প্রকাশ হলো প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষার ফল, পাসের হার ৪১.৯৩ শতাংশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৩ সালের প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৮টায় ফল প্রকাশ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সারাদেশের ৮২টি কেন্দ্রে ১০৮টি কলেজের নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ মোট ৫১ হাজার ৬৬৩ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৪১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

পরীক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলবিষয়ক ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল দেখতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রকাশিত ফলাফলে কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা ভুলত্রুটি পাওয়া গেলে তা সংশোধন অথবা ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করার ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

মন্তব্য করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের: মাউশি

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা এবং নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন বা অধ্যাদেশ কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বুধবার (২২ অক্টোবর) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে মাউশি জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন সব দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং সাইবার স্পেসে আচরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই নীতিমালাগুলো অমান্য করলে তা সরকারি কর্মচারীর 'আচরণবিধি লঙ্ঘনের' শামিল হবে। এর পাশাপাশি এটি অনেক ক্ষেত্রে 'জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি' এবং 'শাস্তিযোগ্য অপরাধ' হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

এক্ষেত্রে 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং 'সাইবার সুরক্ষা আইন/অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২৫ নং অধ্যাদেশ)'-এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই বিজ্ঞপ্তিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সব আঞ্চলিক পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় নকলসহ বিভিন্ন ধরনের অসদুপায় অবলম্বন ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ২৮৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শাস্তির অংশ হিসেবে কারও পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে, আবার কাউকে এক থেকে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র, কৈফিয়তপত্রের জবাব এবং নকলের আলামত পর্যালোচনা করা হয়। অপরাধের ধরন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা রেগুলেশন অনুযায়ী পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের অনার্স তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষায় দেশের বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পরীক্ষক, পরিদর্শক ও প্রধান পরীক্ষকদের পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে এসব শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র ও অন্যান্য আলামত যাচাই-বাছাই করে বিষয়গুলো পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হয়।

পরীক্ষা শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিযুক্ত ২৮৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২১৬ জনের শুধু সংশ্লিষ্ট বছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ৫৫ জনের পরীক্ষা বাতিলের পাশাপাশি পরবর্তী এক বছর, ১৪ জনের পরবর্তী তিন বছর এবং তিনজনের পরবর্তী চার বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন

শিক্ষা অধিপ্তরের ছবি ও লোগো
শিক্ষা অধিপ্তরের ছবি ও লোগো

২০২৬ সাল থেকে অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন এনেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। আজ রোববার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়েছে:

১. বাংলা দ্বিতীয় পত্র: বাংলা ২য় পত্রের রচনামূলক অংশের প্রশ্ন কাঠামোতে পরিবর্তন এসেছে। 'অনুবাদ' অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। অনুবাদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ নম্বর এখন থেকে সংবাদ প্রতিবেদনের জন্য বরাদ্দ করা হবে।

২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি): আইসিটি বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো থেকে 'সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন' বাদ দেওয়া হয়েছে। সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্নের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ নম্বর বহুনির্বাচনি অংশের ১৫ নম্বরের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, আইসিটির বহুনির্বাচনি প্রশ্নের জন্য মোট ২৫ নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে।

৩. ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং: এই বিষয়ে এখন থেকে ফিন্যান্স অংশ থেকে ৮টি এবং ব্যাংকিং অংশ থেকে ৭টি প্রশ্নসহ মোট ১৫টি সংক্ষিপ্ত-উত্তর প্রশ্ন থাকবে। শিক্ষার্থীদের যেকোনো একটি বিভাগ থেকে ন্যূনতম ৪টি সহ মোট ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি আরও জানিয়েছে যে, দশম শ্রেণির নির্বাচনি পরীক্ষায়ও বাংলা ২য় পত্র, আইসিটি এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে সংশোধিত প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজন অনুযায়ী প্রশ্ন করতে হবে। এটি একটি অতীব জরুরি নির্দেশনা।

মন্তব্য করুন

নিজ জেলায় নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক বদলির আওতায় থাকবেন না: স্বয়ংক্রিয় বদলির উদ্যোগ হাতে নেওয়া হচ্ছে

শিক্ষামন্ত্রণালয়
শিক্ষামন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই সকল শিক্ষক যারা নিজ জেলায় নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের বদলির আওতায় না আনার প্রস্তাব এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধিকাংশ কর্মকর্তা এ প্রস্তাবের পক্ষে ইতিবাচক মত দিয়েছেন। ফলে নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার মাউশিতে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এই প্রস্তাবটি আলোচিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) মো. মিজানুর রহমান, মাউমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাইয়েদ এ. জেড. মোরশেদ আলী, মাউশির উপ-পরিচালক মো. ইউনুছ ফারুকী, সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম মোসলেম উদ্দিন, এবং টেলিটক ও ইএমআইএস সেলের কর্মকর্তারা।

কর্মশালার আলোচনায় বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। কর্মশালায় উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, যারা নিজ জেলা থেকে বহু কিলোমিটার দূরে চাকরি করছেন, তাদের বদলি বেশি জরুরি। এছাড়া, এমপি বা মন্ত্রীর সুপারিশের কারণে অনিয়মের সম্ভাবনা থাকায় নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্তদের বদলির সুযোগ না দেওয়ার জন্য সবাই একমত হয়েছেন। শিগগিরই চূড়ান্ত বদলি নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।

এক কর্মকর্তা বলেন, “কর্মশালায় টেলিটকের মাধ্যমে বদলি সফটওয়্যার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যার তৈরিতে কী ধরনের সহযোগিতা দরকার তা লিখিতভাবে জানানো হবে এবং সফটওয়্যারটি কীভাবে কাজ করবে, সেটিও নির্ধারণ করা হবে।”

জানা গেছে, এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে থাকায় শিক্ষাপেশার উন্নয়নে বাধা তৈরি হয়। তাই সরকার স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বদলির সুযোগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সফটওয়্যারের জটিলতার কারণে আগে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবারও আদালতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা বদলির দাবিতে রিট করলে কার্যক্রম স্থবির হয়েছিল।

কর্মশালার পর জানা গেছে, এবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষকদের বদলির সুযোগ বাস্তবায়িত হবে এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বদলি শিগগিরই শুরু হবে।

মন্তব্য করুন

ভাইভা শেষের দুই বছরের বেশি সময়েও ফল প্রকাশ হয়নি, দ্রুত নিয়োগের দাবি

মাউশির ৬১০ পদের ফল প্রকাশের দাবিতে রংপুরে চাকরিপ্রার্থীদের মানববন্ধন

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ১০ম গ্রেডের চার ক্যাটাগরির ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ও দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর কাচারীবাজার এলাকায় শিক্ষা ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মসূচি শেষে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং মাউশির আঞ্চলিক পরিচালকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন চাকরিপ্রার্থীরা।

যে চার পদের ফল আটকে

চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ৪ হাজার ৩২টি পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাউশি। বিজ্ঞপ্তির আওতায় বিভিন্ন পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪২২টি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা কর্মরত রয়েছেন।

তবে একই বিজ্ঞপ্তির আওতায় ১০ম গ্রেডের চারটি পদের ৬১০টি পদে এখনো চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। পদগুলো হলো—

  • প্রদর্শক—৫১৪টি

  • গবেষণা সহকারী—২১টি

  • সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার—৬৯টি

  • ল্যাবরেটরি সহকারী—৬টি

আন্দোলনকারীদের দাবি, এসব পদের লিখিত পরীক্ষার ফল ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। এরপর ৪ মে থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ৬ জুন শেষ হয়। কিন্তু ভাইভা শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি।

‘আমরা অনিশ্চয়তায়’

মাউশির নিয়োগ-২০২০ চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদের সদস্য আকতারা আঁখি বলেন, ‘প্রদর্শক (উদ্ভিদবিদ্যা) পদে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভাইভাতেও অংশ নিয়েছি। ৬১০টি পদের বিপরীতে প্রায় ৭ হাজার চাকরিপ্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এখন যদি ফল আটকে রাখা হয়, তাহলে আমাদের কী হবে? আমরা তো অন্যায্য কিছু দাবি করছি না।’

পরিষদের সভাপতি জোবায়ের আহমেদ বলেন, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় অধিকাংশ পদের ফল প্রকাশ হলেও চারটি ক্যাটাগরির ফল আটকে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাউশি ও মন্ত্রণালয়ে ঘুরেও তারা কোনো কার্যকর সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী। একই নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন দ্বৈতনীতি কেন হবে? আমাদের একবার মন্ত্রণালয়ে, আবার মাউশিতে পাঠানো হচ্ছে। আমরা যেন ফুটবলের মতো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরছি।’

চার দফা দাবি

স্মারকলিপিতে চাকরিপ্রার্থীরা চার দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—

১. অবশিষ্ট ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফলাফল অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা।
২. ফল প্রকাশের পর নিয়োগসংক্রান্ত প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা।
৩. নিয়োগপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রার্থীদের স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া।
৪. নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা।

এ বিষয়ে মাউশির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক গোলাম মাজেদ বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। পাশাপাশি মহাপরিচালকের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ভাইভা শেষের দুই বছরের বেশি সময়েও ফল প্রকাশ হয়নি, দ্রুত নিয়োগের দাবি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ১০ম গ্রেডের চার ক্যাটাগরির ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ও দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবিতে রংপুরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর কাচারীবাজার এলাকায় শিক্ষা ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। কর্মসূচি শেষে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং মাউশির আঞ্চলিক পরিচালকের মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন চাকরিপ্রার্থীরা।

যে চার পদের ফল আটকে

চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ৪ হাজার ৩২টি পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাউশি। বিজ্ঞপ্তির আওতায় বিভিন্ন পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪২২টি পদের নিয়োগপ্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরা কর্মরত রয়েছেন।

তবে একই বিজ্ঞপ্তির আওতায় ১০ম গ্রেডের চারটি পদের ৬১০টি পদে এখনো চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি। পদগুলো হলো—

  • প্রদর্শক—৫১৪টি

  • গবেষণা সহকারী—২১টি

  • সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার—৬৯টি

  • ল্যাবরেটরি সহকারী—৬টি

আন্দোলনকারীদের দাবি, এসব পদের লিখিত পরীক্ষার ফল ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। এরপর ৪ মে থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ৬ জুন শেষ হয়। কিন্তু ভাইভা শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়নি।

‘আমরা অনিশ্চয়তায়’

মাউশির নিয়োগ-২০২০ চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী ঐক্য পরিষদের সদস্য আকতারা আঁখি বলেন, ‘প্রদর্শক (উদ্ভিদবিদ্যা) পদে মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার পর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ফল প্রকাশ করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভাইভাতেও অংশ নিয়েছি। ৬১০টি পদের বিপরীতে প্রায় ৭ হাজার চাকরিপ্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এখন যদি ফল আটকে রাখা হয়, তাহলে আমাদের কী হবে? আমরা তো অন্যায্য কিছু দাবি করছি না।’

পরিষদের সভাপতি জোবায়ের আহমেদ বলেন, একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় অধিকাংশ পদের ফল প্রকাশ হলেও চারটি ক্যাটাগরির ফল আটকে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাউশি ও মন্ত্রণালয়ে ঘুরেও তারা কোনো কার্যকর সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশী। একই নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন দ্বৈতনীতি কেন হবে? আমাদের একবার মন্ত্রণালয়ে, আবার মাউশিতে পাঠানো হচ্ছে। আমরা যেন ফুটবলের মতো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ঘুরছি।’

চার দফা দাবি

স্মারকলিপিতে চাকরিপ্রার্থীরা চার দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—

১. অবশিষ্ট ৬১০টি পদের চূড়ান্ত ফলাফল অনতিবিলম্বে প্রকাশ করা।
২. ফল প্রকাশের পর নিয়োগসংক্রান্ত প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা।
৩. নিয়োগপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রার্থীদের স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়া।
৪. নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা।

এ বিষয়ে মাউশির রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক গোলাম মাজেদ বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা তাদের দাবিগুলো লিখিতভাবে জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। পাশাপাশি মহাপরিচালকের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

মন্তব্য করুন

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০১ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার

জাতি গঠনে শিক্ষকদের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এবার দেশের ১০১ জন গুণী শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা দিতে যাচ্ছে সরকার। এর আগে এই সম্মাননা দেওয়া হতো মাত্র ১২ জন শিক্ষককে। এবার সেই সংখ্যা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ৫ অক্টোবর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন।

সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষককে ২ লাখ টাকা, একটি ক্রেস্ট এবং সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা—সব পর্যায়ের শিক্ষক

এবারের সম্মাননায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা, সাধারণ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা, কৃষি এবং প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থান পেয়েছেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন পর্যায় থেকে মোট ১০১ জনকে সম্মাননা দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে—

  • প্রাথমিক শিক্ষা: ১০ জন

  • মাধ্যমিক শিক্ষা: ২০ জন

  • কলেজ: ২৫ জন

  • সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়: ২০ জন

  • চিকিৎসা শিক্ষা: ১০ জন

  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ৩ জন

  • প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়: ৩ জন

  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়: ৪ জন

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত: ৬ জন

তবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি ইতোমধ্যে ৯৫ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে। যাচাই-বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিরূপ বা নেতিবাচক তথ্য পাওয়া গেলে তার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি পর্যায়ে ১০ শিক্ষক

প্রাথমিক পর্যায়ে নির্বাচিত ১০ শিক্ষকের মধ্যে সাধারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে রয়েছেন ঢাকার সেনপাড়া পর্বতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, জামালপুরের ডি-বালিয়ামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সজিবুল হাসান, চাঁদপুরের বিঞ্চদী আজিমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা, বগুড়ার আমলীতলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আয়েশা সিদ্দিকাসহ আটজন।

ইবতেদায়ি পর্যায় থেকে সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী কামিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি জুনিয়র শিক্ষক মোছা. আকলিমা আক্তার এবং পটুয়াখালীর ওয়ায়েজিয়া কামিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ি প্রধান মো. নুরে আলম।

মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ শিক্ষক

মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষা, দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা—এই তিন শাখা থেকে মোট ২০ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়েছে।

সাধারণ বিদ্যালয় থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদপুরের কাজী সিরাজুল ইসলাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর পাচজুনিয়া ধানখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মু. কুতুব উদ্দিন তালুকদার, ঢাকার গভ. বয়েজ হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক এ.কে.এম মিজানুর রহমান, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. রশীদ আলম এবং চাঁদপুরের সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন।

দাখিল পর্যায় থেকে পাঁচজন এবং কারিগরি মাধ্যমিক পর্যায় থেকেও পাঁচজন শিক্ষক এই তালিকায় রয়েছেন।

কলেজ পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২৫ জন

এবারের সম্মাননায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন কলেজ পর্যায় থেকে। সাধারণ কলেজ, কারিগরি শিক্ষা ও মাদ্রাসা—তিন বিভাগ মিলিয়ে মোট ২৫ জন শিক্ষককে নির্বাচন করা হয়েছে।

সাধারণ কলেজ থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদপুরের সরকারি আইন উদ্দীন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ টিপু সুলতান, নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু তাহের খান, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ হোসেন, রাজশাহী কলেজের অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল ইসলাম, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যাপক ড. তৌহিদা জেসমিন শম্পা।

কারিগরি কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায় থেকেও পাঁচজন করে শিক্ষক সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে খ্যাতিমান শিক্ষকেরা

সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত ২০ জনের মধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক খ্যাতিমান শিক্ষক রয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রয়াত অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দীন খান।

এ তালিকায় রসায়ন, জীববিজ্ঞান, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স, আইনসহ বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষকেরাও রয়েছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. অরুণ কুমার বসাক, ড. মো. ইব্রাহীম হোসেন মন্ডল ও ড. মো. গোলাম ছাদিক; চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), ড. আ ন ম মুনির আহমেদ চৌধুরী ও ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং জাহাঙ্গীরনগর ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মাননা পাচ্ছেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. নোভা আহমেদ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান মল্লিক।

চিকিৎসা, কৃষি ও প্রকৌশল শিক্ষায়ও সম্মাননা

চিকিৎসা শিক্ষা থেকে মোট ১০ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ছাড়াও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক খ্যাতিমান চিকিৎসক-শিক্ষক এই তালিকায় রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হবে।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত তিনজন হলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. বাহানুর রহমান, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়া এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম।

প্রকৌশল ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষাতেও থাকছে বিশেষ স্বীকৃতি। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের তালিকায় রাখা হয়েছে।

শিক্ষকদের অবদানকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

শিক্ষকরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না; তাঁরা একটি প্রজন্মের জ্ঞান, মূল্যবোধ ও চিন্তাভাবনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এই সম্মাননা আয়োজনকে শিক্ষাক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এবার ১২ জনের পরিবর্তে ১০১ জন শিক্ষককে সম্মাননার আওতায় আনার ফলে দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকরা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

মন্তব্য করুন
×