যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে থাপ্পড়, কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত: তদন্ত কমিটি গঠন

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরানকে থাপ্পড় মেরে কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ ছয় দফা দাবিতে প্রশাসনকে সময় বেঁধে দিয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিভাগের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান ও শহীদ মশিয়ুর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. মো. মজনুজ্জামানের কাছে ছয় দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—অভিযুক্ত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হকের ছাত্রত্ব বাতিল, তাকে অবিলম্বে হল থেকে বহিষ্কার, আহত শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরানের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বহন, ঘটনায় জড়িত সব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা ১টার মধ্যে তাদের দাবির বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে বিভাগের সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

জানা গেছে, শহীদ মশিয়ুর রহমান হলে গোসল করাকে কেন্দ্র করে ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরানের সঙ্গে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হকের কথা-কাটাকাটি হয়।

পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিকেলে ক্যাম্পাসের বাইরে জুয়েল আল ইমরান ও তার কয়েকজন বন্ধু যান। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে তানভীর হক জুয়েলকে থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ইংরেজি বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজিন মাহমুদ খান কাব্য, অস্কারসহ আরও ৮-১০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরে আহত অবস্থায় জুয়েল আল ইমরানকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনায় তার কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত তানভীর হকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরান।

তদন্ত কমিটি গঠন

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ থেকে কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানা গেছে।

এদিকে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

মন্তব্য করুন

জাবির উপ-উপাচার্যের বিরুদ্ধে ছাত্র ইউনিয়নের প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ, ৩ দফা দাবি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, আর্থিক অসংগতি ও জবাবদিহির ঘাটতির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ।

এসব অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠনসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। বুধবার (২৭ আগস্ট) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক সাদিয়া ইমরোজ ইলার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব অভিযোগ ও দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তিন মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।

৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি মওকুফের অভিযোগ

ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ, সম্প্রতি একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পেইন আয়োজনের জন্য নির্ধারিত ৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে মওকুফ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাঠপর্যায়ের দায়িত্বশীলরা দাবি করেন, ওই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে জমা না হয়ে সরাসরি এক ছাত্রনেত্রীর হাতে দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, ভেন্যু ফি মওকুফের অনুমোদন দেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার উপাচার্যের।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্যের বক্তব্যও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে ছাত্র ইউনিয়ন। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি বলেছেন, ‘কোম্পানি লিখিত অভিযোগ দিলে টাকা আদায় করা হবে।’

তবে ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ আদায় ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রশাসনের। ফলে এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক জবাবদিহির ঘাটতির ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছে সংগঠনটি।

পদোন্নতির রেজুলেশনে অনিয়মের অভিযোগ

এ ছাড়া পদোন্নতি বোর্ডের সুপারিশ ছাড়াই একজন কর্মচারীর নাম চূড়ান্ত রেজুলেশনে যুক্ত করার চেষ্টার অভিযোগও তুলেছে ছাত্র ইউনিয়ন।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সংগঠনটি জানায়, সংশ্লিষ্ট রেজুলেশনে প্রথম স্বাক্ষর করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)। পরে বোর্ডের এক সদস্য বিষয়টিতে অসঙ্গতি শনাক্ত করে আপত্তি জানালে তা সংশোধন করা হয়।

ছাত্র ইউনিয়নের দাবি, ঘটনাটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রচলিত নিয়ম, নীতিমালা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।

প্রশাসনে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্তের অভিযোগ

বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্র ইউনিয়ন আরও দাবি করেছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোয় নিয়ম ও নীতিমালার পরিবর্তে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংগঠনটির মতে, প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার পরিবর্তে ব্যক্তিগত বিবেচনা প্রাধান্য পেলে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়।

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন)-এর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে অনিয়মের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

তিন দফা দাবি

অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ। দাবিগুলো হলো—

১. বাণিজ্যিক ক্যাম্পেইনের ৬০ হাজার টাকা ভেন্যু ফি মওকুফ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিটি গঠন।

২. পদোন্নতি বোর্ডের রেজুলেশন পরিবর্তনের অভিযোগে জড়িত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

৩. তদন্ত চলাকালে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা।

সংগঠনটি জানিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

শেকৃবির বায়োটেকনোলজি বিভাগের পাঠ্যক্রম কমিটিতে ড. নূর জাহিদ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) বায়োটেকনোলজি বিভাগের পাঠ্যক্রম কমিটিতে সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জায়ান্ট এগ্রো প্রসেসিং লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ড. মো. নূর জাহিদ। উচ্চশিক্ষার সঙ্গে শিল্প ও বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সংযোগ আরও কার্যকর করার ধারাবাহিকতায় তাঁকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, শিল্প ও পেশাগত ক্ষেত্রের অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে বিভাগের পাঠ্যক্রমকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কমিটিতে ড. মো. নূর জাহিদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন শিক্ষক বা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাকেও সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। কমিটির মূল লক্ষ্য হলো বিভাগের পাঠ্যক্রমের মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় মতামত ও পরামর্শ প্রদান করা।
এদিকে, পাঠ্যক্রম কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ায় ড. নূর জাহিদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হুমায়রা হক।
পৃথক এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ড. জাহিদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবান পরামর্শ বিভাগের পাঠ্যক্রমের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এই কমিটির কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতামতের মাধ্যমে বিভাগের শিক্ষার মান আরও সমৃদ্ধ হবে বলেও চিঠিতে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, ড. মো. নূর জাহিদ বর্তমানে জায়ান্ট এগ্রো প্রসেসিং লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। কৃষি, বীজ, বায়োটেকনোলজি, কৃষি ইনপুট এবং কৃষিভিত্তিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় তাঁর দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।
শিক্ষাবিদ ও শিল্পখাতের এমন অভিজ্ঞ পেশাজীবীর সমন্বয়ে পাঠ্যক্রম কমিটি গঠনের এই উদ্যোগটি শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন

ঢাবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তঃস্কুল-কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা

যুক্তি, মুক্তচিন্তা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চাকে আরও জোরদার করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তঃস্কুল-কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা। আগামী শনিবার ও রবিবার (২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

অ্যাকশনএইড ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (ডিইউডিএস) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৬টি স্কুল ও কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেবেন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। দুই দিনের আয়োজনের বিভিন্ন পর্ব টিএসসি প্রাঙ্গণের বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. আমিরুস সালাত, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার আবু সালেহ মো. সায়েম এবং অ্যাকশনএইডের লিড ইয়ুথ, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট জাস্টিস মো. নাজমুল আহসান।

আয়োজকরা জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজ পর্যায়ের তরুণ বিতার্কিকদের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতায় যুক্তি উপস্থাপন, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও গঠনমূলক মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, নেতৃত্বের দক্ষতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

তাদের মতে, দুই দিনের এ আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি যুক্তিনির্ভর ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তরুণদের গড়ে তুলতেও প্রতিযোগিতাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

মন্তব্য করুন

ইবিতে দুই শিক্ষার্থী আটক, অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বিয়ের উদ্যোগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাসের একটি নির্জন এলাকা থেকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের কথা স্বীকার করে বিয়েতে সম্মতি জানিয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পূর্ব পাশে মাদ্রাসা মসজিদসংলগ্ন একটি কাঁঠালবাগান থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে স্থানীয়রা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করেন।

জানা গেছে, আটক তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং তরুণী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ওই তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তরুণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন একটি মেসে থাকেন।

পরে তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের কথা জানান এবং বিয়েতে সম্মতি দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে বিয়ের আয়োজন করার কথা রয়েছে।

আটক শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, ‘গত সাত-আট মাস ধরে আমাদের সম্পর্ক। আমি ভুল করেছি। আমি তাকে ভালোবাসি এবং তাকে বিয়ে করতে রাজি আছি।’

স্থানীয়দের দাবি, ওই দুই শিক্ষার্থী কয়েক মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নির্জন স্থানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। বিষয়টি লক্ষ্য করার পর শুক্রবার তাদের আটক করে নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘দুই শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা বিষয়টি স্বীকার করেন এবং বিয়েতে সম্মতি জানান। তাদের বাবা-মাকে ডাকা হবে। এরপর বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাসে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ওই ছাত্রী যে মেসে থাকেন, সেটির মালিককেও তলব করা হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে মেসগুলো বন্ধ রাখার কথা রয়েছে।’

মন্তব্য করুন

ঢাকার কংক্রিটের শহরে শেকৃবিতে চন্দনা টিয়ার মেলা

সবুজে ঘেরা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রতিদিনই দেখা মেলে শত শত টিয়া পাখির। বিশেষ করে কৃষি অনুষদের পুরোনো শহীদ মিনারের পাশের কাঠবাদাম গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে চন্দনা টিয়ার উপস্থিতি ক্যাম্পাসজুড়ে তৈরি করেছে অনন্য এক প্রাকৃতিক আবহ।

যানজট, ধোঁয়া-ধুলো আর ইট-পাথরের কংক্রিটে ঘেরা ঢাকা শহরে সবুজের দেখা মেলা যেন দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। প্রাচীন গাছপালা কমে যাওয়ায় নগরজীবন হারাচ্ছে তার প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য। তবে রাজধানীর বুকেই এর ব্যতিক্রমী এক চিত্র দেখা যায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ক্যাম্পাসে।

প্রায় ৮৭ একর আয়তনের সবুজে ঘেরা এই ক্যাম্পাস শুধু শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশই তৈরি করছে না, বরং নানা প্রজাতির পাখিরও নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। ক্যাম্পাসে কান পাতলেই শোনা যায় পাখির কলকাকলি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে চন্দনা টিয়ার ঝাঁক।

কৃষি অনুষদের পুরোনো শহীদ মিনারের পাশে থাকা কাঠবাদাম গাছটিতে প্রতিদিনই দেখা যায় একঝাঁক চন্দনা টিয়া। বিশেষ করে দুপুরের দিকে এক পায়ে ডাল কিংবা খাবার শক্ত করে ধরে কাঠবাদাম খাওয়ার দৃশ্যটি সহজেই পথচারী ও শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এক পা দিয়ে খাবার ধরে খাওয়ার এই কৌশল টিয়া প্রজাতির স্বাভাবিক শারীরিক বৈশিষ্ট্যেরই অংশ।

টিয়া প্রজাতির মধ্যে আকারে বড় ও দৃষ্টিনন্দন পাখিগুলোর একটি চন্দনা টিয়া। এর ইংরেজি নাম Alexandrine Parakeet এবং বৈজ্ঞানিক নাম Psittacula eupatria। সাধারণত ৫২ থেকে ৫৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা এ পাখিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ঘাড়ের পেছনে থাকা গোলাপি-কালো রঙের আভা।

শুধু শহীদ মিনারের পাশের কাঠবাদাম গাছই নয়, শেকৃবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকাতেই দেখা যায় এসব পাখির বিচরণ। এগ্রোনমি ফিল্ড, হর্টিকালচার ফার্ম, পুরোনো এগ্রিবিজনেস অনুষদ ও এগ্রোফরেস্ট ফিল্ডসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রতিদিনই ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া উড়ে বেড়ায়।

নগরায়ণের চাপে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে পুরোনো গাছপালা হারিয়ে গেলেও শেকৃবির সবুজ প্রাঙ্গণে এখনো টিকে আছে অনেক পুরোনো গাছ। এসব গাছ পাখিদের খাদ্য, আশ্রয় ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেছে। ফলে রাজধানীর ব্যস্ত নগরজীবনের মধ্যেও ক্যাম্পাসটি হয়ে উঠেছে পাখিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সবুজ আশ্রয়স্থল।

কংক্রিটের শহরে যেখানে মুক্ত প্রকৃতির দেখা পাওয়া কঠিন, সেখানে শেকৃবির বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ আর মুক্ত আকাশে চন্দনা টিয়ার অবাধ বিচরণ যেন হারিয়ে যাওয়া বাংলার এক টুকরো চিরচেনা ছবি। প্রতিদিনের ব্যস্ততা আর যান্ত্রিকতার মাঝেও এই দৃশ্য ক্যাম্পাসবাসীর মনে এনে দেয় প্রকৃতির সান্নিধ্যের এক অন্যরকম অনুভূতি।

মন্তব্য করুন

রাবিতে চালু হলো ‘পেপারলেস এক্সাম’, পরীক্ষা শেষে মিলছে ফল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) কাগজনির্ভর প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির বাইরে গিয়ে চালু হয়েছে ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’। এ ব্যবস্থায় খাতা-কলম ও প্রশ্নপত্র ছাড়াই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাওয়া যাচ্ছে ফলাফল। দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাবিতে এ ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগে এ পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা নতুন এ ব্যবস্থায় টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অংশ নেন। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীরের তত্ত্বাবধানে সিস্টেমটি তৈরি করেছেন আইসিই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল বাসির।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ সিস্টেমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের জন্য পৃথক সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এমসিকিউ ও শর্ট কোয়েশ্চনের উত্তর দিতে পারবেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই তারা ফলাফল দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে কোন প্রশ্নের উত্তর ভুল হয়েছে, সঠিক উত্তর কী এবং তার ব্যাখ্যাও জানার সুযোগ রয়েছে।

সিস্টেমটিতে রয়েছে সমৃদ্ধ প্রশ্নব্যাংক। এর মাধ্যমে শিক্ষকরা সহজেই প্রশ্ন তৈরি করতে এবং একাধিক পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়নের কারণে খাতা দেখার সময় কমার পাশাপাশি দ্রুত ফলাফল প্রকাশ, মূল্যায়নে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া প্রশাসনের জন্য পরীক্ষার সার্বিক নজরদারি, ফলাফল সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন তৈরির সুবিধা রয়েছে। ফলে কাগজের ব্যবহার ও সময়ের অপচয় কমার পাশাপাশি প্রশাসনিক জটিলতাও কমবে। একই সঙ্গে পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরও দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাগজবিহীন পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আইসিই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান শান্ত বলেন, নতুন এ পরীক্ষা পদ্ধতি আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষা শুরু ও শেষ হওয়া এবং পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল পাওয়ার বিষয়টি তার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েই এ ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকৃত হবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একই বর্ষের শিক্ষার্থী মনীষা আফরিন তিন্নি বলেন, ‘ই-এক্সাম’ তাদের জন্য সহায়ক ও কার্যকর একটি ব্যবস্থা। পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল পাওয়ার পাশাপাশি কোন প্রশ্নের উত্তর ভুল হয়েছে এবং সঠিক উত্তর কী, সেটিও জানা যাচ্ছে। এতে নিজেদের ভুল বুঝে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। কাগজ ছাড়া পরীক্ষা পদ্ধতিটি সহজ ও সময়সাশ্রয়ী বলেও জানান তিনি।

সিস্টেমটির তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীর বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত কাগজনির্ভর পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এ ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কাগজবিহীন পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুত ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদর্শন এবং মূল্যায়নে নির্ভুলতা বৃদ্ধি।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আইসিই বিভাগে পদ্ধতিটি চালু করা হয়েছে। এর কার্যকারিতা ও সফলতা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও এটি চালু করা হবে। পাশাপাশি দেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে এ সিস্টেম ব্যবহার করে পরীক্ষা নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সিস্টেমটির নির্মাতারা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরও স্বচ্ছ ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিমুক্ত করতে পেপারলেস পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগকেও এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ পদ্ধতির অন্যতম বড় সুবিধা হলো শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এটি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর একটি শিক্ষা।

মন্তব্য করুন
×