এসএসসি ২০২৬ পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশের পাশাপাশি পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। একই সময়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।

শিক্ষার্থীদের ফলাফল জানতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলও বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

ফল প্রকাশের সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা
ফল পাওয়া যাবে: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে
এসএমএস: পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরে

মন্তব্য করুন

বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকদের জন্য মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করবে মাউশি

৫৪ হাজার শিক্ষককে ৪২ দিনের প্রশিক্ষণ, আবেদন ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

 

 

মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৫৪ হাজার শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্পের আওতায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষক এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনারদের একটি পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মাউশি জানায়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে।

গঠন হবে মাস্টার ট্রেইনার পুল

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনারদের একটি পুল প্রস্তুত করা হবে। এ জন্য মাউশির মহাপরিচালক একটি প্রশিক্ষক নির্বাচন নীতিমালা অনুমোদন করেছেন।

অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী, পেশাগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে মাস্টার ট্রেইনার নির্বাচন করা হবে।

যেসব শর্ত মানতে হবে

মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কর্তৃপক্ষের অগ্রায়ণপত্র দাখিল করতে হবে। ওই পত্রে আবেদনকারীকে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার অনুমতি এবং প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় প্রশিক্ষণে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনাপত্তি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে।

এ ছাড়া প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষক হিসেবে অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র বা অফিস আদেশসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণক জমা দিতে হবে।

আবেদনের সময় বাড়ল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদনের পূর্বনির্ধারিত শেষ সময় ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর। শিক্ষকদের অধিকতর অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে।

আগ্রহী ও যোগ্য শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত লিংকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

অক্টোবরের প্রথমার্ধে এমপিও শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের পরিকল্পনা

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের জন্য অক্টোবরের প্রথমার্ধকে লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বদলি প্রক্রিয়ায় থাকা বিভিন্ন জটিলতা নিরসনের পর সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষকদের বদলি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বদলির সার্বিক বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে অবহিত করা হয়। সভায় টেলিটকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে বদলির ফল প্রকাশের সময় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও প্রাথমিকভাবে অক্টোবরের প্রথমার্ধের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ]মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আবারও সভা হবে। সেখানে বদলি প্রক্রিয়ায় থাকা জটিলতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান করা হবে, সেটি জানার পর বদলির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময়সীমা বলা যাবে। যদি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়, তাহলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেও ফল প্রকাশ করা হতে পারে।’

যেসব বিষয়ে আলোচনা

সভা সূত্রে জানা গেছে, বদলির আবেদনে ভুল থাকা শিক্ষকদের আবেদন এডিট বা বাতিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। পাশাপাশি শূন্য পদ না থাকা এবং জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিস্থাপন হওয়া ১৯৫টি পদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা  বলেন, ‘যাদের আবেদনে ভুল হয়েছে, তাদের আবেদন এডিট বা বাতিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ইতিবাচক। তবে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত না থাকায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রোববারের সভায় বদলি নিয়ে বেশ কিছু বিষয় আলোচনা হলেও কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার আবারও সভা ডাকা হয়েছে।

সোমবার ফের সভা

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আগামীকাল সোমবার দুপুর ২টায় আবারও সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সোমবারের সভায় বদলি প্রক্রিয়ার জটিলতা নিরসনে সিদ্ধান্ত এলে ফল প্রকাশের সময়সীমা আরও স্পষ্ট হতে পারে।

মন্তব্য করুন

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না মেলায় আটকে এমপিও শিক্ষকদের বদলির ফল

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস হতে চললেও এখনো ফল প্রকাশ করা হয়নি। বদলির অপেক্ষায় থাকা কয়েক হাজার শিক্ষক এ নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে ফল প্রকাশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

শিক্ষকদের হতাশার বিষয়টি নিয়ে মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সঙ্গে কথা বলেছে । তবে বদলির ফল প্রকাশের বিষয়ে তিনি কোনো সুখবর দিতে পারেননি।

মাউশি মহাপরিচালক বলেন, “বদলির ফল প্রকাশ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন দরকার। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বদলির ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে না।”

মন্ত্রণালয় ও মাউশির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বদলির ফল প্রকাশে বিলম্বের পেছনে একাধিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে বদলির আবেদনকারীদের আবেদন সম্পাদনার (এডিট) সুযোগ চালু, আবেদন বাতিলের সুযোগ দেওয়ার দাবি এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অন্যতম। তবে শিক্ষকদের ঢাকামুখী হওয়ার প্রবণতাই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র জানায়, বদলির জন্য আবেদন করা অনেক শিক্ষক ঢাকায় আসতে আগ্রহী। তাদের অনেকে স্বামী বা স্ত্রীর (স্পাউজ) কর্মস্থল ঢাকায় দেখিয়ে বদলির আবেদন করেছেন। বিপুলসংখ্যক শিক্ষক ঢাকায় চলে এলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনও বদলি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাচ্ছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে এমপিওভুক্ত অনেক শিক্ষক যুক্ত থাকেন। এ সময়ে তাদের বদলি করা হলে নির্বাচনী কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

এ কারণে আপাতত বদলির ফল প্রকাশে মন্ত্রণালয় আগ্রহী নয় বলে জানিয়েছে সূত্র। শিক্ষকদের আবেদন বাতিলের সুযোগ বা আবেদন সম্পাদনার (এডিট) অপশন চালু করতে বিলম্বের মাধ্যমেও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, “শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশ না করার পেছনে একেক সময় একেক কারণ দেখানো হচ্ছে। এসব সমস্যা দ্রুতই সমাধান করা সম্ভব। তবে কেন করা হচ্ছে না, সেটি আসলে বোধগম্য নয়।”

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “বদলি না হওয়ার কারণে শিক্ষকরা কষ্টে রয়েছেন। প্রতিনিয়ত অনেক শিক্ষক ফোন করে তাদের কষ্টের কথা আমাদের জানান। আমরাও চাই দ্রুত বদলির ফল প্রকাশিত হোক। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ভালো বলতে পারবেন।”

এদিকে বদলির বিষয়ে জানতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও জাতীয় সংসদে সভায় থাকায় তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে তাঁর মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি সভায় রয়েছেন বলে জানানো হয়।

ফলে আবেদন শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস পরও বদলির ফল প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আবেদনকারী শিক্ষকরা। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের দিকে তাকিয়ে আছেন তারা।

মন্তব্য করুন

চিকিৎসা ভাতা ৫০০, বাড়ি ভাড়া ১৫ শতাংশ সরকারি শিক্ষকদের তুলনায় বড় ব্যবধান

এমপিও শিক্ষকদের ভাতা বৈষম্য নিয়ে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চিকিৎসা ও বাড়ি ভাড়া ভাতা নিয়ে দীর্ঘদিনের বৈষম্য রয়েছে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসে চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ৫০০ টাকা এবং মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পান। বিপরীতে সরকারি স্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত পাচ্ছেন। বাড়ি ভাড়াতেও রয়েছে বড় ধরনের ব্যবধান।

এ পরিস্থিতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা বৈষম্য দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

এ সময় তাকে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বর্তমানে ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পান। এ ছাড়া তাদের অন্যান্য ভাতা সুবিধাও সীমিত। অন্যদিকে সরকারি হাইস্কুল ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা এবং বাড়ি ভাতা হিসেবে মূল বেতনের ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পেয়ে থাকেন।

এই বৈষম্য দূর করতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না—জানতে চাইলে ড. মাহদী আমিন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।’

নবম পে-স্কেলে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

এদিকে বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নবম পে-স্কেলের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি কার্যকর করতে পৃথক গেজেট জারি করতে হবে।

এখনও সেই গেজেট জারি না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন প্রায় ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী।

এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শেষে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

মন্তব্য করুন

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি, খসড়া তালিকায় ১,০২০ শিক্ষক

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে খসড়া গ্রেডেশন তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এতে ২০১১ ও ২০১২ সালে যোগদান করা ১ হাজার ২০ জন সহকারী শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

খসড়া তালিকায় কোনো ধরনের অসংগতি থাকলে প্রমাণকসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আপত্তি জানানোর নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

[খসড়া গ্রেডেশন তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন]

মাউশির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ২০১১ ও ২০১২ সালে যোগদান করা সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে দুটি পৃথক খসড়া গ্রেডেশন তালিকা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

তালিকায় বর্তমান কর্মস্থল, নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ, চাকরি স্থায়ীকরণের তারিখ, জন্মতারিখ, নিজ জেলা এবং বিএড পাসের তারিখসংক্রান্ত কোনো ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রামাণ্য কাগজপত্রসহ আপত্তি জানাতে হবে। এ ছাড়া খসড়া তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত না হলেও প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ আবেদন করা যাবে।

এ সংক্রান্ত আবেদন addshesecondary1@gmail.com ই-মেইল ঠিকানায় আগামী সাত দিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এদিকে, খসড়া তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোনো শিক্ষক মৃত্যুবরণ করলে, সাময়িক বরখাস্ত হলে কিংবা চাকরি থেকে অব্যাহতি পেলে সে বিষয়ে অধিদপ্তরকে অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কাজে লাগিয়ে মাদক নির্মূলের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগিয়ে সমাজ থেকে মাদক সমস্যা দূর করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদক প্রতিরোধে শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শিক্ষা ব্যবস্থা: কুমিল্লা কনসেপ্ট’ বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘মাদক সমস্যা নির্মূলে শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমাজ থেকে মাদক সমস্যা দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি এলাকার শিক্ষানুরাগী, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সমাজসেবকসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকতুল্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো মনে করে শিক্ষা দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন এলাকার সংসদ সদস্যরাও স্বপ্রণোদিত হয়ে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছেন। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ‘কুমিল্লা কনসেপ্ট’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আলোচনা সভায় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরীসহ কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন
×