নিষেধাজ্ঞা অমান্য: শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ব্যবহারে ফের কড়া নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নিয়ে আসা এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। সরকারি নির্দেশনা থাকলেও নোয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া ও ব্যবহার বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা নিষিদ্ধ করতে ফের কড়া নির্দেশ দিয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

 নোয়াখালী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। চিঠিটি নোয়াখালী সদর উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা এবং শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু ওই নির্দেশনা সত্ত্বেও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন নিয়ে আসছে এবং শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন।

এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো নিষিদ্ধ করা হলেও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন কোচিং কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা অমান্য করে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে দেওয়া যাবে না।

তাই শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো বন্ধসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগের গল্প রয়েছে: মাহদী আমিন

প্রতিটি শিক্ষার্থীর অর্জন ও সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের নির্ঘুম রাত, পরীক্ষার উদ্বেগ এবং নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এগিয়ে চলার এক অসামান্য ত্যাগের গল্প রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এ ছাড়া সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, আজকের অর্জিত সনদ তাদের আলোকিত ও সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করবে। তবে এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অতীত এবং বাবা-মায়ের দীর্ঘ ত্যাগের ইতিহাস। তাঁদের অবদান ও সংগ্রামের কথা সব সময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আইইউটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তাঁর বিশেষ ব্যক্তিগত অনুভূতি জড়িয়ে রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনের নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে আইইউটির গ্র্যাজুয়েটরা দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও পরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বহুবার আইইউটি ক্যাম্পাসে এসেছেন উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বেও শিক্ষা ও প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কিংবা রোবোটিক্স ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারলেও প্রযুক্তিকে কীভাবে পরিচালনা করা হবে, তা নির্ভর করে মানুষের সুবুদ্ধি, সততা ও মূল্যবোধের ওপর। তাই শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সমাজ, মানবজাতি এবং নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখার জন্য গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সিলিকন ভ্যালির বাইরেও আইইউটির গ্র্যাজুয়েটদের হাত ধরে প্রযুক্তির পরবর্তী যুগান্তকারী বিপ্লব সূচিত হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও মুসলিম বিশ্বের চ্যালেঞ্জ ও মূল্যবোধের মধ্যে মিল রয়েছে। জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে যৌথ স্বার্থে কাজে লাগিয়ে বিশ্বজুড়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবর্তনে মোট ৬৫৯ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হয়। এ ছাড়া কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন শিক্ষার্থীকে গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আহমেদ রানী অর্জন করেন ‘ওআইসি গোল্ড মেডেল’। অন্য ছয়জন শিক্ষার্থী পান ‘আইইউটি গোল্ড মেডেল’। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন তাঁদের হাতে মেডেল ও সনদপত্র তুলে দেন।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকলসহ বিভিন্ন ধরনের অসদুপায় অবলম্বন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শাস্তির অংশ হিসেবে কারও পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, আবার কাউকে এক থেকে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব এবং নকলের আলামত পর্যালোচনা করা হয়। অপরাধের ধরন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রেগুলেশন অনুযায়ী পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পরিদর্শক ও প্রধান পরীক্ষকদের পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে এসব শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র ও অন্যান্য আলামত যাচাই-বাছাই করে বিষয়গুলো পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়।

পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত ২৮৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১৬ জনের শুধু সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ৫৫ জনের পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি পরবর্তী এক বছর, ১৪ জনের পরবর্তী তিন বছর এবং তিনজনের পরবর্তী চার বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০১ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার

জাতি গঠনে শিক্ষকদের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এবার দেশের ১০১ জন গুণী শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দিতে যাচ্ছে সরকার। এর আগে এই সম্মাননা দেওয়া হতো মাত্র ১২ জন শিক্ষককে। এবার সেই সংখ্যা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ৫ অক্টোবর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।

সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে ২ লাখ টাকা, একটি ক্রেস্ট এবং সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা—সব পর্যায়ের শিক্ষক

এবারের সম্মাননায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা, সাধারণ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা, কৃষি এবং প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থান পেয়েছেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন পর্যায় থেকে মোট ১০১ জনকে সম্মাননা দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে—

  • প্রাথমিক শিক্ষা: ১০ জন

  • মাধ্যমিক শিক্ষা: ২০ জন

  • কলেজ: ২৫ জন

  • সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়: ২০ জন

  • চিকিৎসা শিক্ষা: ১০ জন

  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ৩ জন

  • প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়: ৩ জন

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়: ৪ জন

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত: ৬ জন

তবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি ইতোমধ্যে ৯৫ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে। যাচাই-বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিরূপ বা নেতিবাচক তথ্য পাওয়া গেলে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পর্যায়ে ১০ শিক্ষক

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত ১০ শিক্ষকের মধ্যে সাধারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে রয়েছেন ঢাকার সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, জামালপুরের ডি-বালিয়ামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজিবুল হাসান, চাঁদপুরের বিঞ্চদী আজিমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা, বগুড়ার আমলীতলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আয়েশা সিদ্দিকাসহ আটজন।

ইবতেদায়ি পর্যায় থেকে সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কামিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি জুনিয়র শিক্ষক মোছা. আকলিমা আক্তার এবং পটুয়াখালীর ওয়ায়েজিয়া কামিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি প্রধান মো. নুরে আলম।

মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ শিক্ষক

মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষা, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা—এই তিন শাখা থেকে মোট ২০ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়েছে।

সাধারণ বিদ্যালয় থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদপুরের কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর পাচজুনিয়া ধানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মু. কুতুব উদ্দিন তালুকদার, ঢাকার গভ. বয়েজ হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক এ.কে.এম মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. রশীদ আলম এবং চাঁদপুরের সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন।

দাখিল পর্যায় থেকে পাঁচজন এবং কারিগরি মাধ্যমিক পর্যায় থেকেও পাঁচজন শিক্ষক এই তালিকায় রয়েছেন।

কলেজ পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২৫ জন

এবারের সম্মাননায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন কলেজ পর্যায় থেকে। সাধারণ কলেজ, কারিগরি শিক্ষা ও মাদ্রাসা—তিন বিভাগ মিলিয়ে মোট ২৫ জন শিক্ষককে নির্বাচন করা হয়েছে।

সাধারণ কলেজ থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদপুরের সরকারি আইন উদ্দীন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ টিপু সুলতান, নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু তাহের খান, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ হোসেন, রাজশাহী কলেজের অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল ইসলাম, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যাপক ড. তৌহিদা জেসমিন শম্পা।

কারিগরি কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায় থেকেও পাঁচজন করে শিক্ষক সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে খ্যাতিমান শিক্ষকেরা

সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত ২০ জনের মধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক খ্যাতিমান শিক্ষক রয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রয়াত অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দীন খান।

এ তালিকায় রসায়ন, জীববিজ্ঞান, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স, আইনসহ বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষকেরাও রয়েছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. অরুণ কুমার বসাক, ড. মো. ইব্রাহীম হোসেন মন্ডল ও ড. মো. গোলাম ছাদিক; চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), ড. আ ন ম মুনির আহমেদ চৌধুরী ও ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং জাহাঙ্গীরনগর ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মাননা পাচ্ছেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. নোভা আহমেদ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান মল্লিক।

চিকিৎসা, কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষায়ও সম্মাননা

চিকিৎসা শিক্ষা থেকে মোট ১০ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ছাড়াও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক খ্যাতিমান চিকিৎসক-শিক্ষক এই তালিকায় রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হবে।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত তিনজন হলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. বাহানুর রহমান, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়া এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম।

প্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষাতেও থাকছে বিশেষ স্বীকৃতি। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের তালিকায় রাখা হয়েছে।

শিক্ষকদের অবদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

শিক্ষকরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না; তাঁরা একটি প্রজন্মের জ্ঞান, মূল্যবোধ ও চিন্তাভাবনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এই সম্মাননা আয়োজনকে শিক্ষাক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এবার ১২ জনের পরিবর্তে ১০১ জন শিক্ষককে সম্মাননার আওতায় আনার ফলে দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকরা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই দিতে প্রস্তুত এনসিটিবি

এনসিটিবি লোগো । গ্রাফিক্স- এডুকেশন বাংলা
এনসিটিবি লোগো । গ্রাফিক্স- এডুকেশন বাংলা

সব ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় কাজ করছে—বৃহস্পতিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে এনসিটিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্দিষ্ট সময়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানো এনসিটিবির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং চলছে।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই সময়মতো ছাপা ও বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে সংস্থাটি। বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবির নিজস্ব তদারকির পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠপর্যায়েও নজরদারি করছে। প্রেস মালিকদের সঙ্গেও চলছে নিয়মিত সমন্বয়।

সম্প্রতি এনসিটিবি অডিটোরিয়ামে বই মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। সেখানে মালিকরা মুদ্রণ ও সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করা কয়েকটি সমস্যা তুলে ধরেন এবং সেগুলো সমাধান করা হলে সময়মতো বই সরবরাহ আরও সহজ হবে বলে মত দেন।

এর পরপরই গত মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা ভার্চুয়ালি দেশের এক হাজারের বেশি বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিভাগ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

সভায় আগের মতবিনিময় সভায় আলোচিত সমস্যাগুলো মোকাবিলায় গৃহীত উদ্যোগ ও এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সরবরাহকৃত বইয়ের বিল দ্রুত পরিশোধ করা হবে বলে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকদের আশ্বস্ত করা হয়। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা জোরদার, স্থানীয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা এবং বই পাঠানোর সময় মাঠপর্যায় সঠিকভাবে অবহিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বই সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত স্থান বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকরাও শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে নির্ধারিত সময়ে দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এনসিটিবি।

মন্তব্য করুন

শিক্ষার্থীদের সুস্থতা বৃদ্ধিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি ও পিটি বাধ্যতামূলক: মাউশি

শিক্ষার্থীদের শারীরিক সুস্থতা, নৈতিকতা ও মূল্যবোধের বিকাশের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত অ্যাসেম্বলি (প্রাত্যহিক সমাবেশ) এবং পিটি (শারীরিক প্রশিক্ষণ) আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে বছরজুড়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সময়োপযোগী ক্রীড়া কার্যক্রম আয়োজন করতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অফিস আদেশে মাউশি জানিয়েছে, অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস শুরু হওয়ার আগে অবশ্যই নিয়মিত অ্যাসেম্বলি ও পিটি আয়োজন করতে হবে।

এছাড়াও, যেসব প্রতিষ্ঠানে ক্যান্টিন বা অন্য কোনো মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করা হয়, সেই খাবার অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এই বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে।

এই নির্দেশনাটি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (টিটিসি) এবং সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা অফিসে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরগুলোকেও এই বিষয়ে অবগত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বিজয়া দশমীতে ছাত্রদল নেতা তারিকের ভিন্নধর্মী কর্মসূচি

হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার শেষ দিন ‘বিজয়া দশমী’ উপলক্ষে ভিন্নধর্মী কর্মসূচির আয়োজন করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে তিনি ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ঐতিহ্যবাহী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদল নেতা তারিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট, আবাসিক শিক্ষক, হল সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ উপস্থিত সব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানের পক্ষে হাতের লেখা চিঠির মাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা ও গোলাপ ফুল প্রদান করেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় লেখা রয়েছে- ‘শারদীয় দুর্গোৎসব আমাদের সংস্কৃতির যৌথ আনন্দের উৎস। ধর্মের ভিন্নতা থাকলেও হৃদয়ের বন্ধনে আমরা এক। আসুন মুসলিম-হিন্দু মিলেই তৈরি করি সম্প্রীতির সেই রঙিন দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ।

 

এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। আমরা সেই আদর্শ ও নীতিতে বিশ্বাসী। তাই আমরা সবসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

তিনি বলেন, আজ দুর্গাপূজার শেষ দিন তথা বিজয়া দশমীতে ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া সত্বেও পূজামণ্ডপে গিয়ে আমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছি। এজন্য আমাদের সনাতনী ভাইবোনেরা আমাদেরকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাসেম প্রধান, রাকিব হোসেন, জুল হোসেন, সদস্য সাব্বির হোসেন, সূর্যসেন হল ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন ও তরিকুল ইসলাম তারেক, শেখ মুজিবুর রহমান হলের সদস্য তাহমিদ হুমায়ুন তানিম, ঢাবি ছাত্রদল কর্মী রুহুল আমিন, রাকিব হোসেনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য নূর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের ফজলে রাব্বি রাদ, মুজতবা তাহমিদ মুবিন, মো. নাজমুল হক, মো. তানভিরুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের মো. জুবায়ের হোসেন ও মো. ফাহাদ হোসেন, মহানগর পূর্বের মো. জাহিদ হাসান, মো. সোয়াইবুল ইসলাম রেম্পি, মুন্তাসির হাসনাত, মহানগর পশ্চিমের মো. মাহমুদুল হাসান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরাফাত হোসেন, ওসমান খান, ইউসুফ আহমেদ অপু, জামাল খান, আবদুল্লাহ আহমেদ তোফায়েল সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন
×