বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীদের আবেদনের সুযোগ
দক্ষিণ কোরিয়ায় টিউশন ফি ছাড়াই মাস্টার্স-পিএইচডি, মিলবে মাসিক ভাতাও
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে স্নাতকোত্তর, পিএইচডি ও গবেষণা কার্যক্রমে পড়াশোনার সুযোগ দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। ‘গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপ’ (GKS) এর আওতায় নির্বাচিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আবেদনের সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে।
উচ্চশিক্ষার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থার পাশাপাশি দেশটির উন্নত জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করছে।
যেসব সুবিধা মিলবে
গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের আর্থিক ও একাডেমিক সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে—
-
সম্পূর্ণ টিউশন ফি;
-
স্বাস্থ্যবিমা;
-
যাতায়াতের জন্য রাউন্ড-ট্রিপ বিমান টিকিট;
-
আবাসন ভাতা;
-
মাসিক ভাতা;
-
গবেষণা কার্যক্রমের জন্য আর্থিক সহায়তা;
-
এক বছর বিনা মূল্যে কোরিয়ান ভাষা শেখার সুযোগ।
স্কলারশিপের মেয়াদ
স্নাতকোত্তর: ৩ বছর
পিএইচডি: ৪ বছর
গবেষণা কার্যক্রম: ৬ মাস
আবেদনের যোগ্যতা
স্কলারশিপে আবেদন করতে প্রার্থীদের কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো—
-
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে এবং কোরিয়ান নাগরিকত্ব থাকা যাবে না;
-
স্নাতকোত্তরের জন্য স্নাতক এবং পিএইচডির জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে;
-
ভালো একাডেমিক ফলাফল থাকতে হবে;
-
ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে;
-
শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
যেসব কাগজপত্র লাগবে
আবেদনের সময় সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে—
-
জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের কপি;
-
পূরণ করা আবেদন ফরম;
-
মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;
-
মা-বাবার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের প্রমাণপত্র;
-
সব একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও সার্টিফিকেট;
-
ইংরেজি ভাষাদক্ষতার সনদ (যদি থাকে);
-
দুটি সুপারিশপত্র;
-
জীবনবৃত্তান্ত (সিভি);
-
রিসার্চ প্রপোজাল;
-
ফিন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট;
-
স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP)।
আবেদনের সময়সীমা
গ্লোবাল কোরিয়া স্কলারশিপের আবেদনের সময় বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আলাদা। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কলারশিপের অফিসিয়াল নির্দেশনা দেখে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে হবে।