এইচএসসি ফল অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রকাশ হলে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে। ফল প্রকাশে দেরি হলে পিছিয়ে যেতে পারে ভর্তি পরীক্ষাও।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ৪ ডিসেম্বর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এইচএসসি ফলের ওপর

 

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৪ ডিসেম্বর আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ না হলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ৪ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করেছি। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে এইচএসসি ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশের ওপর।’

তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতির কারণে দেশের কিছু অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে শেষ হয়েছে। ফলে ফল প্রকাশেও কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আগামী অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে এইচএসসি ফল প্রকাশ হতে পারে।

মহাপরিচালক বলেন, অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে এইচএসসি ফল প্রকাশ করা সম্ভব হলে ৪ ডিসেম্বরই মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে। তবে এর মধ্যে ফল প্রকাশ না হলে জটিলতা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, এইচএসসি ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য প্রায় এক মাস সময় থাকে। ফলে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে ফল প্রকাশ করা সম্ভব না হলে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একই দিনে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও নম্বর বণ্টনসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

মন্তব্য করুন

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি: শূন্যপদের চাহিদা নেওয়া শুরু

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীদের জন্য একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারির প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের তথ্য বা চাহিদা সংগ্রহ শুরু করেছে সংস্থাটি।

চাহিদা দেওয়ার সময়সীমা:

  • শুরু: বুধবার (১৯ নভেম্বর)

  • শেষ: আগামী ২৮ নভেম্বর

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, যে সমস্ত পদ ৩০ সেপ্টেম্বরের (২০২৫) মধ্যে শূন্য হয়েছে, শুধুমাত্র সেই এমপিওভুক্ত পদগুলোর চাহিদা অনলাইনে দিতে হবে।

নির্দেশিকা ও নীতিমালা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে:

  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ থেকে জারি করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২০২০ সালের ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী প্যাটার্নভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিতে হবে।

  • শূন্যপদের তথ্য অনলাইনে দেওয়ার পর, প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে ই-রিকুইজিশন ফি জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • শুধুমাত্র এমপিওভুক্ত শূন্যপদের চাহিদা গ্রহণ করা হবে।

  • পূর্বের জারি করা কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় দেওয়া অনলাইন চাহিদা বহাল থাকবে না

  • অফলাইনে, হার্ডকপিতে বা ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো চাহিদা গ্রহণযোগ্য হবে না

এনটিআরসিএতে নিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিম্নলিখিত প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে অনলাইনে এই চাহিদা জমা দিতে পারবেন:

  •  ওয়েবসাইট: http://ngi.teletalk.com.bd

  • অথবা, এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের (www.ntrca.gov.bd) "ই-রিকুইজিশন" সেবা বক্সের "ই-রিকুইজিশন লগইন" অপশনে ক্লিক করে।

মন্তব্য করুন

ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কবে

এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা হবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। আর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পরীক্ষা হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে।

এদিকে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি ও আবেদনের তথ্য তুলে ধরা হলো—

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৫ ডিসেম্বর। ওই দিন আইবিএ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১২ ডিসেম্বর ‘এ’ ইউনিট, ১৯ ডিসেম্বর ‘বি’ ইউনিট, ২২ ডিসেম্বর চারুকলা ইউনিট এবং ২৬ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর। ১৭ ডিসেম্বর ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিট এবং ১৮ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তবে চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই ভর্তিচ্ছুদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এমআইএসটি

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর। ১৮ ডিসেম্বর ‘সি’ ইউনিট এবং ১৯ ডিসেম্বর ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান) এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (মানবিক) পরীক্ষা হবে।

প্রাথমিক আবেদন চলবে ১২ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ—এই সাতটি বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ১ জানুয়ারি ২০২৭। ওই দিন ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৮ জানুয়ারি ‘ই’ ইউনিট, ১৫ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ২২ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ২৩ জানুয়ারি ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

ভর্তির আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২টায়। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

কুয়েট

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৭।

খুলনা, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন বিভাগীয় শহরে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

রুয়েট

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ জানুয়ারি ২০২৭।

ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য গঠিত স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির সভাপতি ও রুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. কামরুজ্জামান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি। ওই দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৩০ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট, ৩ ফেব্রুয়ারি ‘বি১’ ইউনিট, ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বি২’ ইউনিট, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ডি’ ইউনিট এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে।

‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ইউনিটের পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নেওয়া হবে।

চবিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে ১৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

শাবিপ্রবি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি।

মেডিকেল ও ডেন্টাল

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ভর্তিচ্ছুদের প্রতি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে অফিসিয়াল নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তি: প্রথম ধাপের ফল কাল রাত ৮টায়

 

আবেদন করেছেন ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ শিক্ষার্থী, নিশ্চয়ন ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল আগামীকাল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। একযোগে ফল প্রকাশের বিষয়টি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্রে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জানা গেছে।

বোর্ড সূত্র জানায়, গত ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। আবেদন গ্রহণ শেষ হয় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দ দিতে পেরেছেন। এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ফল প্রকাশের পর যা করতে হবে

প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। এজন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

এরপর শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। কলেজে মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। আর নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

যেভাবে ফল দেখা যাবে

একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফল দেখতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে একাদশ শ্রেণির ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

এরপর হোমপেজে থাকা ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে ক্লিক করে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। ক্যাপচা কোড পূরণ করে ‘সাবমিট’ করলে ফলাফল স্ক্রিনে দেখা যাবে। সেখানে শিক্ষার্থী কোন কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা জানা যাবে।

মন্তব্য করুন

একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক।

৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দেশের কলেজ ও সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে।

এ ছাড়া মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ এ দুই শ্রেণির জন্য মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

তবে সংরক্ষিত কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। সংরক্ষিত আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে তাদের মধ্য থেকেই মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

এ ক্ষেত্রে আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। কোনো কর্মকর্তা নিজেই দপ্তরপ্রধান হলে তার এক ধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষা থাকছে না

এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণের পর শিক্ষার্থীর ফলাফল, পছন্দক্রম এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনা করে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

নির্ধারিত ফি দিয়ে একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে ভর্তি কার্যক্রম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি পৃথক প্রক্রিয়ায় হবে। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় কেন্দ্রীয় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।

পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তনকারীদের সুযোগ

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।

তবে নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়ায় কোনো শিক্ষার্থী কলেজ-মাদ্রাসায় ভর্তির সুযোগ না পেলে, প্রত্যাশিত প্রতিষ্ঠান না পেলে কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে না পারলে ২৩ সেপ্টেম্বরের পরও তাদের ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুনর্নিরীক্ষণে ১৩ লাখ আবেদন

এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চার লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

তবে আসনসংখ্যা পর্যাপ্ত থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, অপেক্ষাকৃত ভালো ও জনপ্রিয় কলেজগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

মন্তব্য করুন

২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ১৪ মার্চ

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা চলবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এসএসসি পরীক্ষার এ সময়সূচি প্রকাশ করে।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হবে। তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনাও দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তাত্ত্বিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কাছে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দায়ী করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী শুধু নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ভিন্ন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। তবে কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবেন না।

সৃজনশীল/রচনামূলক, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে সরবরাহ করতে হবে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।

পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ বিষয়ে আবেদন প্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দৈনিক পত্রিকা এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এক নজরে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা

  • পরীক্ষা শুরু: ১৪ মার্চ ২০২৭

  • তাত্ত্বিক পরীক্ষা শেষ: ১৫ এপ্রিল ২০২৭

  • ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশনা: ২২ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে

  • প্রতিদিন পরীক্ষা শুরু: সকাল ১০টা

  • পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ: পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে

মন্তব্য করুন

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিসিইউ) স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ডিসিইউর রেজিস্ট্রার মো. শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্থানান্তর প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সাত কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ডিসিইউর সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রোগ্রামে স্থানান্তর করা হবে। গত ২৩ আগস্ট শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে শিক্ষা উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের নিয়ে অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নে ঢাবি ও ডিসিইউর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করা হবে। একই সঙ্গে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি ‘স্থানান্তর বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করা হবে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে উল্লিখিত তিন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের তালিকা, পরীক্ষার ফলাফল, সিলেবাস ও একাডেমিক রেগুলেশনের হার্ড ও সফট কপি ঢাবি থেকে ডিসিইউ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

শিক্ষার্থীদের স্থানান্তরসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দিতে ডিসিইউর প্রশাসনিক কার্যালয় এবং সাতটি সংযুক্ত কলেজে পৃথক ‘হেল্পডেস্ক’ চালু রাখা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

যেভাবে হবে পরীক্ষা

রোডম্যাপ অনুযায়ী, স্থানান্তরিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সিলেবাস অনুসারেই অনুষ্ঠিত হবে।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ হবে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। পরীক্ষা শুরু হবে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বর্ষের টার্মপেপার মূল্যায়ন সংশ্লিষ্ট কলেজের বিভাগগুলো সম্পন্ন করবে।

২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণ হবে অক্টোবর ২০২৬-এ। এ বর্ষের পরীক্ষা শুরু হবে নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে।

অন্যদিকে, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ফরম পূরণ হবে ডিসেম্বর ২০২৬-এ। পরীক্ষা শুরু হবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক রুটিন ও চূড়ান্ত তারিখ পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্রুত শিক্ষার্থীদের জানানো হবে বলে ডিসিইউর বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×