ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, থাকছে উদযাপনের নির্দেশনা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশের সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। তবে ছুটির দিন হলেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে। পাশাপাশি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম এবং ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করতে হবে।

এ ছাড়া দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কুইজ প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু হবে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্ম।

সরকারের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় এ ছুটির আওতায় থাকবে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার কার্যবিবরণীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের ছুটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক দিনের সাধারণ ছুটি রয়েছে। এ ছুটি সরকারি ও আধা-সরকারি অফিসের পাশাপাশি সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানেও প্রযোজ্য।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১৫ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাস শুরু হয়েছে। সেই হিসাবে ১২ রবিউল আউয়াল পড়েছে ২৬ আগস্ট।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায়ও ২৬ আগস্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। ফলে এদিন ব্যাংকের সাধারণ লেনদেন বন্ধ থাকবে। তবে এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং কার্ডভিত্তিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।

মন্তব্য করুন

মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ: সাক্ষাৎকার রবিবার; আলোচনায় যারা

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার  রবিবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে। প্রথম দিন বিকেলে ছয়জন কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র শনিবার (২৫ অক্টোবর)  এ তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, রবিবার বিকেল ৩টার পর সাক্ষাৎকার গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

জানা গেছে, মাউশির ডিজি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে শিক্ষা ক্যাডারের ১৪ এবং ১৬ ব্যাচের মোট ৬৩ জন কর্মকর্তা তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তাদের সবাইকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হবে।

ডিজি পদে আলোচনায় যারা:

মাউশির ডিজি পদে নিয়োগ পেতে জোর তদবির করছেন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:

  • ড. খন্দকার এহসানুল কবির: তিনি বর্তমানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়োগ সুপারিশ পেতে তিনি বিএনপির হাইকমান্ডের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলে জানা যায়। বিএনপিপন্থী রাজনীতিতে সক্রিয় এ অধ্যাপক বোর্ড চেয়ারম্যান হওয়ার আগে যশোরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।

  • কাজী মো. আবু কাইয়ুম শিশির: মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভাল্যুয়েশন উইংয়ের পরিচালক হিসেবে কর্মরত এই অধ্যাপকও ডিজির চেয়ার পেতে জোর তদবির চালাচ্ছেন। জানা যায়, তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের একজন মন্ত্রীর এপিএস, পরে পিএস হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

  • অধ্যাপক বি এম আব্দুল হান্নান: মাউশির কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক হিসেবে কর্মরত এই কর্মকর্তা বর্তমানে মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ১৪তম বিসিএসের এ কর্মকর্তা মাউশিতে পদায়নের পূর্বে গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।

  • ড. এ কিউ এম শফিউল আজম ও মো. সাঈদুর রহমান: মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইংয়ের পরিচালক ড. এ কিউ এম শফিউল আজম এবং প্রশিক্ষণ শাখার পরিচালক মো. সাঈদুর রহমানও ডিজির পদ পেতে চেষ্টা করছেন। তবে আগামী ডিসেম্বর মাসেই তাদের দুজনের চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মাউশির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই দুই কর্মকর্তা আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী এবং বিগত সরকারের আমলে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

  • ড. ছদরুদ্দীন আহমদ ও অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়: রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ দুই কলেজ—সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ ড. ছদরুদ্দীন আহমদ এবং সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়ও ডিজির পদের জন্য তদবির চালাচ্ছেন।

  • অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল: ১৬তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা বর্তমানে মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে  শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তিতে শেষ ধাপের ফল প্রকাশ

চলতি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতে সবশেষ ধাপে অনলাইন আবেদনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার পর ভর্তি-সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. রিজাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, এটা শেষ ধাপ। এরপর আর অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে না। এ ধাপের ফলাফল শিক্ষার্থীদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো শুরু হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে ফল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে।

একাদশে ভর্তির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা ফলাফল দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে নিজের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে

মন্তব্য করুন

এমপিও শিক্ষকদের বদলিতে আবেদন , জটিলতা সমাধানে সভা

 

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে সাড়া পড়েছে। ইতোমধ্যে ৯ হাজার ৮৫৮ জন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করেছেন। আগামী ২৭ আগস্ট আবেদন করার সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে বদলি আবেদনে নানা ধরনের জটিলতার অভিযোগও করছেন শিক্ষকরা। এসব সমস্যা সমাধানে আগামী বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও সফটওয়্যার নির্মাণকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে মাউশির একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৯ হাজার ৮৫৮ জন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

এদিকে বদলি আবেদন করতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতায় পড়ছেন অনেক শিক্ষক। অভিযোগ রয়েছে, কারও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে না, আবার কেউ কেউ সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব সমস্যার সমাধান চেয়ে প্রতিদিনই মাউশিতে ভিড় করছেন বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষকরা।

মাউশির একটি সূত্র জানায়, আবেদন করতে না পারা শিক্ষকদের অধিকাংশই একই ধরনের সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। সমস্যাগুলো তাদের নিজেদের কোনো ভুলের কারণে হচ্ছে না বলেও দাবি করছেন তারা। বিষয়টি মাউশির পক্ষ থেকে টেলিটককে জানানো হয়েছে। পরে সফটওয়্যার নির্মাণকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মাউশির ওই কর্মকর্তা জানান, ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের আসিফ নামের একজন কর্মকর্তা আগামী বৃহস্পতিবার মাউশিতে আসবেন। সকাল ১১টায় তার সঙ্গে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে শিক্ষকদের বদলি আবেদনের ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলো তুলে ধরা হবে। সমস্যাগুলো সমাধানযোগ্য হলে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময়সীমা আগামী ২৭ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে আবেদনে কারিগরি জটিলতা দূর করা গেলে আরও শিক্ষক আবেদন করার সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

মন্তব্য করুন

পূজা উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জবি

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি)। ফলে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম, প্রবারণা পূর্ণিমা ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। তবে ৭ অক্টোবর থেকে যথারীতি ক্লাস চালু থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

মেয়েদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়েও আলোচনা হয়। ওই কর্মসূচির ফলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিয়ে নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল বলে বৈঠকে তুলে ধরা হয়

এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর প্রত্যাশিত সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়

অন্যদিকে, ছেলেদের শিক্ষায় আরও উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে

পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাবারে গুরুত্ব

বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পর্যায়ে মিড-ডে মিল কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা, খাবারের পুষ্টিমান এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়

প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা খাবার যেন পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত হয়, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন। কোনোভাবেই খাবারের মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না বলেও তিনি নির্দেশনা দেন

মিড-ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়

উভয় পদ্ধতির কার্যকারিতা, বাস্তবায়নযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ফলাফল যাচাই করতে পৃথক দুটি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে কার্যকর পদ্ধতি গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

 

মন্তব্য করুন
×