জিএসটি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, যুক্ত হতে পারে আরও ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

ডিসিইউ ও তিতুমীর কলেজের সমন্বয়হীনতা, ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) ও তিতুমীর কলেজ প্রশাসনের মধ্যকার সমন্বয়হীনতার কারণে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ডিসিইউ থেকে ভর্তির নোটিশ দেওয়া হলেও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন এখনো নিজস্ব বিজ্ঞপ্তি ও ফরম প্রকাশ করেনি। ফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দূরদূরান্ত থেকে ক্যাম্পাসে আসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না এবং তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।


সংশ্লিষ্ট বিভাগের অফিস সহায়কদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলেজের অধ্যক্ষ এখনো ক্যাম্পাসে উপস্থিত না থাকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি ক্যাম্পাসে এসে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করলেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। নোটিশ না থাকায় ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।


এই অব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ইংরেজি বিভাগে ভর্তিচ্ছু রাকিবুল হাসান জানান, ডিসিইউর নোটিশ থাকার পরও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন কেবল অজুহাত দিচ্ছে। অন্যদিকে, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে আসা এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক ভবনের প্রথম তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি নেওয়া হবে না, আবার দ্বিতীয় তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি চলবে। এছাড়া বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাতও দেওয়া হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে তাদের আবারও কলেজে আসার উপক্রম হয়েছে।


ক্যাম্পাসে এমন অচলাবস্থা বিরাজ করলেও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তির কাজ চলছে। উল্লেখ্য, ডিসিইউর বিজ্ঞপ্তিতে প্রথমে ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ভর্তির সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও, পরে তা বাড়িয়ে ১৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তিতে নটর ডেম ও হলিক্রসের বিশেষ শর্ত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজধানীর নটর ডেম কলেজ ও হলিক্রস কলেজ। দুই কলেজেই নিজস্ব ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। জিপিএ ও অন্যান্য একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি ভর্তিচ্ছুদের জন্য কিছু বিশেষ শর্তও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

এর মধ্যে নটর ডেম কলেজ ধূমপায়ীদের আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে হলিক্রস কলেজ জানিয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নটর ডেম কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কলেজ নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, কলেজের আইডি কার্ড ব্যবহার এবং নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণে অনাগ্রহী শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে ধূমপায়ীদেরও আবেদন না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে হলিক্রস কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে নিয়মিত ক্লাস ও ব্যবহারিক ক্লাসে উপস্থিতি, নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, শরীরচর্চা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব নিয়ম মানতে অনাগ্রহী বা আপত্তি রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদের আবেদন না করার পরামর্শ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি দেওয়া হবে। পাশাপাশি কলেজে মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব নিয়ম ও শর্তে যাদের আপত্তি রয়েছে, তাদেরও আবেদন না করার জন্য বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা ১৬ জানুয়ারি, থাকছে না প্রাথমিক বাছাই

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এবারও প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছাড়াই শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। আগামী বছরের ১৬ জানুয়ারি এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা হয়েছিল। এবারও একই পদ্ধতিতে প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছাড়াই কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

তবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন কবে শুরু হবে, আবেদনের যোগ্যতা, আবেদন ফি এবং লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত পদ্ধতি সম্পর্কে সোমবারের বিজ্ঞপ্তিতে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি জানিয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে।

মন্তব্য করুন

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন, উঠছে বৈষম্যের প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পাশাপাশি বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা নিজেদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

গত ২৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সোমবার (৩১ আগস্ট) সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি অনুমোদন পেতে পারে বলে আলোচনা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ায় এটি সিন্ডিকেটে আলাদাভাবে অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী সোমবার রাতে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেটাই চূড়ান্ত। এটা সিন্ডিকেটে আর আলাদা করে পাস হওয়ার দরকার নেই।’

কেন আলাদা প্রশ্নপত্র

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের পেছনে মূলত দুটি যুক্তি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের মতে, ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়। এতে দেশের মেধাপাচার বা ‘ব্রেইন ড্রেন’ বাড়ছে।

ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ বাড়ানো গেলে তাদের একটি অংশ দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

এর আগে গত ২ আগস্ট নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় বিজ্ঞান ইউনিটের ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম অনুযায়ী পৃথক প্রশ্নপত্র করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বৈষম্যের আশঙ্কা শিক্ষকদের

তবে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের আশঙ্কা, আলাদা প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকে মনে করছেন, যদি ইংরেজি মাধ্যমের জন্য আলাদা প্রশ্ন করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদা প্রশ্নের দাবি উঠতে পারে। তাদের মতে, ভর্তি পরীক্ষায় সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের কাঠামো এমন হওয়া উচিত, যাতে ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীরা সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারেন।

আলাদা প্রশ্নে বাড়বে চ্যালেঞ্জ: অধ্যাপক মজিবুর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান আলাদা প্রশ্নপত্রের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আলাদা প্রশ্ন করলে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে সামনে। ইংলিশ মিডিয়ামের শিক্ষার্থী খারাপ করলে অভিযোগ আসবে, আলাদা প্রশ্ন করাতে খারাপ করছে। বাংলা মিডিয়ামের জন্য প্রশ্ন সহজ হয়েছে। কিংবা উল্টোটা হবে—ইংলিশ মিডিয়ামের প্রশ্ন সহজ হয়েছে, এ কারণে তারা বেশি চান্স পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় প্রবেশাধিকার এবং চাকরিতে প্রবেশাধিকার—বর্তমান প্রজন্মের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চাকরিতে প্রবেশাধিকার নিয়ে দেশজুড়ে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত দূরদর্শী নয়।’

অধ্যাপক মজিবুর রহমানের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় দেশের সব অনুমোদিত শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ থাকা উচিত।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রশ্নের প্যাটার্নটাও বদলাতে হবে। প্রশ্নটা করতে হবে এমন, যাতে সবার সমান সুযোগ থাকে। আমাদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা কিংবা যেগুলো সরকার অনুমোদিত, আমরা চাই সবাই সমান সুযোগ পাক। কারও প্রতি বৈষম্য না হোক।’

তার ভাষ্য, আলাদা প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বৈষম্য কমানোর বদলে আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অস্থিতিশীলতার আশঙ্কাও তৈরি করতে পারে।

ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে আগে থেকেই আলাদা ব্যবস্থা

ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্রে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এবার বিজ্ঞান ইউনিটেও একই ধরনের পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে বাংলা মাধ্যমের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা এবং নির্ধারিত দুটি বিষয়ের একটিসহ এমসিকিউ ও লিখিত মিলিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি এবং গণিত, পরিসংখ্যান বা অর্থনীতির নির্ধারিত বিষয়ের সমন্বয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।

ইংরেজি মাধ্যমের এ-লেভেল ও সমমানের শিক্ষার্থীদের জন্য আবার English, Advanced English এবং ব্যবসায় শিক্ষা, হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতি বা গণিতের নির্ধারিত বিষয় নিয়ে পৃথক কাঠামোয় ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এখন বিজ্ঞান ইউনিটেও ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের কারিকুলাম অনুযায়ী একই ধরনের পৃথক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সিদ্ধান্ত নিয়ে যা বলছে প্রশাসন

সিদ্ধান্তের ফলে বৈষম্য তৈরি হবে কি না—এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

তিনি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অন্তত সাত-আটটি মিটিং হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।’

ফলে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই বিজ্ঞান ইউনিটে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রশ্নপত্রের ব্যবস্থা কার্যকর হতে যাচ্ছে। তবে সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের পর ভর্তি পরীক্ষায় সমতা ও সুযোগের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হয়, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক।

৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।

এ ছাড়া মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ এ দুই শ্রেণির জন্য মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

তবে সংরক্ষিত কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সংরক্ষিত আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে তাদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। কোনো কর্মকর্তা নিজেই দপ্তরপ্রধান হলে তার এক ধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষা থাকছে না

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের পর শিক্ষার্থীর ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনা করে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

নির্ধারিত ফি দিয়ে একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে ভর্তি কার্যক্রম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় হবে। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনকারীদের সুযোগ

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

তবে নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়ায় কোনো শিক্ষার্থী কলেজ-মাদ্রাসায় ভর্তির সুযোগ না পেলে, প্রত্যাশিত প্রতিষ্ঠান না পেলে কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে না পারলে ২৩ সেপ্টেম্বরের পরও তাদের ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণে ১৩ লাখ আবেদন

এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

তবে আসনসংখ্যা পর্যাপ্ত থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, অপেক্ষাকৃত ভালো ও জনপ্রিয় কলেজগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

মন্তব্য করুন

২০২৬ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এবং মূল পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রকাশ করতে হবে। এরপর মূল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা–এর অধিভুক্ত সব উচ্চমাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ফরম পূরণের বিস্তারিত সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে। বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×