নতুন শিক্ষানীতি নয়, প্রাথমিক শিক্ষায় আলাদা নীতিমালা হচ্ছে
কাল সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল, জানা যাবে দুই উপায়ে
টানা বিক্ষোভের পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী
সহকারী শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতি, বন্ধ ৬৫ হাজার স্কুল
বিদ্যালয়ে ভর্তির অনলাইন আবেদন বাড়ছে, পাঁচ দিনে আবেদন সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়েছে

নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের সংঘর্ষ, বহিরাগত তাণ্ডব ও সাংবাদিক হেনস্তা, রিপোর্ট রবিবার

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিক হেনস্তা এবং বহিরাগতদের তাণ্ডবের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আগামী রবিবার (৩০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, আহত শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে লিখিত বক্তব্যও গ্রহণ করেছে কমিটি। এ ছাড়া বিশ...

পাঠ্যবই ছাপায় ফের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, একাই ৮ লটে আনন্দ প্রিন্টার্স

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রে ফের ছাপাখানা মালিকদের সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) একাধিক লটে একক দরপত্র জমা পড়ায় এ অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। এর মধ্যে অষ্টম ও নবম শ্রেণির আটটি লটে একমাত্র দরদাতা হিসেবে অংশ নিয়েছে আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেড। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বই ছাপার আটটি লটে দরপত্র জমা দিয়েছে আনন্দ প্রিন্টার্স। এসব লটে অন্য কোনো ছাপাখানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়নি। ফলে একক দরদাতা হিসেবে সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ বেশি দর প্রস্তাব করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এনসিটিবির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের প্রতি ফর্মা (৮ পৃষ্ঠা) ছাপার প্রাক্কলিত দর নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ টাকা ৮৮ পয়সা। দরপত্রের নিয়ম অনুযায়ী প্রাক্কলিত দরের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেশি বা ১০ শতাংশ কম দর দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আনন্দ প্রিন্টার্স যে আটটি লটে একক দরপত্র জমা দিয়েছে, সেগুলোতে ১৫ লাখের বেশি বই রয়েছে। এসব বই ছাপাতে কয়েক কোটি ফর্মা প্রয়োজন হবে। প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ দেওয়া হলে শুধু এই আট লটের বই ছাপাতেই সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।’ তার অভিযোগ, ছাপাখানাগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন লট ভাগাভাগি করে নেওয়ায় কোনো কোনো লটে অন্য প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়নি। ফলে একক দরদাতা হিসেবে কিছু প্রতিষ্ঠান বেশি দর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। মূল্যায়নে বাদ পড়ছে আট লট এনসিটিবি সূত্র জানায়, একক দরপত্রের পাশাপাশি প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ বেশি দর দেওয়ায় আনন্দ প্রিন্টার্সের আটটি লটের দরপত্র মূল্যায়নে বাদ পড়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এসব লটে কাজ দিলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে—এমন বিবেচনায় মূল্যায়ন কমিটি লটগুলো বাতিলের সুপারিশ করেছে। লটগুলো বাতিল হলে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। আনন্দ প্রিন্টার্স লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. রাব্বানী জব্বারের সঙ্গে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আওয়ামী লীগের সাবেক নেতার প্রতিষ্ঠান আনন্দ প্রিন্টার্স রাব্বানী জব্বার সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই। ২০২১ সালে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাব্বানী জব্বার পাঠ্যবই ছাপার কাজের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে বর্তমান দরপত্রে আনন্দ প্রিন্টার্সের অংশগ্রহণ ও একক দরদাতা হওয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ‘সিন্ডিকেট করে কাউকে লাভবান হতে দেওয়া হবে না’ এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বলেন, ‘অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের টেন্ডার ওপেন করার পর তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মূল্যায়ন করেছেন। এটি এখন সরকারি ক্রয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে যদি কোনো লটের রি-টেন্ডার বা পুনঃদরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন পড়ে, সেটা করা হবে। কাউকে সিন্ডিকেট করে লাভবান হতে দেওয়া হবে না।’ ৩০ কোটির বেশি পাঠ্যবই ছাপানো হবে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানো হবে। এর মধ্যে মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির জন্য তিন কোটি ৯৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৫ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য পাঁচ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই রয়েছে। এসব পাঠ্যবই ছাপাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা। বিপুল পরিমাণ এ সরকারি কাজের দরপত্রে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত ব্যয় ঠেকানো নিয়ে এখন নজর রয়েছে এনসিটিবির পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে।

টানা বিক্ষোভের পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা নিট (NEET-UG)–এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের টানা বিক্ষোভের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শনিবার পদত্যাগ করেছেন। তাঁর পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি প্রহ্লাদ যোশীকে তাঁর বর্তমান দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেন। কর্ণাটকের ধারওয়াড় লোকসভা আসন থেকে নির্বাচিত প্রহ্লাদ যোশী বর্তমানে ভোক্তা অধিকার, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রণালয় এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি কয়লা, খনি ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও সামলেছেন। গত মে মাসের শেষ দিকে নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। জুনের শুরুতে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ভারতে ফিরে এসে দিল্লির যন্তর মন্তরের কাছে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অনিয়মের দায়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। পরে ২৮ জুন শিক্ষাবিদ ও অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করলে আন্দোলন আরও জোরদার হয়। টানা ২৬ দিন অনশন করার পর চলতি সপ্তাহে তিনি সরকারের আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করেন। এদিকে আন্দোলন দ্রুত ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বড় বড় শহরে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সরকার লিখিতভাবে আশ্বাস দেয়, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হবে না, সংসদে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির বিষয়টি উত্থাপন করা হবে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের পর আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সরকারের আশ্বাসে ওয়াংচুক অনশন ভাঙলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় থাকে সিজেপি। ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিপেটা এবং সরকারের কঠোর অবস্থানের পরও আন্দোলন অব্যাহত থাকে। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের লাগাতার চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এতে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি পূরণ হয়।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের তদন্ত শুরু

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) আওতাধীন স্কুল ও কলেজের একতলা ভবন নির্মাণের কাজ নির্ধারিত ৯ মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনেক ভবনের কাজ চার বছরেও শেষ হয়নি। অথচ বরাদ্দ অর্থের ৯০ শতাংশই ঠিকাদারদের দেওয়া হয়েছে, আর কাজের মানও খুব নিম্নমানের। অনেক প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। 이에 শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ২৩ অক্টোবর ইইডির প্রধান প্রকৌশলীকে পাঁচ প্রকৌশলী ও ১১ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ নভেম্বর ইইডি আদেশ জারি করে। ১৭ নভেম্বর ওই পাঁচ প্রকৌশলী ও ১১ ঠিকাদার প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে নির্দেশিত হয়েছেন। অনিয়মের অভিযোগে থাকা প্রকৌশলীদের মধ্যে রয়েছেন: তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী-২ মো. আসাদুজ্জামান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পিআরএল) মীর মুয়াজ্জেম হোসেন নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. জরজিসুর রহমান ঢাকা মেট্রোর উপসহকারী প্রকৌশলী এ কে এম মনিরুজ্জামান উপসহকারী প্রকৌশলী জামিল হোসেন একাধিক সূত্রের দাবি, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের নেতা ও ওএসডি প্রকৌশলী রায়হান বাদশার সঙ্গে আসাদুজ্জামান ও জরজিসুরের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে তাদের স্বপদে থাকা অবস্থায় তদন্ত কার্যক্রমের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ। নবনিযুক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী সাংবাদিককে জানান, “মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত কমিটি করেছি। কমিটি কাজ করছে।” নাটোর জেলার একাধিক স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিলমারিয়া দাখিল মাদরাসার কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২১ সালের ২২ জুন। ৭৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার কাজের মাত্র ৩০ শতাংশ বাকি থাকলেও ঠিকাদারকে ৭০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন, ফলে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে পারছে না। একাধিক ঠিকাদারের অভিযোগ, ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে ‘লাইসেন্স বাণিজ্য’ চলছে। দিনাজপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ আলমের প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ দেশে একাধিক জেলায় একচেটিয়া কাজ পাচ্ছে এবং লাইসেন্স ভাড়া বাবদ অর্থ রাজনৈতিক ফান্ডে যাচ্ছে। এর সঙ্গে প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান যুক্ত। অভিযোগে আরও বলা হয়, বিদ্যুৎ প্রকৌশলী জরজিসুর রহমানকে অভিজ্ঞতা, বিভাগ বা মেধাক্রম ছাড়াই যান্ত্রিক নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। নাটোরের কয়েকটি স্কুল ও কলেজের নির্মাণে অসংখ্য কোটি টাকা বিল পরিশোধ হলেও কাজ শেষ হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদার ও প্রকৌশলী মিলিত হয়ে বিল ভাগ-বাটোয়ারা করেছেন। তদন্ত কমিটি সোমবার সব পক্ষের বক্তব্য শুনবে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেবে।

‘শিক্ষার্থীদের শুধু ধর্মীয় জ্ঞানে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না’ — মাদ্রাসা বোর্ড চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিঞা নূরুল হক বলেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষা আর অবহেলিত থাকবে না। আধুনিক যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন কাঠামো ও দৃষ্টিভঙ্গিতে এগিয়ে নেওয়া হবে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) মানিকগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে মানিকগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজিত বর্ণাঢ্য রিইউনিয়ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চেয়ারম্যান আরও বলেন, আজকের শিক্ষার্থীদের শুধু ধর্মীয় জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। প্রযুক্তি, দক্ষতা, মানবিকতা এবং নেতৃত্বগুণের বিকাশ ঘটিয়ে তাদের আধুনিক শিক্ষার মূলধারায় এগিয়ে নিতে হবে। সরকারও মাদ্রাসা শিক্ষাকে সমান গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। রিইউনিয়ন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক সরকার মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল প্রফেসর মো. ওবায়দুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্মতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু সায়েম এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের ডিজিএম মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে নূর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আতিকুর রহমান, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম, মাওলানা সালাহ উদ্দিন, মাওলানা সামসুদ্দিন এবং প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মান্নান। রিইউনিয়নকে ঘিরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ ও সম্মাননা প্রদান।

ঢাবিতে বাংলা শিখতে আগ্রহ বাড়ছে চীনা শিক্ষার্থীদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা শেখা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার প্রতি চীনা শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। গত তিন বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে বাংলা ভাষার বিশেষ কোর্সে অংশ নেওয়া চীনা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ থেকে বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ২০২৪ সালের তুলনায় চলতি বছর অংশগ্রহণকারী চীনা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭৩ শতাংশ। শুধু শিক্ষার্থীর সংখ্যাই নয়, এ কোর্সে অংশ নেওয়া চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যাও বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, চীনা শিক্ষার্থীদের এ আগ্রহ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ভাষা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিনিময় আরও জোরদার হওয়ারই প্রতিফলন। আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে চীনের গুয়াংডং ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজ ও ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটি থেকে মোট ১৫ জন শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার বিশেষ কোর্সে অংশ নেন। পরের বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ জনে। সে বছর ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটি, ইউনান ইউনিভার্সিটি ও বেইজিং ফরেন স্টাডিজ ইউনিভার্সিটি থেকে শিক্ষার্থীরা কোর্সটিতে অংশ নেন। চলতি বছর এ সংখ্যা আরও বেড়ে ২৬ জন হয়েছে। এবার ইউনান মিনজু ইউনিভার্সিটি, ইউনান ইউনিভার্সিটি, কমিউনিকেশন ইউনিভার্সিটি এবং গুয়াংডং ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বাংলা ভাষার বিশেষ কোর্সে অংশ নিচ্ছেন। উপাচার্যের সঙ্গে চীনা শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ এদিকে সোমবার বাংলা ভাষা বিষয়ে অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। চীনা শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যার কথাও উপাচার্যের কাছে জানান। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য শোনার পর উপাচার্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন ও অবস্থানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের খাবার, ওয়াই-ফাই, আবাসনসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন সুবিধা আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। চীনা শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষা শেখার এ আগ্রহ দুই দেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সংস্কৃতি সম্পর্কে জানাশোনার সুযোগও তৈরি করছে।

আগস্ট ২৫, ২০২৬

‘আগের মতোই অবিশ্বাস্য নিম্নমানের উপাচার্য নিয়োগ হচ্ছে’-অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ

  অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, আগের সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেভাবে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হতো, এখনো সেই ধারার পরিবর্তন হয়নি। তাঁর দাবি, বর্তমানে এমন কিছু উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যাদের মান ‘অবিশ্বাস্য মাত্রায় নিম্নমানের’ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ‘বাংলাদেশে অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা: অবস্থা, প্রকৃতি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। আনু মুহাম্মদ বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা না থাকলে কিংবা মানুষের ব্যক্তিগত ও সামগ্রিক স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও আলাদাভাবে অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, আইনে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার থাকাই যদি অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতার প্রধান শর্ত হতো, তাহলে দেশের চার স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ে এ স্বাধীনতার ব্যাপক চর্চা থাকার কথা। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে আনু মুহাম্মদ প্রশ্ন রাখেন, নির্বাচনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১১০০ শিক্ষক কীভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে—এ মর্মে স্বাক্ষর করলেন? তাদের সবাইকে কি এ স্বাক্ষরের জন্য বাধ্য করা হয়েছিল, নাকি তারা স্বেচ্ছায় তা করেছেন—এ প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় সহজে চলে যায় না উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ বলেন, অ্যাকাডেমিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার পাশাপাশি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের নিজেদের অবস্থান নিয়ে ভাবা প্রয়োজন। তিনি বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা, বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়ে কতটা তাগিদ, আগ্রহ ও অঙ্গীকার রয়েছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ‘সমস্যা ছাত্র সংগঠনে নয়, সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনে’ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র রাজনীতির প্রসঙ্গেও কথা বলেন আনু মুহাম্মদ। তিনি জানান, ষাটের দশক থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতির একটি পর্যালোচনা করেছিলেন তিনি। সেখানে তাঁর পর্যবেক্ষণ হলো, ছাত্র সংগঠন বা ছাত্র রাজনীতিকে সরাসরি সমস্যার মূল কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ছাত্র সংগঠন, ছাত্র রাজনীতি কিংবা সন্ত্রাসের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হলে বলতে হবে—সমস্যা ছাত্র সংগঠনে নয়, সমস্যা সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন নিয়ে। আনু মুহাম্মদের ভাষ্য, সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠনের বিষয়টি মূলত সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। অর্থাৎ এর পুরো কাঠামো রাষ্ট্র ও সরকারের ওপর নির্ভরশীল এবং সমস্যাটির উৎসও সেখানেই। আলোচনায় আরও যারা ছিলেন গোলটেবিল আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সারা হোসেন, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস্ রহমান, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শেখ নাহিদ নিয়াজী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শর্মী হোসেন এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আল মামুন।

আগস্ট ২৮, ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা অমান্য: শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ব্যবহারে ফের কড়া নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নিয়ে আসা এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। সরকারি নির্দেশনা থাকলেও নোয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া ও ব্যবহার বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা নিষিদ্ধ করতে ফের কড়া নির্দেশ দিয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।  নোয়াখালী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান। এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। চিঠিটি নোয়াখালী সদর উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন আনা এবং শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু ওই নির্দেশনা সত্ত্বেও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন নিয়ে আসছে এবং শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। এ অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়ে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো নিষিদ্ধ করা হলেও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন কোচিং কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা অমান্য করে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে দেওয়া যাবে না। তাই শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো বন্ধসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালা ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
এনসিটিবি লোগো । গ্রাফিক্স- এডুকেশন বাংলা

নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই দিতে প্রস্তুত এনসিটিবি

সব ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় কাজ করছে—বৃহস্পতিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে এনসিটিবি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্দিষ্ট সময়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানো এনসিটিবির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বই মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং চলছে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই সময়মতো ছাপা ও বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছে সংস্থাটি। বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবির নিজস্ব তদারকির পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠপর্যায়েও নজরদারি করছে। প্রেস মালিকদের সঙ্গেও চলছে নিয়মিত সমন্বয়। সম্প্রতি এনসিটিবি অডিটোরিয়ামে বই মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। সেখানে মালিকরা মুদ্রণ ও সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করা কয়েকটি সমস্যা তুলে ধরেন এবং সেগুলো সমাধান করা হলে সময়মতো বই সরবরাহ আরও সহজ হবে বলে মত দেন। এর পরপরই গত মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা ভার্চুয়ালি দেশের এক হাজারের বেশি বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিভাগ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। সভায় আগের মতবিনিময় সভায় আলোচিত সমস্যাগুলো মোকাবিলায় গৃহীত উদ্যোগ ও এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সরবরাহকৃত বইয়ের বিল দ্রুত পরিশোধ করা হবে বলে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকদের আশ্বস্ত করা হয়। পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা জোরদার, স্থানীয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বই গ্রহণের ব্যবস্থা এবং বই পাঠানোর সময় মাঠপর্যায় সঠিকভাবে অবহিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বই সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত স্থান বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকরাও শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে নির্ধারিত সময়ে দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে এনসিটিবি।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫

মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যাডহক কমিটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব দেবেন ইউএনও ও ডিসি — শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্ব উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা তার প্রতিনিধি পালন করবেন—এ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রবিবার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ১৫ নভেম্বর তারিখে স্বাক্ষরিত অফিস আদেশটি প্রকাশ করে। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং-১৬৭৫৭/২০২৫–এর প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ গত ৮ সেপ্টেম্বর যে পরিপত্র (যেখানে সংশোধিত প্রবিধানমালা-২০২৪ অনুযায়ী নিয়মিত বা অ্যাডহক কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছিল) জারি করেছিল, তা তিন মাসের জন্য স্থগিত রয়েছে। এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেখানে প্রবিধানমালা-২০২৪-এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী ইউএনও (উপজেলা পর্যায়) এবং ডিসি বা তার প্রতিনিধি (জেলা পর্যায়) সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। অফিস আদেশে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে বিলুপ্ত হবে। পরে বিষয়টি আদালতে গড়ালে সংশ্লিষ্ট পরিপত্র তিন মাসের জন্য স্থগিত হয়।

নিজ জেলায় নিয়োগ পাওয়া শিক্ষক বদলির আওতায় থাকবেন না: স্বয়ংক্রিয় বদলির উদ্যোগ হাতে নেওয়া হচ্ছে

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই সকল শিক্ষক যারা নিজ জেলায় নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের বদলির আওতায় না আনার প্রস্তাব এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধিকাংশ কর্মকর্তা এ প্রস্তাবের পক্ষে ইতিবাচক মত দিয়েছেন। ফলে নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার মাউশিতে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এই প্রস্তাবটি আলোচিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) মো. মিজানুর রহমান, মাউমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক প্রফেসর বি. এম. আব্দুল হান্নান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাইয়েদ এ. জেড. মোরশেদ আলী, মাউশির উপ-পরিচালক মো. ইউনুছ ফারুকী, সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম মোসলেম উদ্দিন, এবং টেলিটক ও ইএমআইএস সেলের কর্মকর্তারা। কর্মশালার আলোচনায় বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বদলির বিষয়ে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পেলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। কর্মশালায় উপস্থিত কর্মকর্তারা বলেন, যারা নিজ জেলা থেকে বহু কিলোমিটার দূরে চাকরি করছেন, তাদের বদলি বেশি জরুরি। এছাড়া, এমপি বা মন্ত্রীর সুপারিশের কারণে অনিয়মের সম্ভাবনা থাকায় নিজ জেলায় নিয়োগপ্রাপ্তদের বদলির সুযোগ না দেওয়ার জন্য সবাই একমত হয়েছেন। শিগগিরই চূড়ান্ত বদলি নীতিমালা প্রকাশ করা হবে। এক কর্মকর্তা বলেন, “কর্মশালায় টেলিটকের মাধ্যমে বদলি সফটওয়্যার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সফটওয়্যার তৈরিতে কী ধরনের সহযোগিতা দরকার তা লিখিতভাবে জানানো হবে এবং সফটওয়্যারটি কীভাবে কাজ করবে, সেটিও নির্ধারণ করা হবে।” জানা গেছে, এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে থাকায় শিক্ষাপেশার উন্নয়নে বাধা তৈরি হয়। তাই সরকার স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বদলির সুযোগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সফটওয়্যারের জটিলতার কারণে আগে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আবারও আদালতে ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা বদলির দাবিতে রিট করলে কার্যক্রম স্থবির হয়েছিল। কর্মশালার পর জানা গেছে, এবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষকদের বদলির সুযোগ বাস্তবায়িত হবে এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বদলি শিগগিরই শুরু হবে।

শিক্ষামন্ত্রণালয়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের: মাউশি

সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের নির্দেশিকা এবং নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন বা অধ্যাদেশ কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বুধবার (২২ অক্টোবর) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে মাউশি জানিয়েছে, তাদের আওতাধীন সব দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অবশ্যই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার এবং সাইবার স্পেসে আচরণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সরকারি নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই নীতিমালাগুলো অমান্য করলে তা সরকারি কর্মচারীর 'আচরণবিধি লঙ্ঘনের' শামিল হবে। এর পাশাপাশি এটি অনেক ক্ষেত্রে 'জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি' এবং 'শাস্তিযোগ্য অপরাধ' হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। এক্ষেত্রে 'সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)' এবং 'সাইবার সুরক্ষা আইন/অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২৫ নং অধ্যাদেশ)'-এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সব আঞ্চলিক পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আমার এলাকার সংবাদ

নাটোর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির শুরু

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল ফিডিং’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। শনিবার (১৫ নভেম্বর) নাটোরের গুরুদাসপুরের খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে এই ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি পুষ্টিহীনতা ও বিদ্যালয় চলাকালে শিশুদের ক্ষুধা দূর করতে সহায়তা করবে, ফলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আরও মনোযোগী হবে এবং বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহ বাড়বে। তিনি জানান, শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এই উদ্যোগটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, নাটোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আরিফ হোসেন এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ডমেনিকো স্কালপেল্লি। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’র আওতায় ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে সপ্তাহে পাঁচ দিন ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, ডিম এবং ইউএইচটি দুধ সরবরাহ করা হবে। এতে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশের বেশি হবে, ঝরে পড়া কমবে, প্রতি বছর প্রকৃত ভর্তির হার ১০ শতাংশের বেশি বাড়বে এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখার হার ৯৯ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণের হার ৯০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পাবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই কর্মসূচি বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

নাটোরের গুরুদাসপুরের খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন

অনলাইন জরিপ

আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে বিভিন্ন দল। আপনি কি মনে করেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকারে ব্যবস্থা করা উচিৎ?

×