২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপার কাজের মান ও অগ্রগতি দেখতে রাত ১২টার পর প্রেসে যান মন্ত্রী

মধ্যরাতে ৬ ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবই ছাপার কাজের গুণগত মান ও অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানায় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত এসব ছাপাখানায় পরিদর্শনে যান তিনি।

পরিদর্শন করা ছাপাখানাগুলো হলো—মৌসুমী অফসেট প্রেস, ফাইজা প্রিন্টিং প্রেস, শৈলী প্রিন্টার্স, বর্ণশিখা অফসেট প্রিন্টার্স, সোনালী ওয়েব প্রিন্টার্স ও ন্যাশনাল প্রিন্টার্স।

ছাপার কাজ সরেজমিনে দেখলেন মন্ত্রী

পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন প্রেসে চলমান পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বই ছাপার প্রতিটি ধাপ খুঁটিয়ে দেখার পাশাপাশি কাগজ ও কালির গুণগত মান, বাঁধাইয়ের মান এবং মুদ্রণকাজের অগ্রগতি যাচাই করেন।

এ সময় পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। বই ছাপার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গুণগত ত্রুটি যাতে না থাকে, সে বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সময়মতো মানসম্মত বই পৌঁছানোর নির্দেশ

পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পাশাপাশি পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান বজায় রাখা এবং প্রতিটি ধাপে গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

মন্তব্য করুন

মেহেরপুরে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় নকল, চার শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মেহেরপুরে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) পরীক্ষায় নকলের ঘটনায় জড়িত চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দুই শিক্ষককে পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর ডিগ্রি কলেজে বাউবির অধীনে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা চলাকালে বই দেখে পরীক্ষা দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি নজরে আসার পর পরীক্ষার সময় নকলের সঙ্গে জড়িত চার পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষাসংক্রান্ত সব কার্যক্রম থেকে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এদিকে পরীক্ষায় নকলের ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলা ও মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

ঘটনার শিকার বাংলাদেশ বেতার ও নাগরিক টেলিভিশনের মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি রাব্বি আহমেদ শুক্রবার (২৯ আগস্ট) গাংনী থানায় মামলা করেন। মামলায় রফিকুজ্জামান ও মনিরুজ্জামান বিপ্লবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

চিকিৎসা ভাতা ৫০০, বাড়ি ভাড়া ১৫ শতাংশ সরকারি শিক্ষকদের তুলনায় বড় ব্যবধান

এমপিও শিক্ষকদের ভাতা বৈষম্য নিয়ে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চিকিৎসা ও বাড়ি ভাড়া ভাতা নিয়ে দীর্ঘদিনের বৈষম্য রয়েছে। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসে চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ৫০০ টাকা এবং মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পান। বিপরীতে সরকারি স্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত পাচ্ছেন। বাড়ি ভাড়াতেও রয়েছে বড় ধরনের ব্যবধান।

এ পরিস্থিতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভাতা বৈষম্য দূর করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

এ সময় তাকে জানানো হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বর্তমানে ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া পান। এ ছাড়া তাদের অন্যান্য ভাতা সুবিধাও সীমিত। অন্যদিকে সরকারি হাইস্কুল ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা চিকিৎসা ভাতা হিসেবে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা এবং বাড়ি ভাতা হিসেবে মূল বেতনের ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পেয়ে থাকেন।

এই বৈষম্য দূর করতে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না—জানতে চাইলে ড. মাহদী আমিন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন।’

নবম পে-স্কেলে এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা

এদিকে বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নবম পে-স্কেলের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি কার্যকর করতে পৃথক গেজেট জারি করতে হবে।

এখনও সেই গেজেট জারি না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন প্রায় ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী।

এ বিষয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পক্ষ থেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের বিষয়টি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শেষে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শিক্ষামন্ত্রী ড. মিলন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

মন্তব্য করুন

অক্টোবরের প্রথমার্ধে এমপিও শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের পরিকল্পনা

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের জন্য অক্টোবরের প্রথমার্ধকে লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বদলি প্রক্রিয়ায় থাকা বিভিন্ন জটিলতা নিরসনের পর সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষকদের বদলি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বদলির সার্বিক বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে অবহিত করা হয়। সভায় টেলিটকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে বদলির ফল প্রকাশের সময় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও প্রাথমিকভাবে অক্টোবরের প্রথমার্ধের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ]মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আবারও সভা হবে। সেখানে বদলি প্রক্রিয়ায় থাকা জটিলতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান করা হবে, সেটি জানার পর বদলির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময়সীমা বলা যাবে। যদি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়, তাহলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেও ফল প্রকাশ করা হতে পারে।’

যেসব বিষয়ে আলোচনা

সভা সূত্রে জানা গেছে, বদলির আবেদনে ভুল থাকা শিক্ষকদের আবেদন এডিট বা বাতিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। পাশাপাশি শূন্য পদ না থাকা এবং জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিস্থাপন হওয়া ১৯৫টি পদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা  বলেন, ‘যাদের আবেদনে ভুল হয়েছে, তাদের আবেদন এডিট বা বাতিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ইতিবাচক। তবে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত না থাকায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রোববারের সভায় বদলি নিয়ে বেশ কিছু বিষয় আলোচনা হলেও কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার আবারও সভা ডাকা হয়েছে।

সোমবার ফের সভা

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আগামীকাল সোমবার দুপুর ২টায় আবারও সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সোমবারের সভায় বদলি প্রক্রিয়ার জটিলতা নিরসনে সিদ্ধান্ত এলে ফল প্রকাশের সময়সীমা আরও স্পষ্ট হতে পারে।

মন্তব্য করুন

বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকদের জন্য মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করবে মাউশি

৫৪ হাজার শিক্ষককে ৪২ দিনের প্রশিক্ষণ, আবেদন ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

 

 

মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৫৪ হাজার শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্পের আওতায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষক এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনারদের একটি পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মাউশি জানায়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে।

গঠন হবে মাস্টার ট্রেইনার পুল

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনারদের একটি পুল প্রস্তুত করা হবে। এ জন্য মাউশির মহাপরিচালক একটি প্রশিক্ষক নির্বাচন নীতিমালা অনুমোদন করেছেন।

অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী, পেশাগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে মাস্টার ট্রেইনার নির্বাচন করা হবে।

যেসব শর্ত মানতে হবে

মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কর্তৃপক্ষের অগ্রায়ণপত্র দাখিল করতে হবে। ওই পত্রে আবেদনকারীকে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার অনুমতি এবং প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় প্রশিক্ষণে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনাপত্তি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে।

এ ছাড়া প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশিক্ষক হিসেবে অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র বা অফিস আদেশসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণক জমা দিতে হবে।

আবেদনের সময় বাড়ল

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদনের পূর্বনির্ধারিত শেষ সময় ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর। শিক্ষকদের অধিকতর অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে।

আগ্রহী ও যোগ্য শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত লিংকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

৫৪ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষকরা এ প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আবেদন করা যাবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মাউশির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা এবং শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

প্রকল্পের আওতায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনব্যাপী প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং দেওয়ার সংস্থান রাখা হয়েছে।

তৈরি হবে মাস্টার ট্রেইনার পুল

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য চার বিষয়ের দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ে একটি বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠন করা হবে। এ লক্ষ্যে মাউশির মহাপরিচালক কর্তৃক প্রশিক্ষক নির্বাচন নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে।

অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী, পেশাগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে যোগ্যদের বাছাই করে মাস্টার ট্রেইনার পুল প্রস্তুত করা হবে।

আবেদনে যেসব শর্ত

মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা কর্তৃপক্ষের অগ্রায়ণপত্র দাখিল করতে হবে। ওই অগ্রায়ণপত্রে আবেদনকারীকে মাস্টার ট্রেইনার প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের অনুমতি এবং প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য প্রশিক্ষণে ক্লাস নেওয়ার জন্য অনাপত্তি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীর প্রশিক্ষক হিসেবে অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র বা প্রযোজ্য অন্যান্য সনদ ও অফিস আদেশ থাকলে সেগুলোর প্রমাণকও দাখিল করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর

মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্য ও আগ্রহী শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত অনলাইন লিংকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

বিষয়ভিত্তিক মাস্টার ট্রেইনার পুল গঠনের পর তাদের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল বদলেছে? একাদশে আবেদনের সুযোগ

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের সংশোধিত ফলাফল একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদনের পোর্টালে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে এসব শিক্ষার্থী এখন নতুন করে একাদশে ভর্তির আবেদন করতে অথবা আগে করা আবেদন পরিমার্জন করতে পারবেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদনের পোর্টালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে পরিবর্তিত ফলাফলগুলো ভর্তি আবেদনের পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিক্ষার্থীর ফল পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে, তারা আবেদন না করে থাকলে নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। আর আগে আবেদন করে থাকলে পছন্দক্রমসহ আবেদন পরিমার্জনের সুযোগ পাবেন।

শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন আগামী রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। যারা ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে পারেননি, তারাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন। আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এবং রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগও থাকছে।

নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

মন্তব্য করুন
×