নন-এমপিও শিক্ষকদের আন্দোলনে রিজভীর সংহতি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী । ছবি-সংগ্রহ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী । ছবি-সংগ্রহ

শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির দাবিকে ‘ন্যায়সংগত’ উল্লেখ করে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, “সরকারের আচরণ দেখে মনে হয়, গরিব শিক্ষকদের তারা দেশের নাগরিকই মনে করে না।”

সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নন-এমপিও শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনে যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবেন—এ বিশ্বাস বিএনপি রাখে।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন। সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্যপরিষদের ব্যানারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় চার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও এনসিপির দূরত্ব, ঢাকা-১০ আসনে সম্ভাব্য নির্বাচন

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মধ্যে দূরত্ব বেড়েছে। সমস্যা মূলত আসিফের দলের উচ্চ পদে নামানোর বিষয় নিয়ে। আসিফ চান দলের ‘মুখ্য সমন্বয়কারী’ পদে থাকা, কিন্তু এনসিপি নেতারা রাজি নন। এতে দলীয় অস্বস্তি এবং কমিটি সক্রিয় করার মাধ্যমে আসিফের পদক্ষেপও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

আসিফের অনুসারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন ও জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভিন্ন শাখায় শীর্ষ পদে থাকলেও এনসিপি নেতারা তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। এর ফলে রাজনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে, এবং এনসিপি মনে করছে আসিফ অভ্যুত্থানের শক্তির সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করছেন।

রাজনৈতিক দিক থেকে দেখা যাচ্ছে, আসিফ ঢাকা-১০ আসনে ভোটার হওয়ার আবেদন করেছেন এবং এখানে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা আছে। আগে কুমিল্লা-৩ আসনে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেখানে বিএনপি’র প্রার্থী থাকায় আসিফ ঢাকা-১০-এ আগ্রহী। তিনি সরকারি পদ থেকে শিগগিরই পদত্যাগ করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

এনসিপি বর্তমানে নির্বাচন এককভাবে করবে নাকি জোটে যাবে, তা নিয়ে দ্বিধায়। দলটি জোট করলে সাময়িক সুবিধা হবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে শক্তি কমে যেতে পারে। একক নির্বাচনে ব্যর্থ হলে দলের ভবিষ্যৎও শঙ্কার মধ্যে পড়ে।

উপসংহারে, আসিফ-মাহমুদের দূরত্ব ও নির্বাচনী সিদ্ধান্ত এখন দলের ভবিষ্যত ও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

মন্তব্য করুন

বিএনপির বৈঠকে নির্বাচনের দিন জুলাই সনদ ও গণভোটের দাবিতে অনড় থাকার সিদ্ধান্ত

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন জুলাই সনদ ও গণভোটের দাবিতে দলের অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই সনদ ইস্যুতে সরকার যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে, তার সমালোচনা করা হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে বৈঠকটি চলে প্রায় এক ঘণ্টা। নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা না থাকলেও বৈঠকে আলোচনা হয়— দলীয় মনোনয়ন প্রক্রিয়া, জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যুতে মতভেদ নিরসন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের আলোচনার সময়সীমা এবং দলের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে।

বিশেষভাবে আলোচনা হয়, সম্ভাব্য মনোনয়ন ঘোষণার পর বঞ্চিত নেতারা কীভাবে আচরণ করছেন এবং যেসব আসনে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, সেগুলো নিয়ে কী করা হবে।

এ ছাড়া আগামী ১৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের সতর্ক অবস্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

দেশব্যাপী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের জ্বালাও-পোড়াও, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে প্রেসক্লাব এলাকায় ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল
দেশব্যাপী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের জ্বালাও-পোড়াও, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে প্রেসক্লাব এলাকায় ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

দেশব্যাপী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের জ্বালাও-পোড়াও, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে রাজধানীর পল্টন, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট ও প্রেসক্লাব এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইটে এক প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম এবং মহানগরীর অফিস সেক্রেটারি কামরুল আহসান হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ও পল্টন থানা আমীর শাহীন আহমেদ খান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন, শাহবাগ পূর্ব থানা আমীর আহসান হাবীব, মতিঝিল দক্ষিণ থানা আমীর মুহাম্মদ মোতাছিম বিল্লাহসহ মহানগরীর বিভিন্ন থানার নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভে সহস্রাধিক সাধারণ মানুষ অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

মন্তব্য করুন

আজ জানা যাবে শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায়ের তারিখ

সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হবে আজ।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে গত ২৩ অক্টোবর মামলার বিচারকাজ শেষ করে ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছিল, রায়ের তারিখ অল্প সময়ের মধ্যেই জানানো হবে। সে অনুযায়ী আজ (১৩ নভেম্বর) রায়ের তারিখ নির্ধারণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

রায়ের তারিখ ঘোষণাকে ঘিরে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নিয়মিত দায়িত্বে থাকা বাহিনীর পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যরা মোতায়েন আছেন।

সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় দায়িত্বে থাকা এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আদালত ও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় যেকোনো নাশকতা, হট্টগোল বা অপতৎপরতা ঠেকাতে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা থাকবে বিভিন্ন স্তরে ও পর্যায়ে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

তারেক রহমান
তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ক্ষমতায় গেলে শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়াত অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার শিক্ষা সংক্রান্ত বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শিক্ষা এমন একটি শক্তি যা প্রয়োজনমতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সাফল্য লাভ করা যায়।

শনিবার বিকালে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই মন্তব্য করেন। খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশন কর্তৃক বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার ওপর আয়োজিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন তিনি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাব দেন এবং তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, লেখাপড়ার উন্নতির জন্য এবং ভালো ফলাফলের জন্য কঠোর অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই।

তারেক রহমান আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় যেতে পারলে কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য খাল খনন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেবে। বক্তৃতার একপর্যায়ে তিনি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে খুব দ্রুত মুখোমুখি কথা বলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মেধাবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রকিবুল ইসলাম রকিব, কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ভিপি কামাল প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খন্দকার আল আশরাফ মামুন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার ৮৪টি স্কুল-মাদ্রাসার ২০ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট উপজেলার ১০টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০ হাজার ২১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। জানা যায়, খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশন এই আয়োজন করে। পরীক্ষায় ৩১ নম্বরের এমসিকিউ ভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে শিক্ষার্থীরা ৩৫ মিনিট সময় পেয়েছিল।

আয়োজকরা জানান, পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ৩৫০ জন শিক্ষক, ৩০০ স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আল আশরাফ মামুন, যিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।

খন্দকার আল আশরাফ মামুন বলেন, ৩১ দফা কী, কেন এবং কীভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব— তা শিক্ষার্থীদের জানাতেই এই আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি জানান, আশার চেয়ে অনেক বেশি সাড়া পাওয়া গেছে এবং এত শিক্ষার্থী অংশ নেবে— তা অকল্পনীয় ছিল। তিনি মনে করেন, এখান থেকে ৩১ দফা ধারণ করা নতুন প্রজন্ম তৈরি হবে। বিশেষ করে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে 'আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক' বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের উৎসাহিত করায় তিনি আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।

এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপলক্ষে পাকুন্দিয়া উপজেলা সদরে দিনব্যাপী উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। এ ধরনের অনুষ্ঠানে খুশি হয়েছেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। অনুষ্ঠানে মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য ৬০ জন শিক্ষার্থীর হাতে নগদ অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

নিজামী, মীর কাসেম ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ বহু আলেম-ওলামাকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে’: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাসেম আলী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ বহু আলেম-ওলামাকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রকামী শক্তির ওপর ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের কথা জাতি ভুলে যায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, "আমাদের প্রায় ৬০ লাখ কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ২০ হাজারের বেশি নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ড ও গুমের শিকার হয়েছেন। জামায়াতের তৎকালীন আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠাতা মীর কাসেম আলী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ অনেক আলেম-ওলামাকে মিথ্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে—এটি জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।"

তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চায়, যা কোনো বিদেশি শক্তির নিয়ন্ত্রণে নয়, জনগণের ইচ্ছায় পরিচালিত হবে।

বিএনপি মহাসচিব এ সময় ১৯৭৫ সালের বাকশাল শাসনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তখন সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, যার ফলে সাংবাদিকরা বেকার হয়েছিলেন এবং অনেকে রাস্তায় হকারি করেছেন। তিনি দাবি করেন, পরে জিয়াউর রহমানই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতা বা মতানৈক্য বড় আকারে বাড়তে না দিয়ে দলগুলোর উচিত নির্বাচনী ট্রেনেই ওঠা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, "যদি সঠিক সময়ে নির্বাচন হয়, তাহলেই আমরা প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে পারব।"

মন্তব্য করুন
×