য আরও ১০ দিন সময় রয়েছে। আবেদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আবেদন শেষ হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লটারি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

মন্তব্য করুন

২১ নভেম্বর থেকে স্কুলে ভর্তির আবেদন, লটারি ১৪ ডিসেম্বর

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে আগামী ২১ নভেম্বর। এবারও শিক্ষার্থী ভর্তি হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর ২১ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

লটারি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ ডিসেম্বর, এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর আগে, ১২ থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অনলাইন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করবেন এবং শূন্য আসনের তথ্য আপলোড করবেন। পুরো প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড


আসন ও আবেদনসংখ্যা

গত বছর সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৬২৫টি বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এর মধ্যে—

  • বেসরকারি স্কুল ছিল ৪ হাজার ৯৪৫টি, শূন্য আসন ছিল প্রায় ১০ লাখের বেশি

  • সরকারি স্কুল ছিল ৬৮০টি, শূন্য আসন প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার

তবে চাহিদা ছিল অনেক বেশি। সরকারি স্কুলে আবেদন পড়েছিল ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৪টি, অর্থাৎ শূন্য আসনের প্রায় ছয়গুণ। বেসরকারি স্কুলে আবেদন পড়ে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার। ফলে প্রতি বছরই সরকারি ও নামকরা বিদ্যালয়ে ভর্তির প্রতিযোগিতা হয়ে ওঠে তীব্র।


ভর্তি ফি ও নীতিমালা

ভর্তির আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা
ভর্তি ফি ও অন্যান্য চার্জের সর্বোচ্চ সীমা আগের মতোই থাকছে—

  • মফস্বল এলাকায়: সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা

  • উপজেলা বা পৌর এলাকায়: সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা

  • মহানগর এলাকায় (ঢাকা ছাড়া): সর্বোচ্চ ৩,০০০ টাকা

  • ঢাকার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা

  • আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান: সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা

  • ইংরেজি ভার্সনের স্কুলে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা হতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়ন ফি হিসেবে ৩,০০০ টাকার বেশি নিতে পারবে না। প্রতি বছর সেশন চার্জ নেওয়া যাবে, তবে পুনঃভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না।


বয়সসীমা

আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীর বয়স হতে হবে ৫ থেকে ৭ বছর
অর্থাৎ, যার জন্ম ১ জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০-এর মধ্যে, কেবল তারাই প্রথম শ্রেণিতে আবেদন করতে পারবে।



এই বছরও স্কুল ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হবে। লটারির ফলাফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সুযোগ পাবে পছন্দের বিদ্যালয়ে ভর্তির। সরকারি স্কুলে আসনসংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় প্রতিযোগিতা হবে আগের বছরের মতোই কঠিন।

মন্তব্য করুন

কাল সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল, জানা যাবে দুই উপায়ে

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল উদ্বোধন করা হবে।

রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ইনফরমেশন অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরীক্ষার ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন م এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে ফলাফল প্রকাশ ও বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

যেভাবে জানা যাবে ফলাফল

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনের এসএমএস—এই দুই উপায়ে সহজেই ফল দেখতে পারবে:

১. ওয়েবসাইটের মাধ্যমে:

  • শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd বা eboardresults.com-এ প্রবেশ করতে হবে।

  • নির্ধারিত অপশন থেকে পরীক্ষার নাম (SSC/Dakhil/Equivalent), বছর (2026) এবং নিজের শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

  • এরপর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।

  • স্ক্রিনে প্রদর্শিত সিকিউরিটি কোড (ক্যাপচা) সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই মার্কশিটসহ ফলাফল পাওয়া যাবে।

২. এসএমএসের মাধ্যমে (যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে):

ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

    (উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের জন্য SSC DHA 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে)

  • মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (দাখিল) জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: DAKHIL <স্পেস> MAD <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> TEC <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

ফিরতি মেসেজে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে একযোগে প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে।

মন্তব্য করুন

২০২৬ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এবং মূল পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা–এর অধিভুক্ত সব উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফরম পূরণের বিস্তারিত সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

মন্তব্য করুন
×