ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্মূল্যায়নের ইঙ্গিত ছাত্রদল প্রার্থীর

আবিদুল ইসলাম খান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে পরাজিত সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, নির্বাচনের সময় ছাত্রদল রাষ্ট্রের স্বার্থে ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “ভোটার ও প্রার্থীদের অভিযোগের যথাযথ জবাবদিহি করতে যদি প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তবে ডাকসু নির্বাচন পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থেকেই যায়।

” শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে “মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন” বিষয়ে আয়োজিত তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তা শীর্ষক সংলাপের তৃতীয় অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আবিদ জানান, খুব শিগগিরই ছাত্রদলের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানানো হবে। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচন নিয়ে এখনও আলোচনা হয়।

এবারকার নির্বাচনও সদ্য শেষ হয়েছে, যেখানে নানা অভিযোগ উঠেছে। যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগের জবাবদিহি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের দাবি উঠতে পারে। তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর আমরা পূর্বের মতো সংঘাতের পথে হাঁটিনি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করিনি। ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি। নতুন বাংলাদেশের নতুন ছাত্ররাজনীতির প্রচলনে ভূমিকা রাখতে চেয়েছি। ভোটে নানা অনিয়মের ফাঁদ পাতা হয়েছিল, সেখানে আমাকে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে।” ভিপি পদে হারের বিষয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, “এটিকে আমরা সরলভাবে পরাজয় বলতে চাই না। এর মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অদৃশ্য রাজনৈতিক শক্তি প্রভাব বিস্তার করছে।”

উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হন সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হন ফরহাদ হোসেন। তারা দুজনই ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন। ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবনে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের খাতা পুনর্মূল্যায়ন শুরু হচ্ছে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) অথবা আগামীকাল শুক্রবার থেকে এ আবেদন শুরু হতে পারে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আজই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের ফল পুনর্মূল্যায়নের আবেদন এক-দুই দিনের মধ্যেই শুরু হবে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করে তাদের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন।

যেভাবে আবেদন ও ফি জমা দিতে হবে

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রথমে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন শেষে সিস্টেম থেকে পে-স্লিপ ডাউনলোড করে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।

পে-স্লিপের মাধ্যমে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংকের শাখায় গিয়ে ফি পরিশোধ করা যাবে। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের Online Payment Gateway ব্যবহার করেও ফি জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

অনলাইনে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে নগদ, বিকাশ, রকেটসহ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া AMERICAN EXPRESS, VISA, DBBL, NEXUS ও MASTER CARD-এর মাধ্যমেও ফি দেওয়া যাবে। সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টধারীরা অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমেও ফি পরিশোধ করতে পারবেন।

ফি পরিশোধের সঙ্গে সঙ্গেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে।

সময়সীমা মেনে আবেদন করতে হবে

বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে না। একইভাবে নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে পে-স্লিপ ডাউনলোড কিংবা ফি জমা দেওয়াও গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাংকের প্রচলিত অন্য কোনো ফরম ব্যবহার করে ফি জমা দিলে পরবর্তী সময়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে এর দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেবে না।

আবেদন ফরম বা পে-স্লিপের কোনো কপি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর প্রয়োজন হবে না।

এবার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রতি পত্রে ১ হাজার ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে চূড়ান্ত তথ্য জানানো হবে।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন শুরু আজ

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃমূল্যায়নের আবেদন আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়নের জন্য প্রতি পত্রে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা।

সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে পে-স্লিপ ডাউনলোড করতে হবে। এরপর নিকটস্থ সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় অথবা সোনালী ব্যাংকের অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দেওয়া যাবে।

এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ, বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমেও ফি পরিশোধ করা যাবে। বিভিন্ন ধরনের কার্ড—আমেরিকান এক্সপ্রেস, ভিসা, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের (ডিবিবিএল) নেক্সাস ও মাস্টারকার্ড ব্যবহার করেও ফি দেওয়া যাবে। সোনালী ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব থেকেও অনলাইনে টাকা ট্রান্সফারের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, ফি জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে আবেদন ফরম পূরণ, পে-স্লিপ ডাউনলোড কিংবা ফি জমা দেওয়া যাবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, ব্যাংকে প্রচলিত অন্য কোনো ফরমে টাকা জমা দেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হলে এর দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেবে না।

নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ ও পে-স্লিপ সংগ্রহ করতে হবে। তবে আবেদন সম্পন্ন করার পর আবেদনপত্র বা পে-স্লিপের কোনো কপি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবা নিতে গাজীপুরে আসতে হবে না শিক্ষার্থীদের

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট উত্তোলন, নাম সংশোধন, কলেজ পরিবর্তন ও টিসি নেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব সেবার জন্য শিক্ষার্থীদের আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস গাজীপুরে আসতে হবে না। অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই এসব সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্প্রতি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

উপাচার্য বলেন, আগে প্রফেশনাল ও ফাইনাল সার্টিফিকেট নিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে গাজীপুরে এসে আবেদন করতে হতো। বিভিন্ন পর্যায়ে হয়রানি ও মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্যেরও অভিযোগ ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব প্রক্রিয়া ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এখন শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করবেন। সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দেবেন। এরপর অনলাইনেই আবেদনের স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন। সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ফাইনাল সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে।’

কলেজ থেকেই মিলছে প্রভিশনাল সার্টিফিকেট

উপাচার্য জানান, প্রভিশনাল সার্টিফিকেটগুলো সংশ্লিষ্ট কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ কলেজ থেকেই তা সংগ্রহ করতে পারছেন। আর ফাইনাল সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে অনলাইনে প্রস্তুতির তথ্য দেখে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় তা সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র নিয়েও পরিবর্তনের কথা জানান তিনি। তার ভাষ্য, দায়িত্ব নেওয়ার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র ছিল ছয়টি। পরে আরও ছয়টি বাড়িয়ে বর্তমানে ১২টি করা হয়েছে।

দুই জেলায় একটি আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিকল্পনা

অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের মূল টার্গেট হলো প্রতি দুই জেলায় একটি করে আঞ্চলিক কেন্দ্র করে ৩২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র করা। শুধু আঞ্চলিক কেন্দ্র নয়, আট বিভাগে আটটি ক্যাম্পাস করার পরিকল্পনাও রয়েছে।’

এসব আঞ্চলিক ক্যাম্পাসে বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্স পরিচালনার পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর কার্যক্রমও পরিচালনা ও তদারকি করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, আঞ্চলিক ক্যাম্পাসগুলো প্রতিষ্ঠা করা হলে বর্তমানে গাজীপুরে থাকা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও ফ্যাসিলিটি ধীরে ধীরে এসব ক্যাম্পাসেও নেওয়া হবে।

এক বছরের মধ্যে পেপারলেস হওয়ার লক্ষ্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আগামী এক বছরের মধ্যে পেপারলেস করার লক্ষ্যেও কাজ চলছে বলে জানান উপাচার্য। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ নথি ই-নথির আওতায় এসেছে। বাকি নথিগুলোও ধাপে ধাপে ই-নথিতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস ইতোমধ্যে ক্যাশলেস করা হয়েছে। সেখানে কোনো নগদ লেনদেন করা হয় না। বাকি ছোটখাটো কিছু ক্ষেত্রও শতভাগ ক্যাশলেস ব্যবস্থার আওতায় আনার কাজ চলছে। সব লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘ব্যক্তিগত যোগাযোগের প্রয়োজন বন্ধ করতে চাই’

শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা নিতে ব্যক্তিগতভাবে কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উপাচার্য বলেন, ‘নাম সংশোধন, কলেজ ট্রান্সফার, টিসি নেওয়া কিংবা সার্টিফিকেট উত্তোলনের মতো কাজ এখন অনলাইনেই শেষ করা যাচ্ছে। এসব কাজের জন্য কাউকে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করতে হচ্ছে না। যে মাইন্ডসেট—আমাকে একটু যেতে হবে, একটু কথা বলতে হবে, কোনো একজন অফিসারের সঙ্গে দেখা করতে হবে—সেটা আমরা বন্ধ করার চেষ্টা করছি।’

এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, মানুষ যত বেশি সরাসরি আসবে এবং পারসন টু পারসন যোগাযোগ যত বাড়বে, ততই বিভিন্ন ধরনের মিসহ্যান্ডলিংয়ের সুযোগ থাকে। তাই সেবাগুলোকে যতটা সম্ভব অনলাইননির্ভর করার চেষ্টা চলছে।

অধ্যাপক আমানুল্লাহ আশা প্রকাশ করেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে সার্টিফিকেট উত্তোলন, নাম সংশোধন কিংবা কলেজে টিসি নেওয়ার মতো সেবার জন্য শিক্ষার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে আসতে হবে না।

তিনি বলেন, ‘প্রফেশনাল হোক বা ফাইনাল—কোনো ধরনের সার্টিফিকেটের জন্যই শিক্ষার্থীদের যেন ক্যাম্পাসে আসতে না হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ চলছে। এক কথায়, সারা বাংলাদেশের ছাত্র ও শিক্ষকদের শুধু মডারেশন ও প্রশ্ন করার বিষয় ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুর ক্যাম্পাসে যাতে আসতে না হয়, সেদিকে আমরা হাঁটছি।’

মন্তব্য করুন

৩ জানুয়ারি কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা

৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি
৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি


২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে কৃষি গুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পেয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হেলাল উদ্দীন।

তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক সব সমন্বয় করবে গাকৃবি। আগামী ২৫ নভেম্বর থেকে ACAS–এর অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। পরীক্ষাসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা, আসন বিন্যাস এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোডের তথ্য পরে জানানো হবে।

কৃষি গুচ্ছের আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো—
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন

অক্টোবরে ঢাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলন, রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ১০ অক্টোবর

২ হাজার ৩১৮ কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে ‘অধ্যক্ষ সম্মিলন ২০২৬’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের ২ হাজার ৩১৮টি কলেজের অধ্যক্ষদের নিয়ে ‘অধ্যক্ষ সম্মিলন ২০২৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মিলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদের সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান রূপান্তরমুখী অভিযাত্রা এবং পরিবর্তিত জাতীয় ও বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে এ সম্মিলনের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। দেশের কলেজ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার বিকাশে অধ্যক্ষদের ভূমিকা আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে এ সম্মিলন আয়োজন করা হচ্ছে।

এতে আরও বলা হয়, সম্মিলনের মাধ্যমে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকরা জাতীয় শিক্ষানীতি, সরকারের শিক্ষা-দর্শন, উচ্চশিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত শিক্ষা-সংক্রান্ত অঙ্গীকার ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও প্রেরণা লাভ করবেন।

যেভাবে করতে হবে রেজিস্ট্রেশন

সম্মিলনে অংশ নিতে অধ্যক্ষদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোর্টালে প্রবেশ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এজন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পোর্টাল-এ প্রবেশ করে কলেজ কোড ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

এরপর ড্যাশবোর্ড থেকে ‘অধ্যক্ষ সম্মিলন ২০২৬’ অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় আগামী ১০ অক্টোবর। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর পরবর্তী সময়ে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের নির্দেশক্রমে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সম্মিলনে অংশ নিতে অধ্যক্ষদের অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সম্মিলনে অংশগ্রহণের জন্য অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের বিধি অনুযায়ী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে।

মন্তব্য করুন

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু ২৭ মার্চ, রুটিন চূড়ান্ত

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সমন্বিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছরের ২৭ মার্চ থেকে শুরু হবে। প্রথম দিন 'সি' ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর এক সপ্তাহ বিরতি দিয়ে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৭ মার্চ, ৩ এপ্রিল এবং ১০ এপ্রিল—এই তিন দিনে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

  • ২৭ মার্চ: 'সি' ইউনিটের (বাণিজ্য বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা।

  • ৩ এপ্রিল: 'বি' ইউনিটের (মানবিক বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা।

  • ১০ এপ্রিল: 'এ' ইউনিটের (বিজ্ঞান বিভাগ) ভর্তি পরীক্ষা।

তবে, কবে থেকে শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে, সেই তারিখ পরবর্তী সভায় নির্ধারণ করা হবে।

সভায় ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য অধ্যাপক ড. তানজিম উদ্দিন খান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এবং গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন
×