২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

এইচএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ

ঢাকা বোর্ডে নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০১ শিক্ষার্থী

এনসিটিবি-NCTB
এনসিটিবি-NCTB

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ বা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে নতুনভাবে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ২০১ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি ফেল থেকে পাস করেছেন আরও ৩০৮ জন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ফল প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছিলেন ৮৯ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মোট ২ হাজার ৩৩১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে এবং গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২ হাজার ৩৭৩ জনের।

গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ পরীক্ষার্থী।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ১৮.৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ কমেছে ৭৬ হাজার ৮১৪।

ফল জানবেন যেভাবে
পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সব বোর্ডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রে উল্লেখ করা মোবাইল নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা বোর্ডের ফল দেখতে ভিজিট করুন: www.dhakaeducationboard.gov.bd
অন্যান্য বোর্ডের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানতে পারবেন।

মন্তব্য করুন

তরুণদের চাকরির সুযোগ বাড়াতে ডিসেম্বরে সরকারের নতুন কর্মসংস্থান উদ্যোগ

তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে আগামী ডিসেম্বর থেকে দেশজুড়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায় শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বিএনপির নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে দেওয়া অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান মাহদী আমিন। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাহদী আমিন বলেন, তারুণ্যের সঠিক ক্ষমতায়ন এবং মেধার সর্বোচ্চ বিকাশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে আগামী ডিসেম্বর ঢাকায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণদের ক্ষমতায়ন অপরিহার্য। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তরুণদের সুপ্ত মেধা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

মাহদী আমিন জানান, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ছয় মাস ধরে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও, সরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে নেওয়া নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিসেম্বর থেকেই কার্যক্রম শুরু হবে।

চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতাকে একই প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে শ্রমবাজারের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি করা।

মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী। সরকারের লক্ষ্য হলো তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে তাদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা। একই সঙ্গে মূলধারার শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণ এবং নতুন গ্র্যাজুয়েটদের সরাসরি চাকরির বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা।

এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কী ধরনের জনবলের চাহিদা রয়েছে, তার তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

একই সঙ্গে কর্মক্ষম তরুণদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার তথ্য নিয়ে একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। একদিকে থাকবে চাকরিপ্রার্থীদের তথ্য, অন্যদিকে থাকবে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জনবলের চাহিদা। এই দুই তথ্যের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হবে একটি সমন্বিত জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।

নিয়মিত হবে ক্যারিয়ার ফেয়ার

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের পাশাপাশি দেশব্যাপী নিয়মিত ‘ক্যারিয়ার ফেয়ার’ আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

জেলা পর্যায়ে এসব ক্যারিয়ার ফেয়ারের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে দীর্ঘদিনের দূরত্ব কমিয়ে একটি কার্যকর সংযোগ তৈরি করা হবে। এর ফলে চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ জনবল খুঁজে নিতে পারবে।

মাহদী আমিন বলেন, চাকরিপ্রার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘এমপ্লয়মেন্ট ওরিয়েন্টেড ইকোসিস্টেম’ গড়ে তোলা হবে।

এই ব্যবস্থার আওতায় চাকরিপ্রার্থীদের সিভি লেখার কৌশল, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, ইন্টারভিউ মোকাবিলা এবং চাকরির বাজারের প্রয়োজনীয় দক্ষতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ থাকবে।

বিদেশগামী তরুণদেরও যুক্ত করা হবে

এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে নিবন্ধনের মাধ্যমে বিদেশে যেতে আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, এই প্ল্যাটফর্মে চাকরিদাতা ও চাকরিপ্রার্থী—উভয় পক্ষই নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন। আন্তর্জাতিক নিয়োগদাতারা সরাসরি নিবন্ধন না করলেও বিদেশে যেতে আগ্রহী তরুণদের নিবন্ধনের পর সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (TTC) অথবা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

সরকার এমন একটি কর্মসংস্থানভিত্তিক ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চায়, যেখানে কোনো তরুণ তাঁর ক্যারিয়ার লক্ষ্য জানালে তাকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।

মন্তব্য করুন

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ২ জানুয়ারি, আয়োজক শেকৃবি

কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন ও সমন্বয়ের সার্বিক দায়িত্বে রয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রমতে, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া, অংশগ্রহণের যোগ্যতা, আসন সংখ্যা, সময়সূচি ও কেন্দ্র সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ জানান, কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত স্বচ্ছ ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন করতে শেকৃবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে। পরীক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দেশে কৃষি ও কৃষি-সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমন্বিত পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়, যার ফলে একটিমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এই গুচ্ছ কার্যক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই সমন্বিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছে এবারও ২০ বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্ত হতে পারে আরও ৩টি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইউজিসির অনুমোদন সাপেক্ষে গুচ্ছে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সভায় ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিতে কনভেনর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। কো-কনভেনর করা হয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীকে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনায় মূল কমিটির পাশাপাশি টেকনিক্যাল, ক্রয় ও অর্থসহ একাধিক কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটি গঠনের পরই ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ও পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

মূল কমিটির কনভেনর অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, ‘২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হোস্ট ও কোনটি কো-হোস্ট হবে, সেটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিগগির আরেকটি সভা করে টেকনিক্যাল, ক্রয় ও অর্থ কমিটি গঠন করা হবে। সেখানেই ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে।’

কো-কনভেনর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের প্রথম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিগগির আরেকটি সভা ডেকে ভর্তি পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে।’

তিনি জানান, এবার মূল কমিটির কনভেনর ও কো-কনভেনর নির্বাচন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিষ্ঠা ও একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর সময়ের সিনিয়রিটির ভিত্তিতে। ২০০২ সালে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা পবিপ্রবি এবং ২০০৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা নোবিপ্রবির উপাচার্যকে সেই বিবেচনায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে কম সিনিয়র বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও দায়িত্ব পাবে।

গুচ্ছে থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়—এই ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছের বর্তমান তালিকায় রয়েছে।

যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ জানিয়েছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়—বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আগেরবারের মতো এবারও ২০ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন সাপেক্ষে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় এতে যুক্ত হতে পারে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনো শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকায় গুচ্ছে যুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিতভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা, সম্ভাব্য তারিখ ৪ ডিসেম্বর

আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে পারে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাকি মো. জাকিউল আলম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, একটি সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী দুয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত তারিখ জানা যাবে।

সম্ভাব্য তারিখ ৪ ডিসেম্বর

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই দিনটি চূড়ান্ত হবে। ৪ ডিসেম্বর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে ডিসেম্বরের অন্য কোনো শুক্রবারে মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

এর আগে গত আগস্টে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিন জানিয়েছিলেন, সাধারণত ডিসেম্বর মাসেই মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। গত দুই বছরও একই মাসে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফলে এবারও ডিসেম্বরেই পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৫ ডিসেম্বর

প্রতিবছর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির মৌসুম শুরু হয়। তবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এখন পর্যন্ত সবার আগে ভর্তি পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর এবং চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ছাড়া বাকি পরীক্ষাগুলো শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সূচি অনুযায়ী, ৫ ডিসেম্বর আইবিএ, ১২ ডিসেম্বর বিজ্ঞান, ১৯ ডিসেম্বর কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা এবং ২৬ ডিসেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ফলে মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সময়সূচিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

জিএসটি গুচ্ছে এবার ৪ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা, শুরু ১৯ মার্চ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে এ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে ২৭ মার্চ।

এবার প্রথমবারের মতো চারটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘এ’, মানবিকের জন্য ‘বি’, বাণিজ্যের জন্য ‘সি’ এবং আর্কিটেকচারের জন্য ‘ডি’ ইউনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ মার্চ। পরদিন ২০ মার্চ ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ।

এর আগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত জিএসটি গুচ্ছে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’—এই তিন ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো। আর্কিটেকচার বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষার দিন।

এবার আর্কিটেকচারের জন্য আলাদা ‘ডি’ ইউনিট চালু করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, গুচ্ছভুক্ত দুটি বিশ্ববিদ্যালয়—পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্কিটেকচার বিষয় রয়েছে। এবার এ বিষয়ের জন্য আলাদা ইউনিট ও আলাদা সময়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এর আগে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে সকাল ও বিকেলে ‘এ’ ইউনিট এবং আর্কিটেকচারের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে ‘বি’ ও ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা আলাদা

মন্তব্য করুন
×