৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

Tags

৪৯তম-বিশেষ-বিসিএস শিক্ষা-ক্যাডার-নিয়োগ ৪৯তম-বিসিএস-ফলাফল ৪৯তম-বিসিএস-ভাইভা লিখিত-পরীক্ষার-ফল-প্রকাশ বিসিএস-মৌখিক-পরীক্ষার-তারিখ পিএসসি-নিয়োগ কলেজ-শিক্ষক-নিয়োগ।
মন্তব্য করুন

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন, উঠছে বৈষম্যের প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পাশাপাশি বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা নিজেদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

গত ২৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সোমবার (৩১ আগস্ট) সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি অনুমোদন পেতে পারে বলে আলোচনা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় এটি সিন্ডিকেটে আলাদাভাবে অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী সোমবার রাতে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটাই চূড়ান্ত। এটা সিন্ডিকেটে আর আলাদা করে পাস হওয়ার দরকার নেই।’

কেন আলাদা প্রশ্নপত্র

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের পেছনে মূলত দুটি যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের মতে, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়। এতে দেশের মেধাপাচার বা ‘ব্রেইন ড্রেন’ বাড়ছে।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাদের একটি অংশ দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

এর আগে গত ২ আগস্ট নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় বিজ্ঞান ইউনিটের ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বৈষম্যের আশঙ্কা শিক্ষকদের

তবে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের আশঙ্কা, আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে মনে করছেন, যদি ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা প্রশ্নের দাবি উঠতে পারে। তাদের মতে, ভর্তি পরীক্ষায় সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের কাঠামো এমন হওয়া উচিত, যাতে ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারেন।

আলাদা প্রশ্নে বাড়বে চ্যালেঞ্জ: অধ্যাপক মজিবুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলাদা প্রশ্ন করলে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে সামনে। ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী খারাপ করলে অভিযোগ আসবে, আলাদা প্রশ্ন করাতে খারাপ করছে। বাংলা মিডিয়ামের জন্য প্রশ্ন সহজ হয়েছে। কিংবা উল্টোটা হবে—ইংলিশ মিডিয়ামের প্রশ্ন সহজ হয়েছে, এ কারণে তারা বেশি চান্স পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার এবং চাকরিতে প্রবেশাধিকার—বর্তমান প্রজন্মের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাকরিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে দেশজুড়ে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দূরদর্শী নয়।’

অধ্যাপক মজিবুর রহমানের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় দেশের সব অনুমোদিত শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ থাকা উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নটাও বদলাতে হবে। প্রশ্নটা করতে হবে এমন, যাতে সবার সমান সুযোগ থাকে। আমাদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা কিংবা যেগুলো সরকার অনুমোদিত, আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। কারও প্রতি বৈষম্য না হোক।’

তার ভাষ্য, আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বৈষম্য কমানোর বদলে আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কাও তৈরি করতে পারে।

ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে আগে থেকেই আলাদা ব্যবস্থা

ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এবার বিজ্ঞান ইউনিটেও একই ধরনের পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে বাংলা মাধ্যমের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা এবং নির্ধারিত দুটি বিষয়ের একটিসহ এমসিকিউ ও লিখিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি এবং গণিত, পরিসংখ্যান বা অর্থনীতির নির্ধারিত বিষয়ের সমন্বয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

ইংরেজি মাধ্যমের এ-লেভেল ও সমমানের শিক্ষার্থীদের জন্য আবার English, Advanced English এবং ব্যবসায় শিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতি বা গণিতের নির্ধারিত বিষয় নিয়ে পৃথক কাঠামোয় ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এখন বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের কারিকুলাম অনুযায়ী একই ধরনের পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছে প্রশাসন

সিদ্ধান্তের ফলে বৈষম্য তৈরি হবে কি না—এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অন্তত সাত-আটটি মিটিং হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’

ফলে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিজ্ঞান ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্রের ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের পর ভর্তি পরীক্ষায় সমতা ও সুযোগের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হয়, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মন্তব্য করুন

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, থাকছে না প্রাথমিক বাছাই

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এবারও প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছাড়াই শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। আগামী বছরের ১৬ জানুয়ারি এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়েছিল। এবারও একই পদ্ধতিতে প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছাড়াই কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

তবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন কবে শুরু হবে, আবেদনের যোগ্যতা, আবেদন ফি এবং লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত পদ্ধতি সম্পর্কে সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানিয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

মন্তব্য করুন

পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। জগন্নাথ, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে। আর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি উপকমিটি, একাডেমিক কাউন্সিল ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ২৫ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (২ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘আইবিএ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ৫ ডিসেম্বর। ‘বিজ্ঞান’ ইউনিটের পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর, ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান’ ইউনিটের ১৯ ডিসেম্বর, ‘চারুকলা’ ইউনিটের ২২ ডিসেম্বর এবং ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৬ ডিসেম্বর।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন চলবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

রবিবার (৯ আগস্ট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের ৮০তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সময়সূচি অনুযায়ী, বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ১ জানুয়ারি। চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা ৮ জানুয়ারি, কলা ও আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ১৫ জানুয়ারি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ২২ জানুয়ারি এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৩ জানুয়ারি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ‘বি’ ইউনিট দিয়ে শুরু করার সুপারিশ করেছে ভর্তি উপকমিটি। রবিবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভর্তি উপকমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামরুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের (বাণিজ্য), ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট—এই সাত শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ জানুয়ারি ২০২৭। পরীক্ষা শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

রবিবার (২৩ আগস্ট) অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৯ জানুয়ারি, ‘এ’ ইউনিটের ৩০ জানুয়ারি, ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ৩ ফেব্রুয়ারি, ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি, ‘বি’ ইউনিটের ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘ডি’ ইউনিটের ৬ ফেব্রুয়ারি এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৮ ফেব্রুয়ারি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ ইউনিটের আওতায় কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, শিক্ষা এবং চারুকলা স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে। ‘ডি’ ইউনিটের আওতায় রয়েছে ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো।

পরদিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা। ‘এ’ ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিসিপ্লিন এবং ‘বি’ ইউনিটের আওতায় জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিসিপ্লিনগুলো রয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও অন্যান্য নির্দেশনা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য করুন

ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কবে

এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পরীক্ষা হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে।

এদিকে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ও আবেদনের তথ্য তুলে ধরা হলো—

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১২ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর ‘বি’ ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এমআইএসটি

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিট এবং ১৯ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) পরীক্ষা হবে।

প্রাথমিক আবেদন চলবে ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ—এই সাতটি বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জানুয়ারি ‘ই’ ইউনিট, ১৫ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ২২ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ২৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

ভর্তির আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

কুয়েট

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭।

খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন বিভাগীয় শহরে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

রুয়েট

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭।

ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির সভাপতি ও রুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. কামরুজ্জামান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি। ওই দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩০ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ‘বি১’ ইউনিট, ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বি২’ ইউনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডি’ ইউনিট এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ইউনিটের পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নেওয়া হবে।

চবিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

শাবিপ্রবি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি।

মেডিকেল ও ডেন্টাল

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ভর্তিচ্ছুদের প্রতি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

কুবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৫ ফেব্রুয়ারি, শেষ ৭ ফেব্রুয়ারি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে তিন ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি’ ইউনিটের (কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদ) পরীক্ষা হবে ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায়। আর ‘সি’ ইউনিটের (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায়।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও রাজশাহী শহরেও ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র রাখা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের আবেদন বাড়ল ১ অক্টোবর পর্যন্ত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদনের সময় আরও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ভর্তির আবেদন করা যাবে আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মুনসী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা সময় বাড়াচ্ছি। মন্ত্রী মহোদয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বৈঠকে আজ সকালে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সময় বাড়ানোর নোটিশ ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে।’

এর আগে দ্বিতীয় ধাপে একাদশে ভর্তির আবেদন ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর করার সুযোগ রাখা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই সময়সীমা ১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

কেন বাড়ানো হলো সময়

সময় বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক মুনসী হুমায়ুন কবির বলেন, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এখনো ভর্তি কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রায় তিন লাখের কাছাকাছি, তারও বেশি—সাড়ে লাখের কাছাকাছি শিক্ষার্থী এই সিস্টেমের বাইরে আছে। কেউ প্রথম ধাপে আবেদন করেনি, কেউ আবেদন করে নিশ্চায়ন করেও ভর্তি হয়নি। এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে রেখে আমরা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারি না। সে কারণেই সময় বাড়ানো হয়েছে।’

কারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আগে আবেদন করেনি অথবা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে।

এ ছাড়া চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে পারেনি—এমন শিক্ষার্থীরাও দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবে।

ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও যারা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারাও এ ধাপে আবেদন করতে পারবে।

দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দিতে হবে। তবে কলেজে বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে পছন্দক্রম নির্ধারণ করতে হবে।

এরপর যেসব তারিখ গুরুত্বপূর্ণ

দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের পর ১ থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচন নিশ্চায়নের সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ অক্টোবর রাত ৮টায়। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর।

আবেদন ফি নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা

প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি—এমন শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের জন্য ২২০ টাকা অনলাইন আবেদন ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ সিলেকশন অথবা এডিট সম্পন্ন করতে হবে।

এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করার সময় কোটার যোগ্যতা যাচাই করে সঠিকভাবে কোটা নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনুরোধ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×