জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয়বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের স্নাতক (পাস) দ্বিতীয়বর্ষ পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কলেজের অধ্যক্ষরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে বিতরণ করবেন। পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিন দিন আগে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ সম্পন্ন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয় কোড অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। অন্য কোনো বিষয় কোডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

পরীক্ষার হলে উপস্থিতির সময় পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে তা প্রদর্শন করতে হবে।

এ ছাড়া যেসব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে, সেসব পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য করুন

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

আপাতত নির্বাচনী পরীক্ষা নয়, নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

 


২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বোর্ড জানিয়েছে, আপাতত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে পারবে না, বরং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস চালিয়ে যেতে হবে

রোববার (৯ নভেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী পরীক্ষা গ্রহণ করবে না।”

বোর্ড আরও জানিয়েছে, নির্বাচনী পরীক্ষার সময়সূচি ও সংক্রান্ত নির্দেশনা পরে আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধানদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানানো হয়েছে— এই নির্দেশনা যেন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় এবং পাঠদান কার্যক্রমে যেন কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

ডিসিইউ ও তিতুমীর কলেজের সমন্বয়হীনতা, ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) ও তিতুমীর কলেজ প্রশাসনের মধ্যকার সমন্বয়হীনতার কারণে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ডিসিইউ থেকে ভর্তির নোটিশ দেওয়া হলেও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন এখনো নিজস্ব বিজ্ঞপ্তি ও ফরম প্রকাশ করেনি। ফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দূরদূরান্ত থেকে ক্যাম্পাসে আসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না এবং তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।


সংশ্লিষ্ট বিভাগের অফিস সহায়কদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলেজের অধ্যক্ষ এখনো ক্যাম্পাসে উপস্থিত না থাকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি ক্যাম্পাসে এসে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করলেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। নোটিশ না থাকায় ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।


এই অব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ইংরেজি বিভাগে ভর্তিচ্ছু রাকিবুল হাসান জানান, ডিসিইউর নোটিশ থাকার পরও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন কেবল অজুহাত দিচ্ছে। অন্যদিকে, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে আসা এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক ভবনের প্রথম তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি নেওয়া হবে না, আবার দ্বিতীয় তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি চলবে। এছাড়া বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাতও দেওয়া হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে তাদের আবারও কলেজে আসার উপক্রম হয়েছে।


ক্যাম্পাসে এমন অচলাবস্থা বিরাজ করলেও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তির কাজ চলছে। উল্লেখ্য, ডিসিইউর বিজ্ঞপ্তিতে প্রথমে ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ভর্তির সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও, পরে তা বাড়িয়ে ১৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তিতে নটর ডেম ও হলিক্রসের বিশেষ শর্ত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজধানীর নটর ডেম কলেজ ও হলিক্রস কলেজ। দুই কলেজেই নিজস্ব ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। জিপিএ ও অন্যান্য একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি ভর্তিচ্ছুদের জন্য কিছু বিশেষ শর্তও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

এর মধ্যে নটর ডেম কলেজ ধূমপায়ীদের আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে হলিক্রস কলেজ জানিয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নটর ডেম কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কলেজ নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, কলেজের আইডি কার্ড ব্যবহার এবং নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণে অনাগ্রহী শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে ধূমপায়ীদেরও আবেদন না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে হলিক্রস কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে নিয়মিত ক্লাস ও ব্যবহারিক ক্লাসে উপস্থিতি, নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, শরীরচর্চা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব নিয়ম মানতে অনাগ্রহী বা আপত্তি রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদের আবেদন না করার পরামর্শ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি দেওয়া হবে। পাশাপাশি কলেজে মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব নিয়ম ও শর্তে যাদের আপত্তি রয়েছে, তাদেরও আবেদন না করার জন্য বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ: ৭ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমকে সামনে রেখে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইএসটির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। আর রাজশাহী, জগন্নাথ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও কুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ও আবেদনের তথ্য তুলে ধরা হলো—

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ১২ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর ‘বি’ ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭। প্রথম দিন ‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রাথমিক আবেদন চলবে ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে এবার ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ—এই সাত বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি। প্রথম দিন ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ৮ জানুয়ারি ‘ই’ ইউনিট, ১৫ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ২২ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ২৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

পর্যায়ক্রমে ৩০ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ‘বি১’ উপ-ইউনিট, ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বি২’ উপ-ইউনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডি’ ইউনিট এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নেওয়া হবে। অন্য ইউনিটগুলোর পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন চলবে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর ২০২৬।

১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে যেসব সূচি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি, সেগুলো পরবর্তীতে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি ও অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭।

এবার খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন বিভাগীয় শহরে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর ২০২৬।

১৮ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিট এবং ১৯ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ভর্তিচ্ছুদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

৪৯তম বিশেষ বিসিএস: লিখিত ফল ৭-১০ দিনে, ভাইভা ২৬ অক্টোবর শুরু

শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার (এমসিকিউ টাইপ) ফলাফল সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে প্রকাশিত হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগরীর পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে এই লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন আবেদন করেছিলেন। কতজন প্রার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন, তা এখনো সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) জানায়নি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরও পাওয়া যায়নি।

পিএসসি সূত্রমতে, এই বিশেষ বিসিএসের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সরকারি সাধারণ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি পূরণ করা। এই লক্ষ্য পূরণে দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশ করে শীঘ্র মৌখিক পরীক্ষা শুরু করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসির এক সদস্য জাগো নিউজকে বলেন, পরীক্ষার্থী কম থাকায় চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল তিন দিনেই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু ৪৯তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই লিখিত পরীক্ষার ফল ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই প্রকাশের সম্ভাবনা আছে।

পিএসসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়ে ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। ওই সদস্য জানান, মৌখিক পরীক্ষা এই মাসেই শুরু হয়ে নভেম্বরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল বা নিয়োগের সুপারিশ করা হতে পারে। তবে ফলাফল তৈরির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হতে পারে।

মন্তব্য করুন
×