জিএসটি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা, যুক্ত হতে পারে আরও ৩ বিশ্ববিদ্যালয়

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চে তিন দিনে চারটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আরও ২-৩টি বাড়তে পারে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৯ মার্চ ২০২৭। পরদিন ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা। আর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ ২০২৭।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় এসব তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তবে ভর্তি আবেদনের সময়সূচি, আবেদন ফি ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

থাকছে ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

এবারও গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকছে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো—ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছর এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে মোট আসন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। এখন পর্যন্ত গত বছরের গুচ্ছভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়নি।

যুক্ত হতে চায় নতুন তিন বিশ্ববিদ্যালয়

এদিকে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নতুন তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হলো বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি বর্তমানে শিক্ষা কার্যক্রমের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে গুচ্ছভুক্ত হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রমও সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে চূড়ান্তভাবে তারা গুচ্ছে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তিতে নটর ডেম ও হলিক্রসের বিশেষ শর্ত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজধানীর নটর ডেম কলেজ ও হলিক্রস কলেজ। দুই কলেজেই নিজস্ব ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। জিপিএ ও অন্যান্য একাডেমিক যোগ্যতার পাশাপাশি ভর্তিচ্ছুদের জন্য কিছু বিশেষ শর্তও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি।

এর মধ্যে নটর ডেম কলেজ ধূমপায়ীদের আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে হলিক্রস কলেজ জানিয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নটর ডেম কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কলেজ নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, কলেজের আইডি কার্ড ব্যবহার এবং নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণে অনাগ্রহী শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে ধূমপায়ীদেরও আবেদন না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে হলিক্রস কলেজের বিজ্ঞপ্তিতে নিয়মিত ক্লাস ও ব্যবহারিক ক্লাসে উপস্থিতি, নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান, শরীরচর্চা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব নিয়ম মানতে অনাগ্রহী বা আপত্তি রয়েছে—এমন শিক্ষার্থীদের আবেদন না করার পরামর্শ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিবাহিত শিক্ষার্থীদের আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন কোনো শিক্ষার্থী বিয়ে করলে তাকে টিসি দেওয়া হবে। পাশাপাশি কলেজে মোবাইল ফোন আনা ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব নিয়ম ও শর্তে যাদের আপত্তি রয়েছে, তাদেরও আবেদন না করার জন্য বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তি: প্রথম ধাপের ফল কাল রাত ৮টায়

 

আবেদন করেছেন ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ শিক্ষার্থী, নিশ্চয়ন ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল আগামীকাল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। একযোগে ফল প্রকাশের বিষয়টি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানা গেছে।

বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। আবেদন গ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন। এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ফল প্রকাশের পর যা করতে হবে

প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। এজন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

এরপর শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। কলেজে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। আর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

যেভাবে ফল দেখা যাবে

একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

এরপর হোমপেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। ক্যাপচা কোড পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে ফলাফল স্ক্রিনে দেখা যাবে। সেখানে শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

বিইউপির ভর্তি পরীক্ষা জানুয়ারিতে, ৬ অনুষদের সূচি প্রকাশ

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা। ছয়টি অনুষদের পরীক্ষা চার দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৩১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১ ও ৯ জানুয়ারি বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২ জানুয়ারি নেওয়া হবে আর্টস ও সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের পরীক্ষা।

এ ছাড়া ৮ জানুয়ারি সায়েন্স ও টেকনোলজি অনুষদ, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি অনুষদ, মেডিকেল স্ট্যাডিজ অনুষদ এবং সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

অর্থাৎ, ছয়টি অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা ১, ২, ৮ ও ৯ জানুয়ারি—এই চার দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

তবে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদনের সময়সূচি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। আবেদন শুরুর ও শেষ হওয়ার তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

সরকারি স্কুলে ভর্তি: স্কুলে ভর্তিতে ৬৩ শতাংশই কোটা

সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। তবে লটারিভিত্তিক এই প্রক্রিয়ায় ভালো স্কুল পাওয়ার অনিশ্চয়তা ও বিভিন্ন কোটার কারণে অনেক অভিভাবকের মধ্যে প্রশ্ন ও শঙ্কা রয়ে গেছে। বিশেষ করে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ঘিরে আপত্তি আরও বেশি।

৬৩ শতাংশ আসন কোটা বণ্টনে
প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী, মোট শূন্য আসনের ৬৩ শতাংশই বিভিন্ন কোটায় বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা ৪০ শতাংশ, যা নিয়েই আপত্তি সবচেয়ে বেশি। ঢাকায় অস্থায়ীভাবে থাকা অনেক অভিভাবক মনে করেন, এই কোটা তাদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির কর্মকর্তারা বলছেন, বিশৃঙ্খলা এবং দীর্ঘ ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট কোটা রাখা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকার স্কুলে পড়ার সুযোগ পায়।

প্রত্যয়নপত্রে ভোগান্তি ও জালিয়াতির অভিযোগ
ক্যাচমেন্ট কোটার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। ভাড়াটিয়া পরিবারগুলোর জন্য এটি অনেক সময় কষ্টকর হয়ে ওঠে।

মালিবাগের অভিভাবক করিম ইসলাম জানান, গত বছর তিনি ক্যাচমেন্ট কোটার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ,
“অনেকেই আবেদন করার সময় সুবিধাজনক এলাকা দেখিয়ে ক্যাচমেন্ট সুবিধা নেয়। লটারিতে টিকে গেলে পরে টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি।”

অন্যান্য কোটাগুলো
নীতিমালা অনুযায়ী বাকি ২৩ শতাংশ কোটায় রয়েছে—

  • মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৫%

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তান: ১%

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী: ১০%

  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী: ২%

  • অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ/সহোদর: ৫%

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বাধ্যতামূলকভাবে বরাদ্দ রাখতে হবে।

অলিখিতভাবে আরও একটি কোটা রয়েছে— দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানদের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীর সন্তানরাও কোটা সুবিধা পান।

কোটা নিয়ে মতভেদ
মাউশির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সন্তানের জন্য রাখা কোটার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। ক্যাচমেন্ট নিয়েও জালিয়াতির প্রমাণ রয়েছে। নিয়ম শক্তভাবে মানলে সমস্যা কমবে।”

নীতিমালা পরিবর্তনে আলোচনা হতে পারে
মাউশির মহাপরিচালক  বি এম আব্দুল হান্নান সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রণালয়ের সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারও লটারি হবে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্টরা আপত্তি তোলে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।”

মন্তব্য করুন

ভর্তি তথ্যের সবকিছু এক প্ল্যাটফর্মে, শিক্ষার্থীদের জন্য ‘অ্যাডমিশন হাব’

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ভর্তি পরীক্ষা, মানবণ্টন ও নেগেটিভ মার্কিং কত, আবেদন কখন শুরু ও শেষ, ফি কত কিংবা ফলাফল কোথায়—ভর্তি-সংক্রান্ত এসব তথ্য এখন পাওয়া যাবে এক প্ল্যাটফর্মেই। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এমনই উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এক স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী।

ভর্তি পরীক্ষার মৌসুমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। কোথায় কখন পরীক্ষা, কোন বিষয়ে কত নম্বর, নেগেটিভ মার্কিং কত, আবেদন কখন শুরু ও শেষ, আবেদন ফি কত কিংবা ফলাফল কোথায় প্রকাশ হয়েছে—এসব তথ্য খুঁজতে গিয়ে সময় অপচয়ের পাশাপাশি ভোগান্তিতেও পড়তে হয় ভর্তি-ইচ্ছুকদের।

শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি কমিয়ে ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও বিভিন্ন সহায়ক সেবা একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফার্ম স্ট্রাকচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম তালুকদার। তাঁর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ‘অ্যাডমিশন হাব’। ভর্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারবেন।

এক প্ল্যাটফর্মে ভর্তি পরীক্ষার তথ্য

‘অ্যাডমিশন হাব’-এ পরীক্ষার সময়, তথ্য, আবেদন, অ্যাডমিট, ফলাফল, সাবজেক্ট রিভিউ এবং ভর্তি ব্লগ ও গাইড—এই সাতটি প্রধান সুবিধা রাখা হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ও সময়, কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা হবে এবং নেগেটিভ মার্কিং কত—এসব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে। পাশাপাশি আবেদনের শুরুর ও শেষ তারিখ, বিভিন্ন বিভাগ বা ইউনিটের আবেদন ফি এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখার সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোডের সময়সীমা জানা যাবে এবং প্ল্যাটফর্ম থেকেই তা ডাউনলোড করা যাবে।

ফলাফলও পাওয়া যাবে এক জায়গায়

ভর্তি পরীক্ষার পর ফলাফল দেখার ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে না। ‘অ্যাডমিশন হাব’-এ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফল এক জায়গায় দেখার সুবিধা রাখা হয়েছে।

জানা যাবে পছন্দের বিষয়ের বিস্তারিত

প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ‘সাবজেক্ট রিভিউ’। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন ডিগ্রি ও বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

কোনো বিষয়ে কী পড়ানো হয়, কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি পড়ানো হয়, আসন সংখ্যা কত এবং ওই বিষয়ে পড়াশোনা শেষে কী ধরনের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে—এসব তথ্যও পাওয়া যাবে ‘সাবজেক্ট রিভিউ’তে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিটভিত্তিক ভর্তি গাইড

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ‘অ্যাডমিশন হাব’-এ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিটভিত্তিক ভর্তি গাইড। এসব গাইডে ভর্তি পরীক্ষার মানবণ্টন, আবেদনের প্রয়োজনীয় লিংক এবং প্রস্তুতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ও অনুষদভেদে ভর্তি-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদাভাবে সাজানো থাকায় শিক্ষার্থীরা পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় বা ইউনিটের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কেও সহজে ধারণা নিতে পারবেন।

থাকছে যাতায়াতসহ বিভিন্ন সহায়ক সুবিধা

ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি সহায়ক সুবিধাও রাখা হয়েছে প্ল্যাটফর্মটিতে। আবেদন করার সময় প্রয়োজন অনুযায়ী ছবি ও স্বাক্ষরের আকার নির্ধারিত মাপে পরিবর্তনের সুবিধা রয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন বাসের রুট ও ভাড়ার তথ্য, চলন্ত ট্রেনের বর্তমান অবস্থান ও বিলম্বের তথ্য, মেট্রোরেলের ভাড়ার তালিকা, সময়সূচি ও স্টেশনসংক্রান্ত তথ্য এবং ট্রেনের সময়সূচিও পাওয়া যাবে এখানে।

কৃষি গুচ্ছে আবেদন করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘কৃষি গুচ্ছ জিপিএ ক্যালকুলেটর’। এর মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী তাঁর এসএসসি ও এইচএসসির শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জিপিএ অনুযায়ী কৃষি গুচ্ছে আবেদন করার জন্য যোগ্য কি না, তা যাচাই করতে পারবেন।

যেভাবে উদ্যোগের শুরু

নতুন এ উদ্যোগ সম্পর্কে মো. জাহিদুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ভর্তি পরীক্ষার সময় একজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে ঘুরে ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতে হয়। তিনিও শিক্ষার্থী হিসেবে এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির চিন্তা আসে।

তিনি বলেন, ‘‘এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চেয়েছি, যেখানে একজন শিক্ষার্থী এক জায়গা থেকেই দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে পেতে পারে।’’

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট কমানো এবং সঠিক ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য সহজে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্ল্যাটফর্মটিতে আরও বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আসছে মোবাইল অ্যাপ

ওয়েব প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি বর্তমানে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরির কাজও চলছে। তবে অ্যাপটি এখনো চালু হয়নি। কাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে এটি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যোগটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

‘অ্যাডমিশন হাব’ ব্যবহার করা যাবে admission.talukdaracademy.com.bd ঠিকানায়।

মন্তব্য করুন

ডিসিইউ ও তিতুমীর কলেজের সমন্বয়হীনতা, ভর্তি কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) ও তিতুমীর কলেজ প্রশাসনের মধ্যকার সমন্বয়হীনতার কারণে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ডিসিইউ থেকে ভর্তির নোটিশ দেওয়া হলেও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন এখনো নিজস্ব বিজ্ঞপ্তি ও ফরম প্রকাশ করেনি। ফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দূরদূরান্ত থেকে ক্যাম্পাসে আসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না এবং তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।


সংশ্লিষ্ট বিভাগের অফিস সহায়কদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলেজের অধ্যক্ষ এখনো ক্যাম্পাসে উপস্থিত না থাকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। তিনি ক্যাম্পাসে এসে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করলেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। নোটিশ না থাকায় ম্যানেজমেন্টসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।


এই অব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। ইংরেজি বিভাগে ভর্তিচ্ছু রাকিবুল হাসান জানান, ডিসিইউর নোটিশ থাকার পরও তিতুমীর কলেজ প্রশাসন কেবল অজুহাত দিচ্ছে। অন্যদিকে, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে আসা এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক ভবনের প্রথম তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি নেওয়া হবে না, আবার দ্বিতীয় তলা থেকে বলা হচ্ছে ভর্তি চলবে। এছাড়া বিদ্যুৎ না থাকার অজুহাতও দেওয়া হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চাইলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে তাদের আবারও কলেজে আসার উপক্রম হয়েছে।


ক্যাম্পাসে এমন অচলাবস্থা বিরাজ করলেও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন দাবি করেছেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তির কাজ চলছে। উল্লেখ্য, ডিসিইউর বিজ্ঞপ্তিতে প্রথমে ১৩ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ভর্তির সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও, পরে তা বাড়িয়ে ১৭ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×