এক সপ্তাহের মধ্যে নবম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি চাকরিপ্রত্যাশীদের

নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে এক সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পৃথকভাবে আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘৯ম শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশী বাংলাদেশ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে নতুন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়ায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষিত বেকার ও চাকরিপ্রত্যাশী অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। নিয়মিত পরীক্ষা না হওয়ায় তাঁদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে এবং বয়স বেড়ে যাওয়ায় অনেকের চাকরিতে প্রবেশের সুযোগও সংকুচিত হচ্ছে।

তাঁরা আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে চাকরিপ্রত্যাশীদের পাশাপাশি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

মানববন্ধনে এক প্রার্থী বলেন, করোনাসহ নানা কারণে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একের পর এক সংকট ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতায় অনেকের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়েছে এবং চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ সীমিত হয়ে এসেছে। এই ক্ষতি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তাঁরা হারানো সময় ও সুযোগের ক্ষতিপূরণ চান। এ জন্য দ্রুত নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করার দাবি জানান তিনি।

বক্তারা বলেন, শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যাশীদের ভবিষ্যৎ ও দেশের শিক্ষাব্যবস্থার স্বার্থে অক্টোবর মাসের মধ্যেই ১৯তম বা নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি পরীক্ষার পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

মানববন্ধন থেকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দাবি জানিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীরা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আলাদাভাবে আয়োজনের দাবিও জানান তাঁরা।

মন্তব্য করুন

শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের ত্যাগের গল্প রয়েছে: মাহদী আমিন

প্রতিটি শিক্ষার্থীর অর্জন ও সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের নির্ঘুম রাত, পরীক্ষার উদ্বেগ এবং নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এগিয়ে চলার এক অসামান্য ত্যাগের গল্প রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এ ছাড়া সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, আজকের অর্জিত সনদ তাদের আলোকিত ও সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার গঠনে সহায়তা করবে। তবে এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অতীত এবং বাবা-মায়ের দীর্ঘ ত্যাগের ইতিহাস। তাঁদের অবদান ও সংগ্রামের কথা সব সময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আইইউটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তাঁর বিশেষ ব্যক্তিগত অনুভূতি জড়িয়ে রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনের নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসেবে আইইউটির গ্র্যাজুয়েটরা দেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও পরিচয় বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বহুবার আইইউটি ক্যাম্পাসে এসেছেন উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বেও শিক্ষা ও প্রযুক্তির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কিংবা রোবোটিক্স ডেটা বিশ্লেষণ করতে পারলেও প্রযুক্তিকে কীভাবে পরিচালনা করা হবে, তা নির্ভর করে মানুষের সুবুদ্ধি, সততা ও মূল্যবোধের ওপর। তাই শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সমাজ, মানবজাতি এবং নারী ও তরুণদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখার জন্য গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সিলিকন ভ্যালির বাইরেও আইইউটির গ্র্যাজুয়েটদের হাত ধরে প্রযুক্তির পরবর্তী যুগান্তকারী বিপ্লব সূচিত হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও মুসলিম বিশ্বের চ্যালেঞ্জ ও মূল্যবোধের মধ্যে মিল রয়েছে। জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে যৌথ স্বার্থে কাজে লাগিয়ে বিশ্বজুড়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবর্তনে মোট ৬৫৯ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হয়। এ ছাড়া কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন শিক্ষার্থীকে গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আহমেদ রানী অর্জন করেন ‘ওআইসি গোল্ড মেডেল’। অন্য ছয়জন শিক্ষার্থী পান ‘আইইউটি গোল্ড মেডেল’। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন তাঁদের হাতে মেডেল ও সনদপত্র তুলে দেন।

মন্তব্য করুন

নিজ জেলায় নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক বদলির আওতায় থাকবেন না: স্বয়ংক্রিয় বদলির উদ্যোগ হাতে নেওয়া হচ্ছে

শিক্ষামন্ত্রণালয়
শিক্ষামন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই সকল শিক্ষক যারা নিজ জেলায় নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের বদলির আওতায় না আনার প্রস্তাব এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধিকাংশ কর্মকর্তা এ প্রস্তাবের পক্ষে ইতিবাচক মত দিয়েছেন। ফলে নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার মাউশিতে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এই প্রস্তাবটি আলোচিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) মো. মিজানুর রহমান, মাউমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাইয়েদ এ. জেড. মোরশেদ আলী, মাউশির উপ-পরিচালক মো. ইউনুছ ফারুকী, সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম মোসলেম উদ্দিন, এবং টেলিটক ও ইএমআইএস সেলের কর্মকর্তারা।

কর্মশালার আলোচনায় বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। কর্মশালায় উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, যারা নিজ জেলা থেকে বহু কিলোমিটার দূরে চাকরি করছেন, তাদের বদলি বেশি জরুরি। এছাড়া, এমপি বা মন্ত্রীর সুপারিশের কারণে অনিয়মের সম্ভাবনা থাকায় নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্তদের বদলির সুযোগ না দেওয়ার জন্য সবাই একমত হয়েছেন। শিগগিরই চূড়ান্ত বদলি নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।

এক কর্মকর্তা বলেন, “কর্মশালায় টেলিটকের মাধ্যমে বদলি সফটওয়্যার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যার তৈরিতে কী ধরনের সহযোগিতা দরকার তা লিখিতভাবে জানানো হবে এবং সফটওয়্যারটি কীভাবে কাজ করবে, সেটিও নির্ধারণ করা হবে।”

জানা গেছে, এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে থাকায় শিক্ষাপেশার উন্নয়নে বাধা তৈরি হয়। তাই সরকার স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বদলির সুযোগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সফটওয়্যারের জটিলতার কারণে আগে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবারও আদালতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা বদলির দাবিতে রিট করলে কার্যক্রম স্থবির হয়েছিল।

কর্মশালার পর জানা গেছে, এবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষকদের বদলির সুযোগ বাস্তবায়িত হবে এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বদলি শিগগিরই শুরু হবে।

মন্তব্য করুন

উপজেলা নয়, ইউনিয়ন বা ক্লাস্টারভিত্তিক লটারিতে শিক্ষক পদায়নের দাবি

উপজেলাভিত্তিক নয়, ইউনিয়ন বা ক্লাস্টারভিত্তিক লটারির মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের দাবি জানিয়েছেন ২০২৫ ব্যাচের প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষক। একই সঙ্গে পদায়ন প্রক্রিয়া সবার সামনে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান শিক্ষকরা। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া দাবিতে তারা বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন তারা। বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় লটারির মাধ্যমে বিদ্যালয় নির্ধারণ করে পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় উপজেলাভিত্তিক লটারির মাধ্যমে পদায়ন দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

শিক্ষকদের দাবি, উপজেলাভিত্তিক লটারির ফলে একই উপজেলার একজন শিক্ষককে নিজ বাড়ি থেকে অনেক দূরের কোনো বিদ্যালয়ে পদায়ন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। এতে যাতায়াতের সমস্যা, অতিরিক্ত সময় ও ব্যয় এবং বিশেষ করে নারী শিক্ষকদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে। পাশাপাশি দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষকদেরও নানা বাস্তব জটিলতার মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকতা পেশায় আসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো নিজের এলাকার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়া। বিশেষ করে নারী, বিবাহিত ও দুর্গম এলাকার প্রার্থীদের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পদায়ন ব্যবস্থাকে আরও মানবিক ও কার্যকর করা প্রয়োজন।

শিক্ষকদের দাবি, একটি উপজেলার সব বিদ্যালয়কে একত্রে বিবেচনা না করে ইউনিয়ন বা ক্লাস্টারভিত্তিক লটারির মাধ্যমে পদায়ন দেওয়া হোক। এতে শিক্ষকরা তুলনামূলকভাবে নিজ এলাকার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন বলে মনে করেন তারা।

এ ছাড়া লটারি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। কোন বিদ্যালয়ে কতটি শূন্যপদ রয়েছে, লটারি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় শিক্ষক নির্বাচন করা হচ্ছে—এসব বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।

লটারি প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। সম্ভব হলে শিক্ষক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সবার সামনে লটারি সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা, যাতে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো ধরনের সংশয় বা প্রশ্নের সুযোগ না থাকে।

দুর্গম, হাওর, চর ও প্রত্যন্ত এলাকার বাস্তবতাকে পদায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়ে শিক্ষকরা বলেন, নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জসহ হাওর ও দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষক এবং যাতায়াত-সুবিধাবঞ্চিত এলাকার বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

নারী শিক্ষকদের জন্য নিরাপদ ও বাস্তবসম্মত পদায়ন নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা। দূরবর্তী বিদ্যালয়ে প্রতিদিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে নারী শিক্ষকদের অতিরিক্ত যেসব বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, সেগুলো পদায়ন নীতিতে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বলেন, ‘আমরা কোনো অনিয়ম বা ব্যক্তিগত সুবিধা দাবি করছি না; আমরা একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য, মানবিক ও বাস্তবসম্মত পদায়ন ব্যবস্থা চাই।’

তাদের জোর দাবি, ‘উপজেলাভিত্তিক নয়, ইউনিয়ন বা ক্লাস্টারভিত্তিক লটারির মাধ্যমে পদায়ন দিতে হবে। লটারি হতে হবে সবার সামনে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে।’

নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বাস্তবতা ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক-২০২৫ ব্যাচের শিক্ষকরা।

মন্তব্য করুন

‘হতাশা ছিল বলেই পড়াশোনা করেছি, হতাশাকে নেগেটিভলি দেখি না’

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিক্ষার্থীরা। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ডিসেম্বর থেকে। এ সময়ে ভর্তিচ্ছুদের প্রস্তুতি ও কৌশল নিয়ে জানার আগ্রহও বাড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় নিজের সাফল্য, প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা ও ভর্তিচ্ছুদের জন্য পরামর্শ নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের মুখোমুখি হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুল আদন নুসরাত। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের (বি ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় তিনি ১২১তম স্থান অর্জন করেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগেও ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে পছন্দের বিষয় ইংরেজি বিভাগ হওয়ায় তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেন।

তার সঙ্গে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল নাঈম।

ভর্তি পরীক্ষায় আপনার সাফল্যের খবর পাওয়ার মুহূর্তটি কেমন ছিল?

বেশ ভালো লেগেছিল। কারণ আমার ইচ্ছে ছিল ইংরেজি সাহিত্যে পড়ার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু পছন্দের বিষয় ইংরেজি পাইনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয় পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি হয়েছিলাম।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি কতদিন আগে থেকে শুরু করেছিলেন এবং কীভাবে পরিকল্পনা করেছিলেন?

গুছিয়ে পড়াটা কম হয়েছে বলা যায়। আসলে সেভাবে কোনো পরিকল্পনা ছিল না। মেডিকেল অ্যাডমিশন টেস্টের পর বন্ধুদের অনেকের চান্স হয়ে যায়। তখন যখন মনে হলো, আমাকে সার্ভাইভ করতে হবে, এরপর থেকে রাতদিন টানা পড়েছি।

আমার দরকার ছিল একটা সিট। ঠিক করেছিলাম, ইংলিশে যদি একশটা সিট থাকে, একটা আমার। আবার যদি দশটা সিটও থাকে, একটা যেকোনো মূল্যে আমারই।

প্রতিদিন গড়ে কত ঘণ্টা পড়াশোনা করতেন? আপনার পড়ার রুটিনটা কেমন ছিল?

শুরু থেকে বি ইউনিটের জন্য পড়িনি, তাই পরে আমার পড়ার চাপ একটু বেশি ছিল বলা যায়। যখন থেকে সিরিয়াস হয়েছি, বেসিক কাজকর্ম বাদ দিয়ে পুরোটা সময় পড়েছি। কোনো নির্দিষ্ট রুটিন ছিল না।

তিনটায় ঘুম ভাঙলেও তাহাজ্জুদ পড়ে পড়া শুরু করেছি। দুপুরেও পড়েছি। মোটকথা, যখন সুযোগ পেয়েছি তখনই পড়েছি।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় কোন বিষয়টি আপনার কাছে সবচেয়ে কঠিন মনে হয়েছে? সেটি কীভাবে মোকাবিলা করেছেন?

সাধারণ জ্ঞান (জিকে) কঠিন মনে হয়েছে। এজন্য আমি সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছি জিকে অংশে। বারবার পড়তাম, ভুলে যেতাম, আবার পড়তাম। মনে হতো, যেন আমি পড়ছি ভুলে যাওয়ার জন্যই।

আপনার প্রস্তুতিতে কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি কাজে দিয়েছে?

সেভাবে কোচিং করা হয়নি। তবে নিজেকে যাচাই করার জন্য কোচিংয়ের মডেল টেস্ট গুরুত্বপূর্ণ। শুরুতে ব্যাখ্যাসহ বিসিএস প্রশ্নব্যাংক সমাধান করেছি। এরপর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নব্যাংক সমাধান করেছি। এতে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ভালো ধারণা হয়েছিল।

এরপর টপিকভিত্তিক পড়েছি। আগে থেকেই প্রশ্নব্যাংক সমাধান করায় বুঝতে পেরেছি কোন টপিক থেকে কেমন প্রশ্ন হয় এবং কোথায় কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নে কোন ধরনের অংশে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?

আমি জিকে-তে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ এটি পুরোপুরি মুখস্থনির্ভর একটি অংশ। ইংরেজি আমার জন্য প্লাস পয়েন্ট ছিল, কারণ শব্দভান্ডার ও গ্রামারে ভালো দখল ছিল। কিন্তু যখন জিকে অংশে যেতাম, তখন কিছুটা হতাশ হয়ে যেতাম। এ কারণে জিকে বেশি বেশি পড়তাম।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সও পড়েছি।

পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা ও প্রশ্ন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনার কৌশল কী ছিল?

প্রথমে পুরো প্রশ্ন পড়ে গেছি। এক পলক দেখেই উত্তর করা যায়—এমন প্রশ্নগুলো আগে শেষ করেছি। যেগুলোর উত্তর সঙ্গে সঙ্গে করতে পারিনি, সেগুলোর পাশে পেন্সিল দিয়ে হালকা ডট দিয়েছি।

এরপর ডট দেওয়া প্রশ্নগুলো আবার পড়েছি এবং উত্তর করার চেষ্টা করেছি। যেগুলোর উত্তর করেছি, সেগুলোর ডট ইরেজার দিয়ে মুছে দিয়েছি। তৃতীয়বার সময় নিয়ে বাকি প্রশ্নগুলো চিন্তা করে উত্তর করেছি।

প্রস্তুতির সময় কখনো হতাশা বা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল? হলে কীভাবে নিজেকে সামলে নিয়েছেন?

পুরোটা সময়ই হতাশ ছিলাম। প্রায়ই কান্নাকাটি করতাম। তবে হতাশা ছিল বলেই আমি পড়াশোনা করেছি। তাই হতাশাকে আমি নেগেটিভভাবে দেখি না।

আপনার সাফল্যের পেছনে পরিবার, শিক্ষক বা বন্ধুদের ভূমিকা কতটা ছিল?

আব্বু-আম্মু নিয়মিত দোয়া করতেন। আম্মু কাউকে জোরে শব্দ করতে দিতেন না, যাতে আমার মনোযোগ নষ্ট না হয়। শিক্ষকদের কাছেও আমি কৃতজ্ঞ।

তবে ওই সময়টাতে বন্ধুদের সঙ্গে খুব বেশি কথা হয়নি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগকে পছন্দ করার বিশেষ কারণ কী?

আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে সাবজেক্টকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান এসেছিল ডি ইউনিট থেকে। সেখানে ইংরেজি পাইনি। তাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে চলে আসি।

বিভাগ পছন্দ করার কারণ ছিল—আমার উপন্যাস, কবিতা ও ছোটগল্প পড়তে ভালো লাগত। আউটবুক হিসেবে যেগুলো ভালো লাগে, সেগুলো একাডেমিক বই হিসেবে পড়তে আরও ভালো লাগবে—এমনটাই মনে হয়েছিল।

ভবিষ্যতে যারা ভর্তি পরীক্ষা দেবে, তাদের জন্য

মন্তব্য করুন

নবম পে-স্কেলে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরাও, প্রজ্ঞাপনের আগে পেরোতে হবে ৪ ধাপ

সরকারি চাকরিজীবীদের মতো নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় আসছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও। তবে তাদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আর এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে চারটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করার সময়ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য একই প্রক্রিয়ায় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। ওই সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন যুগ্মসচিব মো. মজিবুর রহমান এতে স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ১ জুলাই ২০১৫ থেকে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর নির্ধারিত নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন ও ভাতা পাবেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫-এর তফসিল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের প্রাপ্য বকেয়া বেতন যথাযথভাবে পরিশোধ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আদেশটি ১ জুলাই ২০১৫ থেকে কার্যকর করা হয় এবং তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় পরিচালক (শিক্ষা), জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এ নির্দেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অষ্টম পে-স্কেলের সময়ের মতো এবারও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপন প্রয়োজন হবে। এজন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ার চারটি ধাপ শেষ হওয়ার পর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মন্তব্য করুন

নিষেধাজ্ঞা অমান্য: শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ব্যবহারে ফের কড়া নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নিয়ে আসা এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। সরকারি নির্দেশনা থাকলেও নোয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া ও ব্যবহার বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা নিষিদ্ধ করতে ফের কড়া নির্দেশ দিয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

 নোয়াখালী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। চিঠিটি নোয়াখালী সদর উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা এবং শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু ওই নির্দেশনা সত্ত্বেও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন নিয়ে আসছে এবং শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন।

এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো নিষিদ্ধ করা হলেও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন কোচিং কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা অমান্য করে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে দেওয়া যাবে না।

তাই শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো বন্ধসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×