৪৯তম বিশেষ বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদান ১২ অক্টোবর

৪৯তম (বিশেষ) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে ৬৫১ জনকে প্রভাষক পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানের তারিখ ও আবাসিক ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির সময়সূচিও জানানো হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর পূর্বাহ্নে নিয়োগপ্রাপ্তদের সশরীরে যোগদান করতে হবে। এরপর ১২ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত আট দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ও ৫ অক্টোবর জারি করা দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ পাওয়া ৬১১ ও ৪০ জনসহ মোট ৬৫১ জনকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ৪৪,০০০ থেকে ১,০৫,৯০০ টাকা বেতনক্রমে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১২ অক্টোবর পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়ায় উপস্থিত হয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর যোগদানপত্র দাখিল করতে হবে। একই স্থানে ১২ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত আট দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, প্রার্থীদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। পরবর্তী সময়ে চাকরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশাগত ও বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।

এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ সময় সর্বোচ্চ আরও দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিশকালে কোনো প্রার্থীকে চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী মনে হলে কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।

বুনিয়াদি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন, বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে শেষ করার পর চাকরিতে স্থায়ী করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণে যাওয়ার আগে নিয়োগপ্রাপ্তদের কর্মস্থল থেকে অব্যাহতি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। পাশাপাশি একজন জামানতদারসহ ৩০০ টাকা মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ড করতে হবে। শিক্ষানবিশকালে বা শিক্ষানবিশকাল শেষ হওয়ার তিন বছরের মধ্যে চাকরি থেকে ইস্তফা দিলে প্রশিক্ষণকালে পাওয়া বেতন-ভাতা, অগ্রিম, ভ্রমণভাতা ও প্রশিক্ষণ বাবদ ব্যয়িত অর্থ ফেরত দিতে হবে।

এদিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে ধরে নেওয়া হবে এবং তার নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রচলিত সরকারি বিধি অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্তদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের লেখাপড়া, বিয়ে বা হজ-ওমরাহর খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

অবসরভাতা না পেয়ে অনিশ্চয়তায় ৮৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী

অবসরে যাওয়া শিক্ষক
অবসরে যাওয়া শিক্ষক

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী চার বছর ধরে অবসর ও কল্যাণ সুবিধা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। নিয়মিত চাঁদা দেওয়া সত্ত্বেও অবসরের পর তারা প্রাপ্য অর্থ পাচ্ছেন না। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অবসরের ছয় মাসের মধ্যে ভাতা পরিশোধ করার কথা থাকলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা বাস্তবায়ন করতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট জানিয়েছে, জমে থাকা আবেদন নিষ্পত্তিতে এখনই প্রয়োজন প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সম্প্রতি সরকার দিয়েছে মাত্র ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা—যার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা বন্ড আকারে অবসর সুবিধা বোর্ডে এবং ২০০ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে কল্যাণ ট্রাস্টে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই টাকায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও সংকট নিরসন হবে না। বর্তমানে একটি আবেদন নিষ্পন্ন হতে গড়ে আড়াই বছর সময় লেগে যাচ্ছে।

এদিকে, আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে চিকিৎসা ব্যয়, সন্তানদের লেখাপড়া, বিয়ে বা হজ-ওমরাহর খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন। কেউ কেউ ধারদেনা করে চলছেন, আবার অনেকে টাকা না পেয়ে মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা প্রাপ্য পাওয়ার জন্য ছুটছেন।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন না হলে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব ও সমাজে তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে। তরুণ প্রজন্মও শিক্ষা পেশায় আগ্রহ হারাতে পারে। তাদের মতে, শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার না দিয়ে অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত ব্যয় করাতেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।

অবসর সুবিধা বোর্ডের হিসাবে, বর্তমানে ৪৫ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন, যার জন্য প্রয়োজন ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে, কল্যাণ ট্রাস্টে ৪২ হাজার ৬০০ আবেদন জমে আছে, যা নিষ্পত্তি করতে লাগবে প্রায় ৩ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা। অথচ বোর্ডের মাসিক চাহিদা ৬৫ কোটি টাকা হলেও জমা হয় মাত্র ৫৫ কোটি টাকা, ফলে প্রতিবছর প্রায় ১২০ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

চাকরিকালে কাটা টাকা

অবসর সুবিধার জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৬% এবং কল্যাণ সুবিধার জন্য ৪% টাকা কেটে রাখা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও বছরে ১০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে—এর মধ্যে ৭০ টাকা অবসরের জন্য ও ৩০ টাকা কল্যাণের জন্য। অর্থাৎ, চাকরিকালে নিজেদের জমানো টাকা ফেরত পেতে এখন বছরের পর বছর ধরনা দিতে হচ্ছে শিক্ষকদের।

সমাধানের দাবি

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা বলছেন, সংকট সমাধানে প্রয়োজন এককালীন বিশেষ বরাদ্দ। নাহলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দুর্ভোগ দীর্ঘদিন চলতেই থাকবে।


 

মন্তব্য করুন

২০০০ বিধিতে আত্তীকৃত ২২৭ প্রভাষকের খসড়া তালিকা প্রকাশ

২০০০ বিধিতে আত্তীকৃত প্রভাষক পর্যায়ের ২২৭ শিক্ষকের চাকরি স্থায়ীকরণের লক্ষ্যে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০০০ বিধিতে আত্তীকৃত প্রভাষক পর্যায়ের শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণের লক্ষ্যে তাদের চাকরিসংক্রান্ত সার্বিক তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়ভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা এ খসড়া তালিকা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

খসড়া তালিকায় কোনো শিক্ষকের নামের পাশে মন্তব্য কলামে এসিআর (বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন) সংক্রান্ত মন্তব্য থাকলে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ওই মন্তব্যের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণক উপপরিচালক (কলেজ-১)-এর কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এসিআর সংক্রান্ত বিষয় ছাড়া বর্তমান কর্মস্থল, নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ, জন্মতারিখ, নিজ জেলা ইত্যাদি তথ্যের কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করার পরও খসড়া তালিকায় কোনো শিক্ষকের নাম না থাকলে তাকেও আবেদনপত্র ও প্রামাণ্য কাগজপত্র আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ddgovtcollege@gmail.com ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নিয়োগ, যোগদান, নিয়মিতকরণ, বিভাগীয় পরীক্ষা ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য হালনাগাদের পর অধ্যক্ষের মাধ্যমে পিডিএস (পার্সোনাল ডাটা শিট) অনুমোদন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, খসড়া তালিকায় প্রকাশিত তথ্য যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও প্রমাণক জমা দিতে হবে। পরবর্তী কার্যক্রমে এসব তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন মন্ত্রী মিলন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে আসছেন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি ও সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সভা শেষে মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন।

মন্তব্য করুন

অক্টোবরের প্রথমার্ধে এমপিও শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের পরিকল্পনা

বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের জন্য অক্টোবরের প্রথমার্ধকে লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বদলি প্রক্রিয়ায় থাকা বিভিন্ন জটিলতা নিরসনের পর সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) শিক্ষকদের বদলি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বদলির সার্বিক বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে অবহিত করা হয়। সভায় টেলিটকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে বদলির ফল প্রকাশের সময় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও প্রাথমিকভাবে অক্টোবরের প্রথমার্ধের মধ্যে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ]মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আবারও সভা হবে। সেখানে বদলি প্রক্রিয়ায় থাকা জটিলতাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান করা হবে, সেটি জানার পর বদলির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময়সীমা বলা যাবে। যদি সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়, তাহলে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেও ফল প্রকাশ করা হতে পারে।’

যেসব বিষয়ে আলোচনা

সভা সূত্রে জানা গেছে, বদলির আবেদনে ভুল থাকা শিক্ষকদের আবেদন এডিট বা বাতিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। পাশাপাশি শূন্য পদ না থাকা এবং জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিস্থাপন হওয়া ১৯৫টি পদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা  বলেন, ‘যাদের আবেদনে ভুল হয়েছে, তাদের আবেদন এডিট বা বাতিলের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ইতিবাচক। তবে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত না থাকায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রোববারের সভায় বদলি নিয়ে বেশ কিছু বিষয় আলোচনা হলেও কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে আলোচিত বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার আবারও সভা ডাকা হয়েছে।

সোমবার ফের সভা

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আগামীকাল সোমবার দুপুর ২টায় আবারও সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সোমবারের সভায় বদলি প্রক্রিয়ার জটিলতা নিরসনে সিদ্ধান্ত এলে ফল প্রকাশের সময়সীমা আরও স্পষ্ট হতে পারে।

মন্তব্য করুন

দেশের ৮০৮ শতবর্ষী স্কুল-কলেজের তালিকা মন্ত্রণালয়ে

দেশের শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তালিকায় ৮০৮টি বেসরকারি স্কুল-কলেজের নাম রয়েছে। ইতোমধ্যে তালিকাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে যোগ্য প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মাউশি থেকে শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়। বিষয়টি মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে নিশ্চিত করেছেন।

মাউশির পাঠানো তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এতে মোট ৮০৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিভাগের। এ বিভাগ থেকে ১৬৮টি প্রতিষ্ঠান তালিকায় স্থান পেয়েছে।

বিভাগভিত্তিক তালিকায় চট্টগ্রামের ১৫৯টি, খুলনার ১২৬টি, রাজশাহীর ১০১টি, ময়মনসিংহের ৭৪টি, বরিশালের ৬৯টি, রংপুরের ৬৯টি এবং সিলেট বিভাগের ৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূর্ণ তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

যেভাবে তৈরি হলো তালিকা

এর আগে গত ২৫ আগস্ট শতবর্ষী স্কুল ও কলেজের তালিকা প্রস্তুতের জন্য মাউশিকে নির্দেশনা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে তিন কার্যদিবসের মধ্যে শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাঠাতে বলা হয়।

মাউশি সূত্র জানায়, শিক্ষা মন

মন্তব্য করুন

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ ছয়টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ১০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে কমিটিগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

এদিন সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তাঁর পক্ষে সংসদের চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (বরগুনা-২) সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে এসব কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটিতে যারা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া ছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (ঢাকা-১৩), রেজা কিবরিয়া (হবিগঞ্জ-১), মো. সেলিমুজ্জামান মোল্লা (গোপালগঞ্জ-১), মো. জাহাঙ্গীর আলী মিয়া (মাদারীপুর-২), তাহসিনা রুশদীর (সিলেট-২), বীথিকা বিনতে হোসাইন (মহিলা আসন-২৪), মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১) এবং আতিকুর রহমান মুজাহিদ (কুড়িগ্রাম-২)।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ছাড়াও কৃষি, মহিলা ও শিশু, সড়ক পরিবহন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও এদিন গঠন করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন
×