২০২৬ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এবং মূল পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা–এর অধিভুক্ত সব উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফরম পূরণের বিস্তারিত সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

Tags

২০২৬ এইচএসসি ফল এইচএসসি ফরম পূরণ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা নির্বাচনী পরীক্ষা ফল মাধ্যমিক শিক্ষা বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড HSC Result ২০২৬ HSC Form Fill-up শিক্ষাবর্ষ ২০২৬
মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, আয়োজক শেকৃবি

কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন ও সমন্বয়ের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রমতে, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া, অংশগ্রহণের যোগ্যতা, আসন সংখ্যা, সময়সূচি ও কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ জানান, কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন করতে শেকৃবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দেশে কৃষি ও কৃষি-সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিত পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়, যার ফলে একটিমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এই গুচ্ছ কার্যক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সমন্বিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয়বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের স্নাতক (পাস) দ্বিতীয়বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কলেজের অধ্যক্ষরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে বিতরণ করবেন। পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিন দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয় কোড অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অন্য কোনো বিষয় কোডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

পরীক্ষার হলে উপস্থিতির সময় পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে তা প্রদর্শন করতে হবে।

এ ছাড়া যেসব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে, সেসব পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন

কাল সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল, জানা যাবে দুই উপায়ে

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল উদ্বোধন করা হবে।

রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ইনফরমেশন অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরীক্ষার ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন م এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে ফলাফল প্রকাশ ও বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

যেভাবে জানা যাবে ফলাফল

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনের এসএমএস—এই দুই উপায়ে সহজেই ফল দেখতে পারবে:

১. ওয়েবসাইটের মাধ্যমে:

  • শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd বা eboardresults.com-এ প্রবেশ করতে হবে।

  • নির্ধারিত অপশন থেকে পরীক্ষার নাম (SSC/Dakhil/Equivalent), বছর (2026) এবং নিজের শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।

  • এরপর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।

  • স্ক্রিনে প্রদর্শিত সিকিউরিটি কোড (ক্যাপচা) সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই মার্কশিটসহ ফলাফল পাওয়া যাবে।

২. এসএমএসের মাধ্যমে (যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে):

ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল জানা যাবে। নিয়মগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

    (উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের জন্য SSC DHA 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে)

  • মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের (দাখিল) জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: DAKHIL <স্পেস> MAD <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জন্য:

    মেসেজ অপশনে লিখতে হবে: SSC <স্পেস> TEC <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

ফিরতি মেসেজে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে একযোগে প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবে।

মন্তব্য করুন

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শূন্য আসনে ভর্তি, বাড়ল বিষয় চয়েসের সময়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) সংযুক্ত কলেজগুলোতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির বিষয় চয়েস দেওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। কলা ও সমাজবিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের যেসব আসন এখনো শূন্য রয়েছে, সেগুলোতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নতুন সময়সূচি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে ২৯ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে বিষয় চয়েস দেওয়া যাবে। বিষয় ও কলেজভিত্তিক নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ৩০ আগস্ট রাত ১১টায় প্রকাশ করা হবে।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের ৩১ আগস্ট দুপুর ১২টা থেকে ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে অনলাইনে ভর্তি ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। সোনালী বিল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে ভর্তি ফি হিসেবে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে।

বিষয় চয়েস দেওয়ার নিয়ম

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের dcuadmission.org ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে চয়েস ফরম পূরণ করতে হবে।

কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে করণীয়

পোষ্য (ওয়ার্ড), খেলোয়াড় ও হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) কোটায় ভর্তিচ্ছুদের ২৭ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া সংশ্লিষ্ট কলেজে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে কোটার প্রমাণস্বরূপ সনদপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনে কলেজের নাম, পছন্দের বিষয় এবং ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম উল্লেখ করতে হবে।

কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও সাক্ষাৎকারের পর এসব শিক্ষার্থীর বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে। সাক্ষাৎকারের সময়সূচি পরে জানানো হবে।

অন্যদিকে, কোটায় প্রথম ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে ভর্তি নিশ্চয়ন করা শিক্ষার্থীদের ২৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে কোটার প্রমাণপত্র, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং পূরণ করা চয়েস ফরমের প্রিন্ট কপি। কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।

চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্নের প্রক্রিয়া

প্রথম ও দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া সংশ্লিষ্ট কলেজের অফিসে ভর্তি ফরম, পে-স্লিপ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে মূল নম্বরপত্র ও সত্যায়িত কপি, সর্বশেষ উত্তীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের দেওয়া প্রশংসাপত্র, এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের ফটোকপি, এসএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের পাঁচ কপি ছবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রমের নিয়ম ও শর্ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন কিংবা নতুন কিছু সংযোজনের অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

মন্তব্য করুন

গুচ্ছে যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়, একক ভর্তি পরীক্ষার পথে যবিপ্রবি

 

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এবার ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে গুচ্ছভুক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে, গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)।

গুচ্ছে যুক্ত হতে আগ্রহী নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয় হলো—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিক্ষার্থী ভর্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গুচ্ছে আবেদন করবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের ৫৬তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বগুড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ প্রায় দুই দশক আগে নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তী সময়ে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ পাস হয়। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার আইনি ভিত্তি তৈরি হয়।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কুদরত-ই-জাহান বলেন, “আমরা এই সপ্তাহেই আবেদন করব। এর আগে ইউজিসির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে নেব। এজন্য ঢাকা যাচ্ছি।”

ভর্তি পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, আমাদের দেশের ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম খুবই ভালো। তাই গুচ্ছের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে আনুষ্ঠানিকতা ও গতানুগতিক সুবিধা রয়েছে, সেগুলো পেলেই চলবে।”

গুচ্ছে থাকতে চায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তরাঞ্চলের ঠাকুরগাঁও জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশের ৫৮তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।

বর্তমানে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থায়ী ক্যাম্পাস ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সীমিত পরিসরে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইসরাফিল বলেন, “আমরা অবশ্যই গুচ্ছ ভর্তিতে যুক্ত হতে চাই।”

‘গুচ্ছে যুক্ত হতেই হবে’ মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইনও জাতীয় সংসদে পাস হয় ২০২৩ সালে। এটি দেশের ৫৫তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম ছিল ‘মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়’। পরে ২০২৫ সালে নাম পরিবর্তন করে ‘মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়’ করা হয়।

মেহেরপুর জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হিসেবে ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন নিয়োগ পান। বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে।

উপাচার্য ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, “গুচ্ছে যুক্ত হতেই হবে। কারণ আমরা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়। যেহেতু কিছুটা সময় আছে, সে অনুযায়ী আবেদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াও চলমান। গতবার আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তাই এবার গুচ্ছে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও স্থান পরিদর্শনের কাজ চলছে। একাডেমিক কার্যক্রম চালুর জন্য ইউজিসি বিষয় অনুমোদনের প্রক্রিয়াও গ্রহণ করেছে।

শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। সেটির কাজ চলমান। সাবজেক্ট ও ক্লাস প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াও চলছে। এগুলোর অগ্রগতির পর আশা করি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করাতে পারব।”

গুচ্ছ ছাড়ার পথে যবিপ্রবি

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে দীর্ঘদিন ধরেই সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের তাগাদা দিয়ে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবারের মতো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। এরপর প্রতিবছরই কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে এ পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে প্রতিবারই কিছু বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছে।

সর্বশেষ ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে যবিপ্রবি গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে যেকোনো সময় ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হতে পারে।

এখনো চূড়ান্ত হয়নি গুচ্ছের সময়সূচি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া সামনে রেখে ইতোমধ্যে ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে গুচ্ছভুক্ত সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজন উপাচার্য জানিয়েছেন, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে শিগগিরই সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে থাকবে, ভর্তি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রমের দায়িত্ব নেবে—এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “এর আগে একটা মিটিং হয়েছে। সে মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সামনে আরও মিটিং আছে। সেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে কীভাবে পরীক্ষা হবে এবং কোন বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব নেবে।”

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আমাদের একটি মিটিং হবে। ওই মিটিংয়ের আগে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে থাকবে বা কবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা মিটিংয়ের পর বলতে পারব।”

একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিং নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গত বছরের ভর্তি কার্যক্রমের ক্লোজিং হয়েছে কিছুদিন হলো। এবার কোন বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে, সে সিদ্ধান্তও হয়নি।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এস্টাবলিশমেন্টের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব পালন করেছে, গতবার দায়িত্বে ছিল মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এবারও ধারাবাহিকভাবে সিরিয়াল অনুযায়ী দায়িত্ব যাবে।”

গতবার গুচ্ছে ছিল ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আওতায় ছিল ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন
×