ভুল চাহিদায় ১৯৫ শিক্ষক প্রতিস্থাপন, বিপাকে বদলিপ্রত্যাশীরা
৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তবে এসব পদে বদলির জন্য আবেদন করা শিক্ষকদের অনেকেই এখন অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে কথা বলেছেন মাউশির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, প্রতিস্থাপনের কারণে যেসব পদে বদলির আবেদনকারীরা সমস্যায় পড়েছেন, তাদের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। টেলিটক ও মাউশির মধ্যে অনুষ্ঠেয় সভায় এ বিষয়ে সমাধানের পথ খোঁজা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘১৯৫টি পদের বিষয়ে আমরা অবগত। আমাদের পরিকল্পনা হলো—ভুক্তভোগী প্রার্থীদের নিজ উপজেলার অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য থাকলে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়া। উপজেলায় সুযোগ না থাকলে জেলায় এবং জেলা পর্যায়েও সুযোগ না থাকলে পাশের জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। সভায় আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯৫ শিক্ষককে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ।
এদিকে, ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের পদে আগে থেকেই বদলির আবেদন করেছিলেন অনেক শিক্ষক। নতুন করে পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় তাদের বদলি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী বদলিপ্রত্যাশীদের জন্য বিকল্প প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে মাউশি।